সিএবি-র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সৌরভের কাছে আবদার মমতার

জানেন, দাদার কাছে কী আবদার দিদির?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২২, ১২:৩৭

options
link
সিএবি-র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সৌরভের কাছে আবদার মমতার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলা তথা বিশ্ব ক্রিকেটকে এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিতে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন জগমোহন ডালমিয়া। ভারতে ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করে তোলার নেপথ্যে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। মঙ্গলবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে সিএবি-র বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী সভায় তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে উঠে এল প্রয়াত বিসিসিআই প্রেসিডেন্টের নাম। আর তারপরই দাদার কাছে একটি আবদার করেন দিদি। বেঙ্গল ক্রিকেট সংস্থার বর্তমান সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে ইডেনে ডালমিয়ার আবক্ষ মূর্তি বসানোর আরজি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “আজকের দিনে জগমোহন ডালমিয়ার কথা না বললেই নয়। সিএবি-র সামনে তাঁর আবক্ষ মূর্তি হওয়া উচিত।” পাশাপাশি বিশ্বকাপে মহিলা ক্রিকেটের অসামান্য সাফল্যের প্রশংসা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, “ঝুলন গোস্বামীরা মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। আমার বিশ্বাস ওরা ভবিষ্যতেও সাফল্য পাবে।”

Advertisement

[সারা ভারতে ঘুরবে যুব বিশ্বকাপের ট্রফি, জানেন কলকাতায় কবে আসবে?]

শচীন-ধোনি-কোহলিদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ঝুলনদের থেকে ক্রিকেটপ্রেমীরা হয়তো মুখ ফিরিয়ে ছিলেন, কিন্তু সিএবি নয়। ক্রিকেট কেরিয়ারের প্রতিটি মোড়ে বেঙ্গল ক্রিকেট সংস্থাকে সবসময় পাশে পেয়েছেন তিনি। সিএবি-র বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন ঝুলন গোস্বামী। ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপে দুরন্ত পারফর্ম করেছিল উইমেন ইন ব্লু। ফাইনালে ব্রিটিশ ব্যাটিং অর্ডারকে একাই বেসামাল করে দিয়েছিলেন ঝুলন। এদিন সিএবি-র তরফে রুপোর স্মারক ও ১০ লাখ টাকা তুলে দেওয়া হয় তাঁর হাতে। বাংলার পেসার বলেন, “গত ১০ বছর ধরে একজন ক্রিকেটার হিসেবে যা যা পরিকাঠামো চেয়েছি, সিএবি-র থেকে সব পেয়েছি।”

Advertisement

[জানেন, ঋদ্ধিমান সাহার রোল মডেল কে?]

গোটা মরশুমে ধারাবাহিকভাবে ভাল পারফর্ম করায় এ বছর বর্ষসেরার পুরস্কার পেলেন ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি। দু’টি সেঞ্চুরি ও দু’টি অর্ধশতরান মিলিয়ে ১৪টি ইনিংসে ৬৪৩ রান ছিল তাঁর ঝুলিতে। গড় ৪৯.৪৬। এদিকে, বর্ষসেরা বোলার অশোক দিন্দা। অনূর্ধ্ব-২৩ বিভাগে সেরা ক্রিকেটারের সম্মান পাচ্ছেন অভিষেক রমণ। জীবনকৃতি পুরস্কার তুলে দেওয়া হল বাংলা ক্রিকেটের উজ্জ্বল নক্ষত্র পলাশ নন্দীর হাতে। এমন সম্মান পেয়ে আপ্লুত প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেন, ” আমার ক্রিকেটার হয়ে ওঠার কৃতিত্ব দুজনের। আমার মা ও কোচ কল্যাণ বিশ্বাসের।” বাংলার ক্রিকেট যে শক্ত হাতেই রয়েছে সে কথাও জানান তিনি। “সৌরভ বাংলার ক্রিকেটের উন্নতির জন্য অনেক উদ্যোগ নিচ্ছে। লক্ষ্মণ মুরলীধরণের মতো কোচ এনেছে। জুনিয়র ক্রিকেটারদের দিকে ভাল নজর রাখছে সিএবি। আর দেশকে গর্বিত করার জন্য ঝুলনকেও অসংখ্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। বেঙ্গল ক্রিকেট আগামী বছর আরও ভাল খেলুক, এই কামনা করি। বলেন পলাশ নন্দী। এদিন মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, খেলার দুনিয়ার কৃতীদের পুরস্কৃত করবে রাজ্য সরকারও।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.