Mohun Bagan

গোল নষ্টের প্রদর্শনীতে এবারের আইএসএলে প্রথম হার, মুম্বইয়ের কাছে শীর্ষস্থান খোয়াল মোহনবাগান

ফুটবলে তো গোলই শেষ কথা। সব করেও সেটাই করতে পারল না সবুজ-মেরুন বাহিনী। 'ভালো খেলিয়াও পরাজিত' মোহনবাগানের জন্য চিন্তিত হতে হবে লোবেরাকে। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ২১:৪২

options
link
গোল নষ্টের প্রদর্শনীতে এবারের আইএসএলে প্রথম হার, মুম্বইয়ের কাছে শীর্ষস্থান খোয়াল মোহনবাগান
মুম্বই সিটির বিরুদ্ধে পরাজিত মোহনবাগান। নিজস্ব চিত্র

মোহনবাগান: ০
মুম্বই সিটি: ১ (নৌফাল)
এবারের আইএসএলে প্রথম হার। ঘরের মাঠে মুম্বই সিটি এফসি’র কাছে ১-০ গোলে হেরে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে নেমে এল মোহনবাগান। আগের ম্যাচে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ড্রয়ের পর এই ম্যাচে ধরাশায়ী সবুজ-মেরুন বাহিনী। জনি কাউকোর পাস থেকে গোল করলেন নৌফাল। এক ম্যাচে হার মানে লিগের ছবিটা খুব একটা বদলাচ্ছে না। আপাতত দ্বিতীয় স্থানে লোবেরার দল, শীর্ষে মুম্বই। কিন্তু মুশকিল হল, মুম্বই ম্যাচেও সেই একইভাবে গোল করার দুর্দশা প্রকট হয়ে উঠল। কামিংস-দিমিত্রি জুটি কি আদৌ চলবে? ৭৫ শতাংশ বল পজিশন। অথচ একের পর এক গোলের সুযোগ তৈরি করেও হতাশ ফুটবলের ছবি ভেসে উঠল যুবভারতী জুড়ে। ছোট লিগে সেটা কিন্তু বিরাট অশনি সংকেত মোহনবাগান ভক্তদের জন্য।

Advertisement

মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে লোবেরা যে প্রথম একাদশ সাজালেন, তাতেই বিপদের আভাস লুকিয়ে ছিল। আক্রমণে একসঙ্গে দিমিত্রি পেত্রাতোস ও জেসন কামিংস। দুই স্লথ গতির ফুটবলারের জন্য আক্রমণে সেই ধারটাই চোখে পড়ল না। রাইট উইংয়ে থাকা কামিংস গোলের কাছেই পৌঁছতে পারছিলেন না। পুরোপুরি ‘নিখোঁজ’ ছিলেন জেমি ম্যাকলারেন। মাঝমাঠে খেলা তৈরির লোক ছিল না। দীর্ঘকায় জনি কাউকোর সামনে বারবার চাপে পড়ে যাচ্ছিলেন আপুইয়া, অনিরুদ্ধ থাপারা। বারবার চোখে পড়ছিল রবসনের অভাব। সেখানে শুধুমাত্র গতি দিয়েই সবুজ-মেরুন রক্ষণকে ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছিলেন ছাংতে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২২ মিনিটে সেরকমই বিপদ বাঁধিয়ে দিয়েছিলেন মুম্বইয়ের উইঙ্গার। ছাংতের শট বিশাল কাইথ কোনও রকমে বাঁচানোর পর ফিরতি গোলও প্রায় গোললাইন সেভ করেন মেহতাব সিং। বস্তুত প্রথম অর্ধেই অন্তত তিনবার মোহনবাগানের পতন রক্ষা করেন বিশাল। কিন্তু কতক্ষণ? ২৬ মিনিটে ছাংতে, পেরেরা দিয়াজ হয়ে কাউকোর অ্যাসিস্টে গোল করে যান নৌফাল। মোহনবাগানের চেষ্টার কমতি ছিল না। কিন্তু সবই যেন গোলের সামনে এসে পথ হারাল। কখনও বা কামিংসের হেড বা দিমির ফ্রি-কিক মুম্বইয়ের গোলকিপার ফুর্বা লাচেনপা বাঁচিয়ে দিলেন।

Advertisement

দ্বিতীয়ার্ধে বাধ্য হয়েই রবসন ও দীপক টাংরিকে নামায় মোহনবাগান। তারপর কার্যত একতরফা ম্যাচ। বল মুম্বই সিটির অর্ধ পেরিয়েছে কি না সন্দেহ। সবই করল, শুধু গোলের দেখা মিলল না। ৬৩ মিনিটে দিমিত্রির গোল অফসাইডের জন্য বাতিল হয়। বাকি সব বল হারিয়ে গেল মুম্বই রক্ষণের পায়ের জঙ্গলে। শুধু বাঁদিক থেকে রবসনের আক্রমণ দেখে ভালপুইয়া ও বিক্রম প্রতাপ সিং, দু’জনকে এগিয়ে দিলেন মুম্বই কোচ পিটার ক্রাটকি। অদম্য মানসিকতায় মোহনবাগানের সমস্ত রক্ষণকে আটকে দিল মুম্বই রক্ষণ। রবসনের ক্রসগুলো কাজে লাগানোর মত ‘মাথা’ ছিল মোহনবাগানের আক্রমণে। গোল হতে হতেও একাধিকবার বেঁচে গেল মুম্বই। ফুটবলে তো গোলই শেষ কথা। সব করেও সেটাই করতে পারল না সবুজ-মেরুন বাহিনী। ‘ভালো খেলিয়াও পরাজিত’ মোহনবাগানের জন্য চিন্তিত হতে হবে লোবেরাকে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.