আইএসএলের ব্রডকাস্ট পার্টনার পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্লাবগুলির আর্থিক বোঝা এক ধাপে অনেকটা নেমে গিয়েছে। সব ঠিকঠাক চললে লিগ শুরুর আগেই পরিস্থিতি এমনটা হতে পারে, ক্লাবগুলি হয়তো ফেডারেশনকে আইএসএলের পার্টিসিপেশন ফি হিসেবে শুধুমাত্র ১ কোটি টাকা দিয়েই এই মরশুমটা খেলতে পারে। ফলে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন থাকা ক্লাবগুলি অনেকটাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে।
আরও পড়ুন:
এই মরশুমের আইএসএলের ব্রডকাস্ট পার্টনার হিসেবে ‘ফ্যানকোড’ এর নাম প্রকাশিত হওয়ার পর এদিন, মঙ্গলবার আইএসএলের ক্লাবগুলি আলোচনায় বসে যান সম্প্রচারকারী সংস্থার সঙ্গে। এই মরশুমের আইএসএলের ম্যাচগুলির সম্প্রচার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় ফ্যানকোড এবং আইএসএলের ক্লাবদের মধ্যে। সেখানে ক্রীড়াসূচিতে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ম্যাচ কেন্দ্র হিসেবে শুধুমাত্র কলকাতার নাম লেখা রয়েছে। কিন্তু পরিষ্কার করে বলা নেই কোন স্টেডিয়ামে ইস্টবেঙ্গল খেলবে, যুবভারতী স্টেডিয়াম নাকি কিশোরভারতী স্টেডিয়াম। সংগঠকরা আশা করছেন, কয়েকদিনের মধ্যেই ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কলকাতা কেন্দ্রের স্টেডিয়ামের নাম জানা যাবে। তবে আর্থিক বিষয়ে ক্লাবগুলি যে এই মুহূর্তে অনেকটাই ভারমুক্ত হয়ে গিয়েছে, সে ব্যাপারে নিশ্চয়তা পাওয়া গিয়েছে।
আইএসএল করার জন্য ক্লাবদের প্রতিনিধিরা যখন শুরুতে ফেডারেশন কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে ছিলেন, সেই মুহূর্তে ক্লাবদের তরফে জানানো হয়েছিল, ম্যাচ সম্প্রচারের প্রোডাকশন বাবদ ১২ কোটি ক্লাবগুলি খরচ করবে। ক্লাবগুলির জন্য খরচের মোট বাজেট ধরা হয়েছিল প্রায় ৪০ কোটি টাকা। কিন্তু কলকাতার প্রোডাকশন সংস্থা কেপিএস স্টুডিও আইএসএলের ম্যাচ সম্প্রচারের জন্য টেন্ডারে যে বাজেট দিয়েছিল, ক্লাবদের প্রস্তাবিত প্রোডাকশন খরচের অনেকটা কম। মাত্র ৫ কোটি টাকার সামান্য বেশি। যার অর্থ, প্রোডাকশন খরচ বাবদ প্রায় ৫ কোটি টাকার মতো বাজেট থেকে বেঁচে যাচ্ছে ক্লাবগুলির।
ক্লাবগুলির জন্য খরচের মোট বাজেট ধরা হয়েছিল প্রায় ৪০ কোটি টাকা। কিন্তু কলকাতার প্রোডাকশন সংস্থা কেপিএস স্টুডিও আইএসএলের ম্যাচ সম্প্রচারের জন্য টেন্ডারে যে বাজেট দিয়েছিল, ক্লাবদের প্রস্তাবিত প্রোডাকশন খরচের অনেকটা কম। মাত্র ৫ কোটি টাকার সামান্য বেশি।
তার উপর সব ক্লাবগুলি এখন সমবেতভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে, লিগ শুরুর আগেই প্রায় ১৬ কোটি টাকার স্পনসরশিপ তুলতে। আর এটা সম্ভব হলে, শুধুমাত্র এন্ট্রি ফি ১ কোটি টাকা দিয়েই এই মরশুমে আইএসএল খেলতে পারবে ক্লাবরা। যে কারণে, ক্লাবগুলি বিশাল আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চলেছে। একেই ম্যাচ না খেলায় ক্লাবগুলির কাছে এই মুহূর্তে স্পনসরশিপ নেই বললেই চলে। বেশিরভাগ ক্লাবকেই পকেটের টাকা দিয়ে এই মরশুমে খেলতে হচ্ছে। যে কারণে, বেঙ্গালুরুর মতো ক্লাব পর্যন্ত খরচের ধাক্কা কমাতে ফুটবলারদের বেতন কমিয়ে দিয়েছে। এর উপর যদি ১৪টি ক্লাব মিলে ৪০ কোটি টাকা খরচ করতে হত, তাহলে মহামেডান, ওড়িশা, চেন্নাইয়িনের মতো দলগুলি সত্যিই সমস্যায় পড়ে যেত। কিন্তু ব্রডকাস্ট পার্টনার ঠিক হয়ে যাওয়ার পর ক্লাবগুলির সেই আর্থিক বোঝা এই মুহূর্তে অনেকটাই কমে গিয়েছে। তার উপর স্পনসরশিপের আর্থিক পরিমাণ যদি আরও একটু বাড়ানো সম্ভব হয়, তাহলে হয়তো পকেট থেকে কোনও টাকা না দিয়েই ফ্রিতে এই মরশুমে খেলা সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মন্দারমণির উত্তাল সমুদ্রে বড় অঘটন, স্নানে নেমে মৃত ১, খোঁজ নেই আরও এক পর্যটকের
-
বিমানবন্দরের ধাঁচে গড়ে উঠবে হাওড়া স্টেশন, থাকবে আধুনিক সুবিধা! পরিদর্শনে মন্ত্রী
-
আরাবুলের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা! কপাল জোরে প্রাণরক্ষা ভাঙড়ের ‘তাজা’ নেতার
-
ওড়িশা উপকূলে ডুবল পানামার পতাকাধারী জাহাজ! ২৪ নাবিকের খোঁজে তল্লাশি
-
রাজস্থানের ৬১১ সরকারি স্কুলের নিজস্ব ভবনই নেই! ‘আরশোলা’দের কর্মসূচির মাঝেই প্রকাশ্যে রিপোর্ট