Mohun Bagan

মরশুমের বাকি ট্রফিজয়ের হুঙ্কার মোহনবাগানের ছাংতের, ইস্টবেঙ্গলে সই নিয়ে কী জানালেন সানান?

ফুটবল প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার বিচারে গত মরশুমের সেরা ফুটবলার হলেন লালনিয়ানজুয়না ছাংতে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৪:১৪

options
link
মরশুমের বাকি ট্রফিজয়ের হুঙ্কার মোহনবাগানের ছাংতের, ইস্টবেঙ্গলে সই নিয়ে কী জানালেন সানান?
বাঁদিকে ছাংতে, ডানদিকে সানান। নিজস্ব ছবি

ফুটবল প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার বিচারে গত মরশুমের সেরা ফুটবলার হলেন লালনিয়ানজুয়না ছাংতে। মহম্মদ সানান পেলেন সেরা উদীয়মান ফুটবলারের পুরস্কার। সেরা আইলিগ ফুটবলার হয়েছেন শিলং লাজংয়ের ফ্রাঙ্কি বুয়াম ও সেরা আইডব্লুএল ফুটবলার সানফিদা নংরুম। বর্ষসেরা মহিলা ফুটবলার হয়েছেন মনীষা কল্যাণ। বর্ষসেরা কোচ আওয়েন কওয়েল। মহিলা দলের সেরা কোচের পুরস্কার পেলেন অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজ। জীবনকৃতি সম্মান পেলেন মার্কোস পাচেকো। শনিবার কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে বর্ষসেরা ফুটবলারদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন সুনীল ছেত্রী, বাইচুং ভুটিয়ারা।

Advertisement

বর্ষসেরা ফুটবলার হয়ে আপ্লুত ছাংতে। মোহনবাগানের হয়ে ডুরান্ড কাপ ফাইনালে হেরে হতাশ হলেও মরশুমের বাকি ট্রফি ঘরে তুলতে বদ্ধপরিকর মিজো ফুটবলারটি। তিনি বলেন, “ডুরান্ড ফাইনালে চেষ্টাও করেছিলাম। আশা করি আইএসএলে পুরে স্কোয়াড পাব। তাই শুধু আইএসএল নয়, বাকি সব ট্রফি জিতবই। দেশের সবথেকে সফল ক্লাবের হয়ে চ্যালেঞ্জ নিতেই কলকাতা এসেছি।” ব্রাজিলের বিরুদ্ধে আসন্ন ফ্রেন্ডলি ম্যাচে ফলাফল নয়, খেলার প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করাই লক্ষ্য মোহনবাগানের এই তারকা ফুটবলারের।

Advertisement

বর্ষসেরা উদীয়মান ফুটবলারের পুরস্কার হাতে নিয়ে সানান বলে গেলেন, “আগামী মরশুমে যেন আমি বর্ষসেরা ফুটবলার হতে পারি। এখন আমার এটাই লক্ষ্য হবে।” শোনা যাচ্ছে, এই মরশুমে তিনি আসতে চলেছেন ইস্টবেঙ্গলে। কথাবার্তা অনেকটাই এগিয়ে গেলেও সানান সরাসরি মুখ খুললেন না এখনই। তবে কলকাতায় আসার সম্ভাবনার কথা অস্বীকারও করলেন না। অনুষ্ঠানে সেরা বিদেশি ফুটবলার হিসাবে পুরস্কার পেলেন মিগুয়েল ফিগুয়েরা। আইএসএল ও আইডব্লুএল চ্যাম্পিয়ন দল হিসাবে পুরস্কৃত হল ইস্টবেঙ্গল।

Advertisement

এদিন বাইচুং ব্যাখ্যা করেন কেন এই সংস্থা তৈরি করেছিলেন তাঁরা। তিনি বলেন, “এই সংস্থা তৈরি করেছিলাম শুধুমাত্র বিখ্যাত ফুটবলারদের জন্য নয়। নিচের ডিভিশনে খেলা ফুটবলাররাও আইনি লড়াই, নিজেদের অধিকারের লড়াই লড়তে পারে না। তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই এই সংস্থা গড়েছিলাম আমরা। বিশেষ করে সেই সময় চুক্তি নিয়ে অনেক সমস্যা ছিল। ফুটবলাররা চোট পেলে সমসায় পড়তে হত।” অনুষ্ঠানে ছিলেন ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবে, ডেপুটি জেনারেল সেক্রেটারি সত্যনারায়ণ, আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত, এফপিএআই সভাপতি মেহরাজউদ্দিন ওয়াডু, সচিব অরিন্দম ভট্টাচার্য। সঙ্গে ছিলেন রেনেডি সিং, রহিম নবি, জোস ব্যারেটো, জেজে, দীপক মণ্ডল-সহ একঝাঁক প্রাক্তন ও বর্তমান ফুটবলার এবং কোচ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.