দু’দিনের ছোট্ট ছুটিতে দিঘা কিংবা মন্দারমণি গিয়ে একঘেয়ে হয়ে গিয়েছেন? মন বলছে অন্য় কোথাও যেতে? অথচ আপনি কাছেপিঠের কোনও সমুদ্রের স্বাদ নিতে চান? তবে আপনার গন্তব্য হোক ‘উত্তরবঙ্গের দিঘা’। নিশ্চয়ই ভাবছেন, উত্তরবঙ্গ মানেই তো পাহাড়। সেখানে আবার সমুদ্রের স্বাদ পাবেন কীভাবে? অবাক হবেন না, আপনার জন্য রইল দুর্দান্ত অফবিট ঠিকানার খোঁজ।
মালদহের ভাটরা বিল ‘উত্তরবঙ্গের দিঘা’ হিসাবে পরিচিত। বর্ষায় টাঙ্গন নদী ভয়াবহ রূপ নেয়। আশপাশের নিচু জমি, বিল জলে টইটুম্বুর হয়ে ওঠে। বর্ষাকালে হালকা ঢেউও দেখা যায় জলে। যা আপনাকে সমুদ্রের স্বাদ দিতে পারে। সঙ্গে খোলা নীল আকাশ। যা আপনাকে প্রকৃতির সঙ্গে যেন একাত্ম করে তুলতে সাহায্য করবে। সমুদ্রের স্বাদ আরও ভালো করে নিতে চাইলে নৌকাবিহার করতে পারেন। বিলের আশপাশে নানারকমের খাবারের দোকান রয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের সঙ্গে পেতে পারেন পেটপুজোর সুযোগ। শীতকালের বিলে জলের পরিমাণ কমে যায়। তাই সেই সময় সৌন্দর্যও কমে খানিকটা। তাই ভাটরা বিলে বেড়াতে চাইলে বর্ষাতেই যাওয়াই ভালো।
আরও পড়ুন:
কীভাবে যাবেন?
হাওড়া, কলকাতা কিংবা শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ট্রেনে মালদহ টাউন স্টেশনে পৌঁছতে হবে। সেখান থেকে টোটো বা গাড়ি রিজার্ভ করে ভাটরা বিলে যেতে পারেন। রথবাড়ি মোড় থেকে গাড়ি ভাড়া করে যেতে পারেন।
সড়কপথে ইটাহার ও গাজোল হয়ে সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দিকে যেতে হবে। জাতীয় সড়কের বাইপাসের সূর্যাপুর এলাকা থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার মতো এগোলেই ভাটরা বিল।
কোথায় থাকবেন?:
ভাটরা বিল দেখতে গেলে আপনাকে মালদহ টাউন শহরেই থাকতে হবে। স্টেশনের আশেপাশে কোনও হোটেল কিংবা লজ ভাড়া নিতে পারেন। সেখান থেকে ট্রেন ধরাও সুবিধাজনক। আবার গাড়ি কিংবা টোটো ভাড়া করে ভাটরা বিলে যাওয়াও সহজ।
তাই আর দেরি করবেন না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাক্সপ্যাঁটরা গুছিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। হলফ করে বলা যায়, ছোট্ট ছুটি মন্দ লাগবে না।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ঠোঁটে সারাক্ষণ কৃষ্ণনাম, সাধু বেশে আশ্রয় নিয়ে একের পর এক মঠে লুট! তারপর…
-
নেপালের দুর্যোগে ভাসবে উত্তরপ্রদেশ? ফুঁসছে নারায়ণী-গণ্ডক, প্লাবনের শঙ্কায় সতর্কতা একাধিক জেলায়
-
পাথর হয়েছিল পিত্তথলিতে, অস্ত্রোপচার হল অ্যাপেনডিক্স! কাঠগড়ায় এনআরএস হাসপাতাল
-
হবু স্ত্রী ইউরোপের রাজকন্যা! বিলাওয়াল ভুট্টোর বিয়ে নিয়ে জল্পনা, কী বলছে পাকিস্তান পিপলস পার্টি?
-
হাওড়া স্টেশনে আকাশি রঙের ট্রলি দেখেই চিৎকার স্নিফার ডগ ‘মার্কো’র! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ
