গড়াপেটার অভিযোগে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাসিত এই পাক ক্রিকেটার

ফের কাঠগড়ায় পাক ক্রিকেট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০১৭, ১২:৫৬

options
link
গড়াপেটার অভিযোগে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাসিত এই পাক ক্রিকেটার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জঙ্গিহানা আর সন্ত্রাসের ভয়ে তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে রেখেছিল গোটা ক্রিকেটবিশ্ব। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ঘরে তোলার পর ফের আশার আলো দেখতে শুরু করে পাকিস্তান। এই সাফল্যের মধ্যে দিয়েই পাক মুলুকে ক্রিকেট ফিরবে বলে মনে করেছিল ক্রিকেটমহল। কিন্তু হল ঠিক উলটোটা। স্পট ফিক্সিংয়ে ফের কলঙ্কিত হল প্রতিবেশী রাষ্ট্র। এবার পাক দলের মুখে চুনকালি লাগালেন শরজিল খান। আর সেই অভিযোগে পাঁচ বছর নির্বাসিত করা হল তাঁকে।

Advertisement

বুধবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) দুর্নীতিদমন শাখার তরফে জানানো হয়, পাকিস্তান সুপার লিগে স্পট ফিক্সিংয়ে নাম জড়ানোয় পাঁচ বছরের জন্য নির্বাসিত করা হল শরজিলকে। একই অভিযোগে শাস্তি পেতে পারেন আরেক ক্রিকেটার খালিদ লতিফ। তিন সদস্যের ট্রাইবুনালের প্রধান লাহোর হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি। যাঁরা খুব শীঘ্রই খালিদের ভাগ্যও নির্ধারণ করতে চলেছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারিয়ে তাক লাগালেন শাকিবরা]

গত ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান সুপার লিগে দুই পাক ক্রিকেটারের উপর স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল। যার জেরে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনই দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয় তাঁদের। সঙ্গে দু’জনকে সাসপেন্ডও করে পিসিবি। তখনই এক বিবৃতিতে পাক বোর্ড জানিয়েছিল, ‘আইসিসির তত্ত্বাবধানে পিসিবি ওই ঘটনাটির তদন্তে নেমেছে। খেলার মাঠে স্বচ্ছতা আনতে এই পদক্ষেপ।’ গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার এই ঘটনার তদন্ত শেষ হয়। তারপরই শাস্তির মেয়াদ ঘোষিত হল। তবে কোনও বিতর্কে না গিয়ে ট্রাইবুনালের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন শরজিল। যদিও খালিদের আইনজীবী তাঁর পক্ষে সওয়াল করে চলেছেন। তাই তাঁকে নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি।

Advertisement

২৭ বছর বয়সি শরজিল অস্ট্রেলিয়া সফরে পাক দলে ছিলেন। দেশের হয়ে মোট ২৫টি ওয়ানডে এবং ১৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। আর লাতিফ ছিলেন গত বছর ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাক দলের সদস্য। দেশের হয়ে পাঁচটি ওয়ানডে এবং ১৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

[৩০০তম ম্যাচে নামার আগে তারুণ্যে ফুটছেন ধোনি]

সলমন বাট, মহম্মদ আমির, মহম্মদ আসিফ, দানিশ কানেরিয়া এককালে কলঙ্কিত করেছিলেন পাক ক্রিকেটকে। আফ্রিদি, সারফারাজরা সেই চেহারা ফেরাতে চাইলেও লাতিফ, শরজিলদের জন্য সফল হতে পারলেন না তাঁরা। অর্থের লোভে দলকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিলেন এঁরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.