Mohammedan Sporting Club

সভাপতি পদে দায়িত্ব নিয়েই মহামেডানকে ঋণমুক্ত করার আশ্বাস হুমায়ুনের, বার্তা ‘রাজনীতি’ নিয়েও

বর্তমানে মহমেডানের উপর প্রায় ১৩ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকার ঋণের বোঝা রয়েছে। একই সঙ্গে আগামী মরশুমের জন্য দল গঠনের কাজও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রসূন বিশ্বাস
প্রসূন বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১৭:০৮

options
link
সভাপতি পদে দায়িত্ব নিয়েই মহামেডানকে ঋণমুক্ত করার আশ্বাস হুমায়ুনের, বার্তা ‘রাজনীতি’ নিয়েও
মহামেডান সভাপতি পদে হুমায়ুন।

ময়দানি রাজনীতিতে একপ্রকার নাটকীয় পটপরিবর্তনে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি পদে নিযুক্ত হয়েছেন হুমায়ুন কবীর। আর দায়িত্ব নিয়েই তিনি ক্লাবকে রাজনীতি এবং আর্থিক সংকট মুক্ত করার বার্তা দিলেন। হুমায়ুনের দাবি, দ্রুত অর্থের সংস্থান করার ব্যাপারে চেষ্টা করবেন তিনি। ক্লাবের উপর যে বিশাল দেনার বোঝা তার অন্তত অর্ধেক আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দিতে চান মহামেডানের নতুন সভাপতি।

Advertisement

বর্তমানে মহমেডানের উপর প্রায় ১৩ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকার ঋণের বোঝা রয়েছে। একই সঙ্গে আগামী মরশুমের জন্য দল গঠনের কাজও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থাভাবে সেই প্রক্রিয়া কার্যত থমকে। এ হেন কঠিন পরিস্থিতিতে ক্লাবের দায়িত্বে হুমায়ুন। দায়িত্ব নিয়ে তিনি বলছেন, “অর্থের সংস্থান যাতে হয় সে ব্যাপারে চেষ্টা করা হচ্ছে। আলাদিনের প্রদীপ তো কিছু নেই, যা রাতারাতি সমস্যা মিটে যাবে। একটু সময় দিতে হবে। আমরা ক্লাবের ঐতিহ্য ধরে রাখার সবরকম চেষ্টা করব।” ক্লাব সূত্রের খবর, হুমায়ুন আশ্বাস দিয়েছেন আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে অন্তত অর্ধেক ঋণ মিটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা তিনি করবেন।

Advertisement

গত কয়েক দিন ধরে মহমেডানের সদস্য ও সমর্থকদের একাংশ আমিরুদ্দিন ববির পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সেই চাপের মুখেই তিনি দায়িত্ব ছাড়েন। তবে ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, সভাপতির পদে পরিবর্তন হলেও বাকি কমিটিগুলি আপাতত অপরিবর্তিত থাকবে। আগামী কিছুদিন নতুন সভাপতির নেতৃত্বে ক্লাবের কার্যক্রম এবং আর্থিক পরিস্থিতির উন্নতি কতটা হয়, তা দেখার পর ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সরকার ময়দানকে রাজনীতি মুক্ত করার বার্তা দিয়েছে। সে প্রসঙ্গে নওদার বিধায়কের বক্তব্য, “যিনি রাজনীতিমুক্ত করার কথা বলছেন বলতেই পারেন। তাঁদের আগে করে দেখাতে হবে। কল্যাণ চৌবে এআইএফএফ প্রেসিডেন্ট, আগে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন। অমিত শাহর ছেলে কী করে এসেছেন। বলাটা অনেক সহজ। কিন্তু কার্যকর করা অনেক কঠিন। আমি বিধানসভার সদস্য, রাজনীতির লোক। বিধানসভায় রাজনীতি করব। কিন্তু এটুকু কথা দিতে পারি, ক্লাবের মধ্যে কোনও রাজনীতি করব না। বা ক্লাবের অন্দরে রাজনীতির কোনও কথাও বলব না।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.