দেরিতে হলেও নিজেদের ভুল বুঝতে পারলেন আইএফএ কর্তারা। মেসি ম্যাচে খেলানোর জন্য নির্বাসিত করা হয়েছিল চার রেফারি এবং সেই ম্যাচের ম্যাচ কমিশনারকে। বৃহস্পতিবার শাস্তিপ্রাপ্ত ম্যাচ কমিশনার এবং রেফারিদের সেই শাস্তি তুলে নিল বঙ্গ ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা।
আরও পড়ুন:
নিয়মে রয়েছে, আইএফএ-র বাইরে কোনও ম্যাচ খেলাতে গেলে রেফারিকে অনুমতি নিতে হবে আইএফএ থেকে। কিন্তু মেসির আগমনকে কেন্দ্র করে ম্যাচে খেলানোর জন্য কোনও অনুমতি না নেওয়ায় রেফারি রোহন দাশগুপ্তকে এক বছরের জন্য নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল। বাকি তিন রেফারি দেবদত্ত মণ্ডল, নীলরতন সরকার এবং দেবব্রত সরকারকে নির্বাসিত করা হয়েছিল ছ’মাসের জন্য। এমনকী ম্যাচ কমিশনার অপরূপ চক্রবর্তীকে পর্যন্ত ৬ মাসের জন্য নির্বাসন দেওয়া হয়েছিল।
আর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে শুধুই রেফারি তাঁবু নয়। খোদ আইএফএ-র অন্দরে হইচই পড়ে যায়। কারণ, প্রায় প্রতিদিন বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার-হাজার প্রতিযোগিতায় রেফারিরা খেলিয়ে চলেছেন বিনা অনুমতিতে। এমনকী, রোহনদের শাস্তি দেওয়ার পরের সপ্তাহেও বেশ কিছু প্রতিযোগিতা হয়েছে, যেখানে আইএফএ-র অনুমোদিত রেফারিরা খেলিয়েছেন কোনও অনুমতি ছাড়াই। ফলে রেফারি তাঁবুতে আইএফএ-র উপর ক্ষোভ বাড়ছিল। কারণ, আইএফএ সারা বছর রেফারিদের বেতন দেয় না। কলকাতা লিগ খেলিয়ে সর্বোচ্চ পেতে পারেন ১০ হাজার টাকার মতো। সেটাও সম্ভব একমাত্র প্রিমিয়ার লিগে খেলালে। যেখানে বিকল্প অন্ন সংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া সম্ভব নয়, সেখানে কারও অন্ন সংস্থান কীভাবে বন্ধ করা সম্ভব? তার উপর শান্তিপ্রাপ্ত রেফারিদের সামনেই আই লিগের প্যানেলে থাকার সম্ভাবনা ছিল। এই অবস্থায় কীভাবে বাংলার ফুটবল সংস্থা খোদ বাংলার রেফারিদের পথে বসায়?
ফলে নির্বাসনের সিদ্ধান্ত নিয়ে আইএফএর কর্তরা চাপে পড়েছিলেন। এদিন নিজেদের দেওয়া শাস্তি নিজেরাই তুলে নিতে বাধ্য হলেন। রেফারি, ম্যাচ কমিশনার প্রত্যেকের থেকে মুচলেকা নিয়ে তাঁদের শাস্তি তুলে নিল আইএফএ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!