Commonwealth Games 2026

কমনওয়েলথ গেমসে ইভেন্ট কমায় কমল কেন্দ্রের বরাদ্দও! নীরজরা নামার আগে প্রকাশ্যে তথ্য

এবারের আসর ভারতের কাছে কেবল পদক জয়ের লড়াই নয়, আরও বড় লক্ষ্য ২০৩০ সালের আহমেদাবাদ কমনওয়েলথ গেমসের প্রস্তুতিও। চার বছর পর এই প্রতিযোগিতার আয়োজক ভারত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২২, ২০২৬, ২১:০৬

options
link
কমনওয়েলথ গেমসে ইভেন্ট কমায় কমল কেন্দ্রের বরাদ্দও! নীরজরা নামার আগে প্রকাশ্যে তথ্য
গ্লাসগোয় শুরু হচ্ছে কমনওয়েলথ গেমস।

গ্লাসগোয় শুরু হচ্ছে কমনওয়েলথ গেমস। ২৩ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা এবারের আসর ভারতের কাছে কেবল পদক জয়ের লড়াই নয়, আরও বড় লক্ষ্য ২০৩০ সালের আহমেদাবাদ কমনওয়েলথ গেমসের প্রস্তুতিও। চার বছর পর এই প্রতিযোগিতার আয়োজক ভারত। তবে এবারের আসর শুরুর আগে জানা গেল, ভারতীয় অ্যাথলিটদের প্রস্তুতির জন্য কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক ৫৩ কোটিরও বেশি টাকা খরচ করেছে। যদিও নীরজ চোপড়ারা নামার আগে অনেকের প্রশ্ন, কমনওয়েলথ গেমসে ইভেন্ট কমায় কি কমল কেন্দ্রের বরাদ্দও? 

Advertisement

সূত্রের খবর, সবচেয়ে বেশি টাকা দেওয়া হয়েছে অ্যাথলেটিক্স ও বক্সিংয়ের জন্য। সরকারের আশা, ভারতীয় খেলোয়াড়রা আশানুরূপ ফল করবেন। তবে এবার গেমসে ইভেন্টের সংখ্যা কম থাকায় ভারতের মোট পদকের সংখ্যা আগের তুলনায় কম হতে পারে। এবারের গেমস হচ্ছে অনেকটাই ছোট পরিসরে। বার্মিংহামে যেখানে ১৯টি খেলা ছিল। সেখানে গ্লাসগোয় থাকছে মাত্র ১০টি। শুটিং, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস, ক্রিকেট ও হকির মতো খেলা না থাকায় পদক সংখ্যা কমার আশঙ্কা রয়েছে। যদিও সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে ভারতীয় শিবির। ভারতের শেফ দ্য মিশন রোহিত রাজপালের দাবি, “ইভেন্ট কমলেও এবার আমাদের দলে তারকার সংখ্যা অনেক বেশি। তাই পদকের সংখ্যাও কমবে না।”

Advertisement

বার্মিংহামে ২২টি সোনা-সহ মোট ৬১টি পদক জিতে চতুর্থ হয়েছিল ভারত। এবার ১২৬ সদস্যের দল নিয়ে গ্লাসগোয় নামছে তারা। দলে রয়েছেন অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন নীরজ চোপড়া, রুপোজয়ী মীরাবাই চানু, ব্রোঞ্জজয়ী লভলিনা বরগোঁহাই, মুরলী শ্রীশঙ্কর, অনিমেষ কুজুর, গুরবিন্দর সিং, তেজস্বীন শঙ্কর, তেজিন্দর পাল সিং তুর, পারুল চৌধুরির মতো একঝাঁক তারকা। বাংলার জিমন্যাস্ট প্রণতি নায়েক ও প্রতিষ্ঠা সামন্তও পদকের দৌড়ে রয়েছেন। বিশেষ ভরসা অ্যাথলেটিক্স। রোহিত রাজপালের কথায়, “আমাদের ৩২ জনের অ্যাথলেটিক্স দল থেকে আগের চেয়ে অনেক বেশি পদক আসবে বলে আমরা আশাবাদী।”

Advertisement

প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখেনি কেন্দ্রীয় সরকার। ক্রীড়াবিদদের অনুশীলনের জন্য বরাদ্দ হয়েছে মোট ৫৩ কোটি টাকা। তার মধ্যে অ্যাথলেটিক্সেই খরচ হয়েছে প্রায় ২০ কোটি। আমেরিকার কলোরাডো, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও তুরস্কের আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দীর্ঘদিন অনুশীলন করেছেন ভারতীয় অ্যাথলিটরা। বক্সিংয়ের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১০ কোটি টাকা। ভারতীয় বক্সিং ফেডারেশনের আশা, অন্তত ১০টি পদক আসবে রিং থেকে। জুডোতেও একাধিক পদকের স্বপ্ন দেখছেন কর্তারা।

কমনওয়েলথভুক্ত ৭৪টি দেশের অ্যাথলিট এবারের গেমসে অংশ নিচ্ছেন। আর গ্লাসগোর অভিজ্ঞতাকে পাথেয় করেই ২০৩০ সালে আহমেদাবাদে আরও বড় মাপের গেমস আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়েছে ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। প্রস্তাবিত সূচিতে রাখা হয়েছে অন্তত ২২টি খেলা। শুটিংও ফিরছে সেই তালিকায়। তাই ভারতের কাছে গ্লাসগোর লড়াই শুধু পদকের নয়, ভবিষ্যতেরও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.