England

ইংল্যান্ডের দুশ্চিন্তা ৪০ বছর পুরনো মারাদোনা ‘আতঙ্ক’, কেনদের ‘রাতের ঘুম’ ওড়াতে তৈরি মেক্সিকানরা

১৯৮৬ সালে মেক্সিকোর এস্তাদিও আজটেকা স্টেডিয়ামে মারাদোনার কাছে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ইংল্যান্ডের। এবার সেই স্টেডিয়ামেই রাউন্ড অফ ৩২-এর ম্যাচ। প্রতিপক্ষ মেক্সিকো।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ২০:৪৯

options
link
ইংল্যান্ডের দুশ্চিন্তা ৪০ বছর পুরনো মারাদোনা ‘আতঙ্ক’, কেনদের ‘রাতের ঘুম’ ওড়াতে তৈরি মেক্সিকানরা
মেক্সিকোর সমর্থকদের হাত থেকে বাঁচতে নয়া কৌশল ইংল্যান্ডের।

৪০ বছর কেটে গিয়েছে। এখনও বোধহয় সেই যন্ত্রণার স্মৃতি ভুলতে পারেননি ইংরেজ ফুটবল ভক্তরা। ১৯৮৬ সালে মেক্সিকোর এস্তাদিও আজটেকা স্টেডিয়ামে মারাদোনার কাছে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ইংল্যান্ডের। এবার সেই স্টেডিয়ামেই শেষ ষোলোর ম্যাচ। প্রতিপক্ষ মেক্সিকো। ‘অভিশপ্ত’ স্টেডিয়ামে ফেরার আগে হ্যারি কেনদের চিন্তা অন্য জায়গায়। রাতের ঘুম হবে কি না, সেটাই প্রশ্ন।

Advertisement

ব্যাপারটা ঠিক কী? ঘরের মাঠের সুবিধা নিতে সম্পূর্ণ তৈরি মেক্সিকো। আগের ম্যাচে ইকুয়েডরকে হারিয়েছে তারা। তবে আগের রাতে ইকুয়েডরের ফুটবলারদের আদৌ ঘুম হয়েছে কি না সন্দেহ! কারণ, বিপক্ষ দলের হোটেলের সামনে সারা রাত জুড়ে মেক্সিকানরা গাড়ির হর্ন বাজিয়েছেন। বাজি ফাটিয়েছেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও একই প্ল্যান। সেটা থেকে জুড বেলিংহ্যামদের বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে ফিফা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ইংল্যান্ডের হোটেলের চারপাশে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হচ্ছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে আলাদাভাবে রাস্তা অবরোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাতে ইকুয়েডরের ম্যাচের আগের পরিস্থিতি এড়ানো যায়। এখানেই শেষ নয়। নিজেদের ভ্রমণ পরিকল্পনাতেও ইংল্যান্ড বদল এনেছে। কারণ, শুধু মেক্সিকানদের ‘উৎপাত’ নয়। আজতেকা স্টেডিয়াম সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২২৫০ মিটার উপরে। ফলে শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়। তাই ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল ঠিক করেছেন, দল নিয়ে একদিন আগে পৌঁছে যাবেন।

Advertisement

৬ জুলাই, সোমবার, ভারতীয় সময় ভোরে মেক্সিকোর বিরুদ্ধে নামবে ইংল্যান্ড। তার আগে টুখেল বলেন, “আমি তো বলব ১০ দিন আগে চলে আসতে। সেটাও একটু বেশি হয়ে যাবে। আবার একেবারে শেষ মুহূর্তে যাওয়াটাও ঠিক হবে না। আমি সবার সঙ্গে কথা বলে দেখেছি। ম্যাচের আগে পৌঁছলে মানিয়ে নিতে পারব না। তাই আমাদের একটা ভারসাম্য দরকার। তাছাড়া এখানে বলের বাউন্স বেশি। তাই আমাদের সেই অভিজ্ঞতা দরকার।”

শুধু অভিজ্ঞতাই কি যথেষ্ট হবে? মেক্সিকো এখনও পর্যন্ত বিশ্বকাপে গোল খায়নি। অন্যদিকে ‘দুর্বল’ ডিআর কঙ্গোর বিরুদ্ধে ইংরেজদের পারফরম্যান্স চিন্তাজনক। তার উপর আছে ১৯৮৬-র ২২ জুনের ‘আতঙ্ক’। ওই দিনই ‘হ্যান্ড অফ গড’-এর কলঙ্ক। আবার ওই দিনই ৬ জন ফুটবলারকে কাটিয়ে মারাদোনার বিখ্যাত গোল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.