সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০৩৬ সালে অলিম্পিক আয়োজনে মরিয়া ভারত। এদেশে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ আয়োজনের জন্য ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটিকে (IOC) আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থা। আর তারপর থেকেই জোরকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি। কিন্তু এই মেগা টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে গাঁটের কড়ি কম খসবে না ভারতীয় দলের। সূত্রের দাবি, গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ আয়োজন করার জন্য ভারতের খরচ হতে পারে ৬৪ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত।
চলতি সপ্তাহেই গান্ধীনগরে অলিম্পিকের রিভিউ মিটিং হয়েছে। সেই রিভিউ মিটিংয়ে উঠে এসেছে, অলিম্পিক আয়োজনে ভারতের খরচের অঙ্কটা ৩৪ হাজার ৭০০ কোটি থেকে ৬৪ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, গত বছর প্যারিস অলিম্পিকে খরচ হয়েছিল ৩২ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা। কিন্তু ভারত ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজন করতে চাইলে তার দ্বিগুণেরও বেশি খরচ হতে পারে।
উল্লেখ্য, অলিম্পিকের ইতিহাসে প্রথমবার এই মেগা ইভেন্ট পেতে বিড করেছে ভারত। সব ঠিকঠাক থাকলে, ১১ বছর পর এদেশের মাটিতেই বসবে অলিম্পিকের আসর। এর আগে ২০১০ সালে শেষবার কমনওয়েলথ গেমসের মতো বড় টুর্নামেন্টের আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল ভারত। শোনা যাচ্ছে, তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে আহমেদাবাদ। এখানেই হতে পারে গেমস ভিলেজ। শুধু তাই নয়, বেশিরভাগ ইন্ডোর ইভেন্টও এ শহরের স্টেডিয়ামেই আয়োজিত হতে পারে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো উন্নততর করার দিকে জোর দিচ্ছে অন্যান্য শহরও। ওড়িশায় যেমন হতে পারে হকি ইভেন্ট। রোয়িংয়ের আসর বসতে পারে ভোপালে। আবার পুণে পেতে পারে ক্যানোয়িং এবং কায়াকি আয়োজনের দায়িত্ব।
ক্রিকেট, কুস্তি এবং ব্যাডমিন্টনের ভেন্যু নিয়েও আলোচনা চালাচ্ছে ক্রীড়ামন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ক্রিকেট হওয়ার সম্ভাবনা দিল্লি, মুম্বই এবং আহমেদাবাদের স্টেডিয়ামে। তবে এখনও পর্যন্ত যা ছবি, তাতে কলকাতা যে অলিম্পিকের স্বাদ থেকে বঞ্চিতই হতে চলেছে, তেমন ইঙ্গিতই পাওয়া যাচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
রাজস্থানের ৬১১ সরকারি স্কুলের নিজস্ব ভবনই নেই! ‘আরশোলা’দের কর্মসূচির মাঝেই প্রকাশ্যে রিপোর্ট
-
তারাপীঠের পর এবার রামপুরহাটের হোটেলে আগুন, আতঙ্কে হুড়োহুড়ি, ঘটনাস্থলে দমকল
-
মাত্র তিনদিনেই শেষ কাজ! এসআইআরের মতোই জনগণনাতেও নজির সাঁইথিয়ার শিক্ষকের
-
রাতের আকাশে বেগুনির খেলা! স্পেস স্টেশন থেকে নবরূপ দেখালেন নভোশ্চর
-
হকি বিশ্বকাপে ডাচেদের বিরুদ্ধে হার, শেষ চারে ওঠার স্বপ্ন প্রায় শেষ ভারতের