সব কিছু যখন ঠিকঠাক চলছে, ঠিক তখনই ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) আকাশে কালো মেঘের ছায়া। বকেয়া বেতন চেয়ে জানিয়েছেন, গত মরশুমের কোচ অস্কার ব্রুজোর দুই সহকারী, জেভিয়ার স্যাঞ্চেজ এবং আদ্রিয়ান। এই মর্মে ফিফার লিগাল ডিপার্টমেন্ট থেকে ৩১ আগস্ট ইস্টবেঙ্গলের কাছে মেল চলে এসেছে।
আরও পড়ুন:
স্বাভাবিকভাবেই খুব দ্রুত জেভিয়ার আর আদ্রিয়ানের বকেয়া বেতন না মেটালে ট্রান্সফার ব্যানের আওতায় পড়ে যেতে পারে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। যা আইএসএল শুরুর আগে যথেষ্ট চাপের ব্যাপার ইস্টবেঙ্গলের জন্য। সঙ্গে শোনা যাচ্ছে, গত মরশুমের বেশ কিছু ভারতীয় ফুটবলারের বেতনও নাকি বাকি রয়েছে।
জেভিয়ার আর আদ্রিয়ানের বেতন বাকি থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে। মূলত ইস্টবেঙ্গল নিয়ে সোশাল মিডিয়াতে পোস্ট করে এরকম একটি টুইটার পেজে লাল-হলুদের আইএসএল জয়ী কোচ অস্কার ব্রুজোকে নিয়ে নিন্দাসূচক লেখা হয়। আর তারপরেই সোশাল মিডিয়াতে এর প্রতিবাদ করতে অস্কার ব্রুজোর সঙ্গেই আসরে নেমে পড়েন তাঁর দুই সহকারী জেভিয়ার এবং আদ্রিয়ান। অস্কারকে শান্ত করতে পরে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়।
অস্কারের হয়ে ততক্ষণে মাঠে নেমে পড়েছেন আদ্রিয়ানও। তিনিও পোস্টে করে লেখেন, ‘যিনি চোরের ভূমিকায়, তিনিই পরে পুলিশের ভূমিকায় রয়েছেন।’ সব মিলিয়ে অস্কার, জেভিয়ার, আদ্রিয়ানদের পোস্টে তখন সরগরম সোশাল মিডিয়া। সেখানেই পরে জেভিয়ার পোস্ট করেন, তাঁর বকেয়া বেতন এখনও মেটানো হয়নি।
এই ইস্যুতেই খোঁজখবর নিতে গিয়ে জানা যায়, ইতিমধ্যেই বকেয়া বেতনের দাবিতে ফিফার লিগাল ডিপার্টমেন্টে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ৩১ আগস্ট অভিযোগ জানিয়ে বসে আছে জেভিয়ার এবং আদ্রিয়ান। যা ফিফার তরফে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে। ফলে ভালো সময়ের মধ্যেই ফের কালো ছায়া ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে। এখন দেখার ফিফার ব্যানের আওতায় পড়তে হয় কি না। কারণ, পড়শি ক্লাব মহামেডান ফিফার ব্যানের আওতায় পড়ে ইতিমধ্যেই সমস্যায় রয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিজেপি নেতার নির্দেশে সরকারি জমিতে দোকান! দুর্গাপুরে গ্রেপ্তার ‘দালাল’
-
ফরাক্কায় নাবালিকার বিয়ের আয়োজন, বরযাত্রীর সামনেই ঢুকল পুলিশের গাড়ি! তারপর…
-
বারবার সতর্ক করেছিল সিআইএ, কান দেয়নি ওয়াশিংটন! রোখা যেত ৯/১১
-
অন্তর্বাস খুলিয়ে গোপনাঙ্গে হাত! তল্লাশির নামে হাওড়ায় শিক্ষিকাদের ‘হেনস্তা’
-
তারাতলাকাণ্ডে ধৃত কলকাতা পুরসভার সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ