পিছিয়ে পড়েও শিবাজিয়ান্সদের উড়িয়ে দিল বাগান

ই ম্যাচ জিতে ২১ পয়েন্ট পেয়ে লিগের শীর্ষে থাকা ইস্টবেঙ্গলকে ধরে ফেলল বাগান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৭, ১৩:৪৭

options
link
পিছিয়ে পড়েও শিবাজিয়ান্সদের উড়িয়ে দিল বাগান

মোহনবাগান- ৩ (বলবন্ত ২, কাটসুমি (পেনাল্টি))

Advertisement

ডিএসকে শিবাজিয়ান্স-১ (মিলন সিং)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে কাটল বাগানের গোলখরা। শনিবার ঘরের মাঠ রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে ডিএসকে শিবাজিয়ান্সকে ৩-১ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। কিন্তু এই বাগানের ফরোয়ার্ডরা একাধিক গোলের সুয়োগ নষ্ট না করলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। অন্তত ৫-১ গোলে এই ম্যাচ জেতার কথা ছিল গঙ্গাপারের ক্লাবের। ম্যাচ জিতে কিছুটা স্বস্তি পেলেও চিন্তা কিন্তু রয়েই গেল কোচ সঞ্জয় সেনের। এত সুযোগ নষ্টের খেসারত পরে দিতে হতে পারে মোহনবাগানকে। এদিন মোহনবাগানের হয়ে দুটি গোল করেন বলবন্ত সিং। পেনাল্টি থেকে ম্যাচের শেষ লগ্নে ব্যবধান বাড়ান কাটসুমি।

Advertisement

এদিন প্রথমার্ধ থেকেই গোলের সুযোগ নষ্ট করতে শুরু করে বাগান। তার ফায়দা তোলে ডিএসকে। ৩৩ মিনিটের মাথায় দুর্দান্ত গোল করে শিবাজিয়ান্সকে এগিয়ে দেন মিলন সিং। ডার্বি গোলশূন্য হয়েছিল। তার পরে মুম্বই এফসির সঙ্গেও গোলশূন্য ড্র হয়েছিল। দুই ম্যাচে কোনও গোল নেই। স্বভাবতই ফরোয়ার্ডদের হতাশা ফুটে উঠছিল তাঁদের খেলায়। বিশেষ করে বলবন্তের। নাহলে নিচে নেমে ভুলভাল ট্যাকল করবেন কেন? ৩৬ মিনিটের মাথায় শেহনাজ সিংয়ের জায়গায় প্রবীর দাসকে নামানোয় বাগানের আক্রমণে ঝাঁজ বাড়ে। কিন্তু গোল আসছিল না। আগের দুই ম্যাচ মিলিয়ে প্রায় ২২২ মিনিট পর গোলমুখ খুলতে সক্ষম হয় বাগান। ৪২ মিনিটে প্রীতম কোটালের ক্রস ভুলবশত ক্লিয়ার করতে গিয়ে চিপ করে ফেলেন শিবাজিয়ান্সের গোলকিপার সুব্রত পাল। ফিরতি বলে হেড দিয়ে গোল করে খরা কাটান বলবন্ত সিং। তার দু মিনিট পর ফের প্রীতমের লব করা শটে সাইড কিক মেরে জালে বল জড়িয়ে দেন বলবন্ত। বিরতিতে ২-১ স্কোরে মাঠ ছাড়ে দুই দল।

প্রথমার্ধে যদি বাগানের নায়ক হন বলবন্ত, তাহলে দ্বিতীয়ার্ধে তিনি ভিলেন বলা যায়। দুটি যা গোল মিস করলেন তা পাড়া ফুটবলেও কেউ করবে না। একসময় গোল নষ্টের জন্য মাটিতে পড়ে হতাশা প্রকাশ করেন বলবন্ত। তবে বাগানের আক্রমণ চলতেই থাকে শিবাজিয়ান্সদের ডিফেন্সে। ৮৪ মিনিটে বলবন্তকে উঠিয়ে জেজেকে নামান সঞ্জয় সেন। আর সেই জেজেকে বক্সের মধ্যে ফাউল করতেই পেনাল্টি পায় বাগান। বক্সের মধ্যে জেজেকে ফাউল করেন গৌরমাঙ্গি সিং। পেনাল্টি থেকে ৮৯ মিনিটে গোল করেন কাটসুমি। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হন বলবন্ত। এই ম্যাচ জিতে ২১ পয়েন্ট পেয়ে লিগের শীর্ষে থাকা ইস্টবেঙ্গলকে ধরে ফেলল বাগান। তবে এদিন সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট না করে বেশি ব্যবধানে ম্যাচ জিতলে গোলপার্থক্যে ইস্টবেঙ্গলকে টপকে যেতে পারত মোহনবাগান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন