ঘরের মাঠে ম্যাকাওকে উড়িয়ে এএফসি এশিয়া কাপের মূলপর্বে সুনীলরা

ইতিহাস গড়ল মেন ইন ব্লু।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০১৭, ১৬:০৬

options
link
ঘরের মাঠে ম্যাকাওকে উড়িয়ে এএফসি এশিয়া কাপের মূলপর্বে সুনীলরা

ভারত: ৪ (বর্জেস, সুনীল, ম্যান ফাই-আত্মঘাতী, জেজে) 

Advertisement

ম্যাকাও: ১ (নিকি)

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের মাটিতেই যেন জেগে উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘুমন্ত দৈত্য। সুনীল ছেত্রীরা এএফসি এশিয়া কাপের মূলপর্বে পৌঁছে যাওয়ার পর বলা ভাল, জেগে নয়, গর্জে উঠল সেই দৈত্য।

Advertisement

ভারতীয় ফুটবলে এখন সত্যিই স্বপ্নের সময় চলছে। একদিকে দেশের মাটিতে যুব বিশ্বকাপের আসর। সোমবারই কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় জুনিয়রদের পারফরম্যান্স প্রশংসা কুড়িয়েছে বিশেষজ্ঞদের। আর অন্যদিকে, ম্যাকাওকে মাটি ধরিয়ে ২০১৯ সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে এএফসি এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন করে ইতিহাস গড়লেন সিনিয়ররা। জুনিয়র বিশ্বকাপের মধ্যে আরও এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকল দেশবাসী।

[রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে মেক্সিকোকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ড]

সমান গতিতেই যেন দৌড়চ্ছে দাদা ও ভাইরা। ম্যাকাওয়ের বিরুদ্ধে সুনীল, লিংডোরা যে দাপট দেখালেন, তা যেন ঘানা ম্যাচের আগে নতুন করে অনুপ্রেরণা জোগালো অরমজিৎ, ধীরাজদের। মূলপর্বে যেতে এই ম্যাচ থেকে দরকার ছিল মাত্র এক পয়েন্ট। কিন্তু বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভায় পাঁচ সপ্তাহ আগের ম্যাচেরই পুণরাবৃত্তি ঘটল। বলবন্ত সিংয়ের জোড়া গোলে ম্যাকাওকে হারিয়েছিল স্টিফেন কনস্টানটাইনের দল। এবার ঘরের মাঠে তিন-তিনবার বল জালে জড়িয়ে (আর একটি আত্মঘাতী) চতুর্থবার মূলপর্বে পৌঁছে গেলেন সুনীলরা।

ম্যাচের আগে একটি বিষয় নিয়েই চিন্তায় ছিলেন কোচ কনস্টানটাইন। ম্যাকাওয়ের বিরুদ্ধে জয়ের আত্মবিশ্বাস যেন কিছুতেই আত্মতুষ্টিতে পরিণত না হয়। সেদিকে কড়া নজর ছিল ভারত কোচের। আর ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে জেজে-বলবন্তরা বোঝালেন তাঁদের জয়ের খিদেটা। জেজের বাড়ানো বড় থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রওলিন বর্জেস। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ান অধিনায়ক ছেত্রী। চলতি বছরই জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতে চলেছেন। তার আগে মাঠের এই ফল যে অতিরিক্ত সন্তুষ্টি দেবে তাঁকে, তা বলাইবাহুল্য। তবে এখনই আত্মতুষ্টিতে ভুগতে চান না তিনি। বলছেন, মূলপর্বে আমাদের জন্য অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করে আছে। তাই মাথা উঁচু করার সময় আসেনি।”  এদিকে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে গোল করে জেজে বুঝিয়ে দিলেন কেন তিনি দেশের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার।

যোগ্যতা অর্জন পর্বে চারটি ম্যাচই জিতে গ্রুপ শীর্ষে থেকেই মূলপর্বে ভারত। ২০১১ সালের পর ফের এএফসি এশিয়ান কাপে খেলবে ভারত। যা বিশ্বফুটবলের মানচিত্রে ভারতের জন্য দারুণ বিজ্ঞাপন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

[OMG! দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে শূন্য রানে আউট হয়েও রেকর্ড গড়লেন কোহলি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.