Lionel Messi

তৃতীয়বার বিশ্বকাপের খেতাবি লড়াইয়ে মেসি, ফাইনালে উঠেও এই নজির হাতছাড়া হয়েছে কিংবদন্তিদের

দ্বিতীয় ফুটবলার হিসাবে ৩ বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসি। সোনার বুটের লড়াইয়ে তাঁকে চ্যালেঞ্জ করছেন কে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ১৬:৫৯

options
link
তৃতীয়বার বিশ্বকাপের খেতাবি লড়াইয়ে মেসি, ফাইনালে উঠেও এই নজির হাতছাড়া হয়েছে কিংবদন্তিদের
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে মেসির উল্লাস। ফাইল ছবি।

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। তারপর ৭ মিনিটের ম্যাজিক। জোড়া গোল এল মেসির দুই সতীর্থর কাছ থেকে। আর দু’টি গোলই করালেন বাঁ-পায়ের ম্যাজিসিয়ান। লিওনেল মেসির (Lionel Messi) ম্যাজিকে ফাইনালে উঠে গেল আর্জেন্টিনা। সেই সঙ্গে একাধিক নজির গড়লেন লিও নিজেও। গোল পাননি তবে সোনার বুটের দৌড়ে এমবাপেকে টপকে গিয়েছেন তিনি। সৌজন্যে তাঁর জোড়া অ্যাসিস্ট।

Advertisement

রবিবার রাতে ফাইনালে নামার আগে মেসির নামের পাশে দুটি রেকর্ডের হাতছানি থাকবে। এক, ফের মেসির সামনে বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জেতার হাতছানি। যে লড়াইয়ে এখন তিনিই পুরোভাগে। ৭ ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা ৮। অ্যাসিস্ট সংখ্যা ৪। এই লড়াইয়ে তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন একমাত্র কিলিয়ান এমবাপে। তাঁরও গোলসংখ্যা ৮। অ্যাসিস্ট সংখ্যা ৩। এমবাপে খেতাবের লড়াই থেকে ছিটকে গিয়েছেন। কিন্তু তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচে খেলবেন। অর্থাৎ মেসি এবং এমবাপে দু’জনেই একটি করে ম্যাচ পাবেন সোনালি বুট দখলের লড়াইয়ে।

Advertisement

মেসি (Lionel Messi) সোনার বুট পাবেন কিনা, সেটা পরের ব্যাপার। তবে রবিবার ফাইনালে নামলেই অন্য একটি রেকর্ড করে ফেলবেন তিনি। সেটা হল দ্বিতীয় ফুটবলার হিসাবে ৩টি আলাদা আলাদা বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা। লিও ২০১৪ এবং ২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছেন। এর মধ্যে ২০১৪ সালে তাঁকে হারের মুখ দেখতে হয়েছে। ২০২২ সালে তিনি দলকে চ্যাম্পিয়ন করেন। সব ঠিক থাকলে এ বার বিশ্বকাপ ফাইনালেও খেলবেন তিনি। এর আগে একমাত্র ব্রাজিলের কাফু ৩টি বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছেন। ১৯৯৪, ১৯৯৮ এবং ২০০২। এর মধ্যে ১৯৯৮ বাদে দু’বার তিনি চ্যাম্পিয়ন হন।

Advertisement

মজার কথা হল, তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার এই নজির গড়ার হাতছানি ছিল আরও একাধিক কিংবদন্তির সামনে। কিন্তু তাঁরা অল্পের জন্য সেই সুযোগ হাতাছাড়া করেন। লোথার ম্যাথাউস, পেলে, এবং রোনাল্ডো নাজারিও। এই তিন কিংবন্তি দুটি করে বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছেন। কিন্তু ৩ নম্বর ফাইনালে দলে থেকেও নামার সুযোগ পাননি। পেলে যেমন ১৯৫৮ এবং ১৯৭০ ফাইনালে খেলেছেন। ১৯৬২ ফাইনালে দলে থাকলেও নামার সুযোগ পাননি চোটের জন্য। লোথার ম্যাথাউস যেমন দলে থাকলেও ১৯৮৬ ফাইনালে নামার সুযোগ পাননি। রোনাল্ডো নাজারিও আবার ১৯৯৮ এবং ২০০২ ফাইনালে খেলেছেন। ১৯৯৪ ফাইনালেও ব্রাজিল দলে ছিলেন তিনি। কিন্তু ১৭ বছরের রোনাল্ডোকে সেই ফাইনালায়ে নামায়নি ব্রাজিল। অর্থাৎ অল্পের জন্য এই ৩ কিংবদন্তি যে রেকর্ড হাতছাড়া করেছেন, সেটাই এবার করতে চলেছেন মেসি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.