ব্রাজিল: ২ (ক্যাসেমিরো, মার্টিনেলি)
জাপান: ১ (সানো)
২০২৬ বিশ্বকাপে এশীয় সূর্যের উত্থান মন কেড়েছে ফুটবল দুনিয়ার। গোটা মহাদেশকে বিশ্বমঞ্চে মিরাকলের স্বপ্ন দেখিয়েছে জাপান। নেদারল্যান্ডসের মতো দলকে আটকে দিয়ে পৌঁছে গিয়েছে শেষ ৩২-এ। কিন্তু নকআউটের প্রথম লড়াইটাই ছিল পাহাড় প্রমাণ কঠিন। আক্ষরিক অর্থেই যে ব্রাজিল তাদের গুরু। আর শিষ্যদের সেই শৈল্পিক ফুটবলকে দিনের শেষে হার মানতেই হল গুরুর কাছে। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পৌঁছে গেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা (Brazil vs Japan Match Report)। কার্লো আন্সেলোত্তির দল ছিটকে যাওয়াটাই এখানে হত অঘটন। তাই তাদের জয়ের চেয়েও সামুরাই ব্লুর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই যেন বেশি করে মনে রাখবেন দর্শকরা।
আরও পড়ুন:
A late goal sees Brazil into the next round! 🇧🇷#FIFAWorldCup
Advertisement— FIFA World Cup (@FIFAWorldCup) June 29, 2026
Advertisement
জাপানে ফুটবলের অগ্রগতির নেপথ্যে বিরাট অবদান ব্রাজিলের। জে-লিগকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পুরোদস্তুর প্রয়াস চালিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের মক্কা। কখনও কিংবদন্তি জিকো মেন্টর হয়ে উদ্বুদ্ধ করেছেন জাপানের উঠতি খেলোয়াড়দের, তো কখনও ১৯৯৪ বিশ্বজয়ী দলের সদস্য দুঙ্গা জাপানের ক্লাবে খেলেছেন। আজ জাপান যে জায়গায় নিজেদের পৌঁছে দিয়েছে, তাতে তারা যে ব্রাজিলের কাছে চিরকৃতজ্ঞ, তা বলাই বাহুল্য। স্বাভাবিক ভাবেই সেই গুরুই যখন মরণ-বাঁচন লড়াইয়ের প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে, তখন সমীকরণটাই এলোমেলো হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু ম্যাচের প্রথমার্থে খোদ জাপানই ভিনি জুনিয়রদের খেলাটাকে এলোমেলো করে দিল। ২৯ মিনিটে অনবদ্য গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়ে দুনিয়াকে যেন সানো বার্তা দিলেন, হাম ভি কিসিসে কম নহি!

তবে জাপানি বোমাকে শক্ত হাতে ব্রাজিল সামাল দিল ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে। আন্সেলোত্তি জমানায় যোগা বোনিতো হয়তো মিস করেন ব্রাজিল সমর্থকরা। কিন্তু খোঁচা খাওয়া বাঘকে দিয়ে কীভাবে শিকার করাতে হয়, তা পোড়খাওয়া বর্তমান কোচ অনেকের চেয়েও অনেক ভালো বোঝেন। আর সেটাই হল দ্বিতীয়ার্থে। জোড়াল হল আক্রমণ। ৫৬ মিনিটে ক্যাসেমিরোর নিখুঁত হেডে সমতায় ফেরে ব্রাজিল। আর ইনজুরি টাইমের শেষ লগ্নে গোটা স্টেডিয়াম যখন ধরেই নিয়েছে ম্যাচ গড়াবে এক্সট্রা টাইম, ঠিক তখন এল জয়সূচক গোল। দলের শেষ ষোলোর টিকিট পাকা করে দিলেন মার্টিনেলি। তবে জাপানি গোলকিপার সুজুকির দুরন্ত সেভ আর ভিনির শট বারে লেগে ফিরে না এলে আরও বড় ব্যবধানে জিততেই পারত ব্রাজিল।
নেইমারকে যে দলের মেরুদণ্ড বলে মানা হয়, সেই নেইমারের অভাব আজও বোধ করতে দেননি ক্যাসেমিরোরা। দলকে নিজের মতো করে গুছিয়ে নিয়ে ভালোই জানেন আন্সেলোত্তি। শেষ ষোলোয় আইভরি কোস্ট অথবা হালান্ডের নরওয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে সেলেকাওয়ের। সেখানে ব্রাজিলের পোস্টার বয় থাকেন কি না, তা লাখ টাকার সওয়াল। তবে আপাতত সাম্বার তালে সেলিব্রেশনের মাঝেও শিষ্যের পারফরম্যান্স নিশ্চিতভাবে মাথা উঁচু করে দেবে ইয়েলো ব্রিগেডের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘ডিম ছোড়ার সংস্কৃতি চললে দেশের সামনে চুনকালি পড়বে’, ফের কর্মীদের সতর্কবার্তা শমীকের
-
দাম্পত্যে প্রেম চাইলে লাল, পড়াশোনায় সবুজ, বাস্তুমতে পর্দা বাছার অমোঘ টোটকা জানেন?
-
রানাঘাট পুরসভাও হাতছাড়া তৃণমূলের, চেয়ারম্যান-সহ পদত্যাগ ১৩ কাউন্সিলরের, দায়িত্বে কে?
-
‘ভুয়ো এসটি সার্টিফিকেট যারা নিয়েছে ও দিয়েছে, গ্রেপ্তার হবে’, হুল দিবসে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর
-
বড় জমিদার জাহাঙ্গির! ফলতায় ‘পুষ্পা’র সম্পত্তির নথি হাতে পেয়ে তাজ্জব পুলিশ