ওলিম্পিকে একটা রূপো নিয়ে হইচই কেন, প্রশ্ন পরিচালকদের

একটি রূপোর পদক প্রাপ্তি নিয়ে এত হইচই কেন, সে প্রশ্ন তুললেন দুই পরিচালক৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৮:১৭

options
link
ওলিম্পিকে একটা রূপো নিয়ে হইচই কেন, প্রশ্ন পরিচালকদের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একা শোভা দে-তে রক্ষা নেই, দোসর রামগোপাল ও সানাল শশীধরণ৷ রিওতে অ্যাথলিটদের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন লেখিকা শোভা দে৷ এবার একটি রূপোর পদক প্রাপ্তি নিয়ে এত হইচই কেন, সে প্রশ্ন তুললেন দুই পরিচালক৷ একজন বলিপাড়ার রামগোপাল ভার্মা৷ অন্যজন মালয়ালম ছবির পরিচালক সানাল কুমার শশীধরণ৷

Advertisement

রিওতে যখন একের পর এক অ্যাথলিট ব্যর্থ হচ্ছেন তখন শোভা দে শ্লেষ করে বলেছিলেন, অ্যাথলিটদের কাজ হল শুধু যাওয়া আর সেলফি তোলা৷ তাঁর এই মন্তব্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে৷ এরপরই দীপার নজরকাড়া পারফরম্যান্সে পরিস্থিতি বদলে যায়৷ তিনি পদক পাননি ঠিকই, কিন্তু ভারতীয় অ্যাথলিটদের প্রতি দেশবাসীর দৃষ্টিটাই ফিরিয়ে দেন তিনি৷ এরপরই কুস্তিতে ব্রোঞ্জ নিয়ে আসেন সাক্ষী মালিক৷ তারপরই দেশের জন্য রূপো এনে দেন সিন্ধু৷ তাঁদের সাফল্য সেলিব্রেট করছে গোটা দেশ৷ কিন্তু ব্যতিক্রম রামগোপাল ও সানাল৷ প্রায় শোভা দে-র পথ ধরেই অ্যাথলিটদের পদকজয় নিয়ে হইচইয়ের বিরোধিতা করে প্রশ্ন তুললেন তাঁরা৷ রামগোপালের প্রশ্ন, একটা রূপো নিয়েই যদি ইন্ডিয়া ইনক্রেডিবল হয়, ৪৬টা সোনা ৩৭টি রূপো পেলে কী হবে? আমেরিকার মতো ছোট দেশের তুলনায় ভারতের পারফরম্যান্স যে কত দৈন্য, তাই-ই তুলে ধরেন তিনি৷ একধাপ এগিয়ে মালয়ালামি পরিচালক সোনাল জানান, ‘সবাই সিন্ধুর রূপো নিয়ে সেলিব্রেট করছে, আমি যদি তাতে থুতু ফেলি তবে কী হবে? এটা নিয়ে এত সেলিব্রেট করার কী আছে?’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement


যে প্রশ্ন তাঁরা তুলেছেন তা অমূলক নয়, কিন্তু যে ভাষায় সিন্ধুর পদকজয়ের কৃতিত্ব খাটো করলেন সানাল তা বিস্মিত করেছে দেশবাসীকে৷ তিনি নিজে একজন শিল্পী, সৃষ্টিশীল মানুষ৷ একজন শিল্পী হয়েও কী করে এক অ্যাথলিটের কৃতিত্বকে এই ভাষায় খাটো করতে পারেন তিনি, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন