মোহনবাগান: ২ (সোনি, আজহার)
ইস্টবেঙ্গল: ১ (বর্জেস)
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাঠে নামার আগে সোনি নর্ডি বলেছিলেন, “হয় মরব, নাহয় মারব, মাঝামাঝি কিছু নয়।” অর্থাৎ মরশুমের প্রথম ডার্বির মতো এক পয়েন্ট নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে রাজি ছিলেন না বাগান স্ট্রাইকার। আই লিগের এই পর্যায়ে প্রতিটি পয়েন্টের গুরুত্ব ঠিক কতটা, তা খুব ভালভাবেই জানেন তিনি। তাই ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে অল-আউট যাওয়াই লক্ষ্য ছিল। দিনের শেষে নিজের কথা রাখলেন হাইতিয়ান স্ট্রাইকার। ডার্বি জয় করে চওড়া হাসি হেসে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়াম ছাড়লেন নর্ডি।
আই লিগের দ্বিতীয় ডার্বি। এ মরশুমে দুটি ডার্বির উত্তাপই চেটেপুটে উপভোগ করলেন শিলিগুড়ির ফুটবলপ্রেমীরা। রবিবার আয়োজক দল বাগান হলেও শিলিগুড়ি পরিচিত ইস্টবেঙ্গলের ঘরের মাঠ হিসেবেই। কিন্তু এবারের বড় ম্যাচে ধারে ও ভারে সবুজ-মেরুনকেই এগিয়ে রেখেছিল ফুটবলমহল। বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ যে ভুল ছিল না, তা মাঠেই প্রমাণিত। বাগানের শক্তিশালী ফরোয়ার্ড লাইনের সামনে বেশ ফিকে লাগল ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সকে। সোনি, ডাফি, বলবন্তদের মুহুর্মুহু আক্রমণে কোণঠাসা হয়ে পড়ল বিপক্ষ। ইস্টবেঙ্গলের দুর্বল উইংয়ের জন্য বলই এগোলো না। মাঝেমাঝেই খেলায় খেই হারিয়ে ফেলছিলেন মেহতাবরা। আর ফ্রি-কিক থেকে সোনি দলকে এগিয়ে দিতেই একরাশ চাপের বোঝা ঘাড়ে চেপে বসল রবার্টদের। সেই চাপ বাড়িয়ে দিলেন দলের জুনিয়র ফুটবলার আজহারউদ্দিন মল্লিক। ডাফির থেকে বল রিসিভ করে রেহনাসের ভুলের সুযোগ নিয়ে দুরন্ত গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দিলেন তিনি। দুটো গোল হলেও প্রথমার্ধে একাধিক গোলের সুযোগ নষ্টও হল। বলবন্ত ও সোনির গোল হাতছাড়া না হলে আরও বড় ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল।
[গাড়ি থামিয়ে যুবকদের হেলমেট পরার আর্জি শচীনের, VIRAL ভিডিও]
কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গলের জন্য যে আরও খারাপ কিছু অপেক্ষা করেছিল, তা হয়তো ভাবতেই পারেননি সমর্থকরা। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেন লাল-হলুদ স্ট্রাইকার প্লাজা। তারপর একাধিকবার বচসায় জড়ালেন দুই দলের ফুটবলাররা। যার ফলে বেশ খানিকটা সময় নষ্ট হল। কোথায় ইস্টবেঙ্গল ক্ষুধার্থ সিংহের মতো হুঙ্কার দেবে, কিন্তু তেমন কিছুই হল না। খেলার গতি বলে তো কিছুই রইলই না, দুই দলই যেন ম্যাচ শেষ হওয়ার জন্য সময় গুণতে লাগল। এক কথায় দ্বিতীয়ার্ধ দেখে ডার্বির লড়াই চলছে বোঝার কোনও উপায় ছিল না। পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনার মতো ইনজুরি টাইমে একটি গোল শোধ করলেন রওলিন বর্জেস। ইস্টবেঙ্গলের ড্রেসিং রুমে অন্দরের মনকষাকষির প্রভাব এদিন মাঠেও পড়ল। অর্ণব, লালরিন্ডিকাকে বসিয়ে দলে একগুচ্ছ পরিবর্তন এসে আখেরে লাভের লাভ কিছু হল না মর্গ্যানের। জুটল সেই সমালোচনাই।
[জানেন, কিং খানের কাছে কী আবদার করলেন নাইট সদস্য ক্রিস লিন?]
এদিন ছিল সঞ্জয় সেনের ৫০তম ম্যাচ। সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষ আবার লাল-হলুদ ব্রিগেড। তাই জয়ের তাগিদটা ছিল অত্যন্ত বেশি। তাঁকে হতাশ করেননি ফুটবলাররা। উল্টোদিকে বাগানের কাছে পরাস্ত হয়ে আই লিগ জয়ের স্বপ্ন একপ্রকার শেষ হয়ে গেল ইস্টবেঙ্গলের। দিনের শেষে ১৪ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার দুনম্বরে উঠে এল টিম মোহনবাগান।
সর্বশেষ খবর
-
বাঘে ভরা জঙ্গলের মাঝে শিবমন্দির! দুর্গম পথ পেরিয়ে এই জ্যোতির্লিঙ্গ দর্শন করেন পূণ্য়ার্থীরা
-
বলে বলে হয়রান, গাঁটের কড়ি খরচ করেই ৩.৫ কিমি রাস্তা সারাই কর্নাটকের ‘বিরক্ত’ কৃষকদের
-
ঠাকুরঘরে টিকটিকির আনাগোনা কি মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ? কী বলছে বাস্তুশাস্ত্র
-
‘পড়ুয়াদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন’, নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে উলটে রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
এক দশকের তিক্ততা ভুলে ‘রিইউনিয়ন’! ভরা মঞ্চে একতাকে জাপটে চুমু রামের