ঐহিকা

প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসাবে কমনওয়েলথ টেবিল টেনিসের সিঙ্গলসে সোনা বাংলার ঐহিকার

কমনওয়েলথ টিটির সবক’টি সোনাই জিতল ভারত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০১৯, ১০:৪৭

options
link
প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসাবে কমনওয়েলথ টেবিল টেনিসের সিঙ্গলসে সোনা বাংলার ঐহিকার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কমনওয়েলথ টেবিল টেনিসে ইতিহাস গড়লেন বাংলার মেয়ে ঐহিকা মুখোপাধ্যায়। কটকে আয়োজিত কমনওয়েলথ টেবিল টেনিসে প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে ব্যক্তিগত ইভেন্টে সোনা জিতলেন তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফাইনালে জাপানি বোমায় স্বপ্নভঙ্গ, ইন্দোনেশিয়া ওপেনে হার সিন্ধুর]

দলগত বিভাগে জোড়া সোনা দিয়ে শুরু হয়েছিল। এবার কমনওয়েলথ টেবিল টেনিসের ব্যক্তিগত বিভাগের সোনাগুলিও জিতে নিল ভারত। ঘরের মাঠের সুবিধা একটা ফ্যাক্টর। কিন্তু, তাই বলে প্রতিটা বিভাগে এতটা প্রাধান্য থাকবে এটা সম্ভবত আশা করেননি জাতীয় টিটির কর্তারাও। সোমবার যে চারটি বিভাগের ফাইনাল হল (ছেলে ও মেয়েদের সিঙ্গলস এবং ডাবলস), তার সবক’টিতেই প্রতিদ্বন্দিতা হল ভারতীয়দের মধ্যেই। অর্থাৎ যেন আন্তর্জাতিক নয়, কোনও জাতীয় টুর্নামেন্ট হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সব মিলিয়ে কমনওয়েলথ টিটির সবক’টি সোনাই জিতল ভারত। সব মিলিয়ে সাতটা। দলগত এবং মিক্সড ডাবলসের সোনা আগেই জেতা হয়েছিল। সোমবার আকর্ষণের কেন্দ্র ছিল দুই সিঙ্গলস। দু’টিতেই সোনা যে ভারতেই আসছে, সেটা ফাইনাল শুরুর আগেই স্পষ্ট হয়ে যায়। মেয়েদের বিভাগে নজর বেশি ছিল। আসলে দলগত বিভাগের ফাইনালে সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে জ্বর নিয়েও খেলেছিলেন ভারতের এক নম্বর তারকা মনিকা বাত্রা। সোনা জয়ের পর সিদ্ধান্ত নেন সিঙ্গলসে খেলবেন না। তাঁর অভাবে ভারতীয় মেয়েরা কেমন খেলেন, সেটাই দেখার আগ্রহ ছিল। সেখানে দেখা গেল, মনিকার অভাব বোঝা গেল না। ফাইনালে বাংলার মেয়ে ঐহিকা মুখোপাধ্যায় হারালেন ভারতেরই মধুরিকা পাটকরকে ৪-০ তে। সেমিফাইনালে ঐহিকা হারিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের হো টিন টিনকে। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ঐহিকার এটিই প্রথম সোনা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সোনালি দৌড় অব্যাহত হিমার, ১৫ দিনের মধ্যে চতুর্থ সোনা জিতলেন অ্যাথলিট]

ছেলেদের সিঙ্গলসে ফেভারিট ছিলেন জি সাথিয়া। কিন্তু, সবাইকে চমকে দিয়ে সোনা জিতলেন হরমীত দেশাই। দলগত বিভাগেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন এই হরমীত। সেই একইরকম পারফরম্যান্স এবার দেখে গেল সিঙ্গলসেও। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হরমীতকে সামলাতে ব্যর্থ সাথিয়া। সাথিয়ার ক্ষেত্রে ‘হার্টব্রেক’ বলতে হবে। কারণ সিঙ্গলসের পাশাপাশি তিনি ছেলেদের ডাবলেসর ফাইনালেও খেললেন। শরথ কমলের সঙ্গে তাঁর জুটিই খেতাব জয়ের ফেভারিট ছিল। কিন্তু, ফাইনালে অ্যান্থনি অমলরাজ এবং মানব ঠকর জুটির আক্রমণের সামনে প্রায় উড়ে যান। ফল ১-৩।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.