দরজায় দাঁড়িয়ে ফুটবলপ্রেমী ‘খদ্দের’, বিশ্বকাপকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন রাশিয়ার যৌনকর্মীরা

কিছুদিন আগেই বিদেশিদের সঙ্গে যৌনতায় নিষেধাজ্ঞা জানিয়েছিল রুশ সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৩, ১৯:৪৯

options
link
দরজায় দাঁড়িয়ে ফুটবলপ্রেমী ‘খদ্দের’, বিশ্বকাপকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন রাশিয়ার যৌনকর্মীরা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মায়াচকি নামেই তাঁকে চেনেন খদ্দেররা। এতদিন মুখ ব্যাজার করে ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ আলোর সন্ধান পেয়েছেন তিনি। আর তাই তাঁর মুখে হাসিও ফুটেছে। কারণ, বিশ্বকাপের জন্য সরকার যৌন পেশায় থাকা কড়া নিষেধাজ্ঞার নিয়ম ঢিলেঢালা করেছে। অতএব, আর্নিং টাইম।

Advertisement

ব্যাপারটা খোলসা করা যাক। বিশ্বের আর পাঁচটা দেশের মতো নয় রাশিয়া। ওখানে ডেটিং অ্যাপ থেকে শুরু করে যৌন পেশা, সবকিছুতেই বাধানিষেধ প্রবল। কিন্তু বিশ্বকাপের বাজারে বহু ফুটবল ফ্যান দেশে পা রাখছে। আর তাঁদের কথা ভেবে এই সমস্ত ক্ষেত্রেও বাধা নিষেধের ব্যাপারটা শিথিল করে দেওয়া হয়েছে। মায়াচকি বলছিলেন, “আগে তো রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকলেই পুলিশ এসে বারবার প্রশ্ন করত। এখন ওরা দেখেও না দেখার ভান করে চলে যায়। জানি এটা সবসময়ের জন্য নয়। কিন্তু বিশ্বকাপ  আমাদের জন্য যে সুযোগ করে দিয়েছে, সে কারণে ধন্যবাদ দিতেই হবে। আমরা খুশি।” সিলভার রোস নামের এক গ্রুপ পরিসংখ্যান দিয়েছে। তারা জানিয়েছে রাশিয়ায় প্রায় তিন লক্ষ যৌনকর্মী রয়েছেন। এবং তাঁরা এই মুহূর্তে খুব খুশি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিশ্বকাপে ভিনদেশিদের সঙ্গে যৌনতায় সাবধান! সুন্দরীদের সতর্ক করল রাশিয়া ]

Advertisement

সমস্যা অবশ্য থাকছে। আর সেটা রাশিয়া সরকারের তরফ থেকে। তাদের তরফ থেকে রাশিয়ার যৌনকর্মীদের কাছে নাকি নির্দেশ গিয়েছে, আর যাই করো, বিদেশ থেকে আশা ফুটবলপ্রেমীদের সঙ্গে যৌনতা করা যাবে না। কেন এমন সিদ্ধান্ত? রাশিয়ায় মহিলা, শিশু পরিবারদের দেখাশোনার জন্য যে দপ্তর রয়েছে তার প্রধান হলেন প্লেৎনোভা। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, “ফুটবলপ্রেমীরা আসবেন। যৌনকর্মীদের সঙ্গে থাকতেও পারেন। কিন্তু তারপর? যে সব সন্তানের জন্ম হবে, তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে? রাশিয়ার মতো দেশে ওদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সেই দায়িত্ব তখন কে নেবে?”

একশো শতাংশ ফিট সালাহ, সুয়ারেজের সঙ্গে দ্বৈরথের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে বিশ্ব ]

উল্লেখ্য, ১৯৮০ সালে মস্কোয় সামার অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়। সেসময় অনেক রুশ মহিলাই বিদেশিদের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন। ফলে কয়েক হাজার ‘অবৈধ’ শিশু জন্ম নেয়। তাদেরই বলা হয় ‘চিলড্রেনস অফ অলিম্পিক্স’। রুশ সমাজে তাদের প্রতি বৈষম্য নতুন কিছু নয়। কৃষ্ণাঙ্গ শিশুদের প্রতি ভেদাভেদ আরও বেশি। তাই এবছর ফুটবলের মহারণ শুরুর সময় এমন সতর্কবার্তা দেন প্লেৎনোভা। তবে কার্যত দেখা যাচ্ছে সতর্কবার্তা হাওয়ায় ভাসছে। মুখের হাসি চওড়া হচ্ছে যৌনকর্মীদেরই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.