Jayanta Pushilal

ভারতীয় টেবিল টেনিসে ইন্দ্রপতন, প্রয়াত টিটি-র ‘দ্রোণাচার্য’ জয়ন্ত

কোচ জয়ন্ত পুশিলালের সঙ্গে সমার্থক হয়ে উঠেছিল এশিয়ান গেমসে পদকজয়ী মৌমা দাসের নাম।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৪, ০৮:৩৩

options
link
ভারতীয় টেবিল টেনিসে ইন্দ্রপতন, প্রয়াত টিটি-র ‘দ্রোণাচার্য’ জয়ন্ত

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলা তথা ভারতীয় টেবল টেনিসে ‘ইন্দ্রপতন’। প্রয়াত হলেন কোচ জয়ন্ত পুশিলাল। মঙ্গলবার রাতে নারকেলডাঙ্গার বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিল অনান্য শারীরিক সমস্যাও। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া বঙ্গ টেবল টেনিসে।

Advertisement

নারকেলডাঙ্গার টেবল টেনিস ক্লাবে জয়ন্ত পুশিলালের কোচিংয়ে উঠে এসেছেন একঝাঁক তারকা। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য এশিয়ান গেমসে পদকজয়ী মৌমা দাস, প্রাক্তন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন অরূপ বসাক, প্রাপ্তি সেন, অনিন্দিতা চক্রবর্তীরা। বর্তমানে জাতীয় পুরুষ টিটি দলের কোচ সৌরভ চক্রবর্তীও কিছুদিন খেলেছেন জয়ন্তর কোচিংয়ে। বঙ্গ টিটি-তে তিনি পরিচিত ছিলেন ‘বোটনদা’ নামেই। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে ‘দ্রোণাচার্য’ সম্মান পেয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি তাঁকে সম্মানিত করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাজ্যে প্যাডলার তৈরির করার সঙ্গে কোচিং করিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাতেও।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্যারালিম্পিকে সর্বকালের সেরা পারফরম্যান্স, পদকজয়ীদের বিরাট আর্থিক পুরস্কার কেন্দ্রের

তবে দীর্ঘদিন ধরেই কিডনির সমস্যা ভোগাচ্ছিল জয়ন্ত পুশিলালকে। মাঝে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। সম্প্রতি ফের শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। মাসখানেক আগে মায়ের মৃত্যু মানসিকভাবে আরও চাপে ফেলেছিল তাঁকে। এই কিংবদন্তি কোচের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে রাজ্য টিটি সংস্থার সচিব শর্মি সেনগুপ্ত বলেন, “বাংলা তথা ভারতীয় টেবল টেনিসে বোটনদার অবদান ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। আমরা একজন অভিভাবক হারালাম।” শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় কোচ সৌরভ চক্রবর্তীও।

Advertisement

তবে কোচ জয়ন্ত পুশিলালের সঙ্গে সমার্থক হয়ে উঠেছিল প্যাডলার মৌমা দাসের নাম। প্রিয় ‘স্যরের’ প্রয়াণে ভেঙে পড়েছেন তিনি। বলছিলেন, “আমাকে প্যাডল ধরা শিখিয়েছিলেন জয়ন্ত স্যর। ৯ বছর বয়সে ওঁর হাত ধরেই আমার টেবল টেনিসে হাতেখড়ি। সেই হিসাবে আমার সঙ্গে স্যরের সম্পর্ক তিন দশকেরও বেশি। আমার কাছে স্যর বাবার মতোই ছিলেন। স্যর সঙ্গে থাকলে প্রায় সব ম্যাচই আমি জিতেছি। ওঁর চলে যাওয়া আমার কাছে বড় ধাক্কা।” টেবল টেনিসের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলে শহরে ফিরেই জয়ন্ত পুশিলালের সঙ্গে দেখা করেন মৌমা। সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলছিলেন, “চেন্নাই থেকে ফিরেই স্যরকে দেখতে গিয়েছিলাম। অসুস্থতার জন্য এখন অনেককেই চিনতে পারতেন না। তবে আমাকে চিনেছিলেন। কিছুক্ষণ কথা বলি। আমাকে নতুন যুগের সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছু পরামর্শ দিলেন। সেসব কথা এখন খুব মনে পড়ছে।” বুধবার সকালে জয়ন্ত পুশিলালের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। 

[আরও পড়ুন: ভীতুদের দল একদম পছন্দ নয়! সিরিয়ার কাছে হারতেই লিস্টনদের তোপ মানোলোর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.