Kolkata Derby

প্রথম ডার্বি গোল স্ত্রী-কে উৎসর্গ সাহালের, প্রশংসা কোচের মানসিকতারও

শনিবাসরীয় ডার্বির রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে মোহনবাগান সমর্থকদের মনে।

প্রসূন বিশ্বাস
প্রসূন বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১৬:৩৭

options
link
প্রথম ডার্বি গোল স্ত্রী-কে উৎসর্গ সাহালের, প্রশংসা কোচের মানসিকতারও
ডার্বির গোল স্ত্রীকে উৎসর্গ সাহালের। ফাইল ছবি।

ম্যাচ শেষ হতেই মোহনবাগান কোচ প্যানাজিওটিস দিলেমপেরিস যখন আকাশের দিকে মুষ্টিবদ্ধ হাত ছুঁড়ে দিয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন, তখন আন্তোনিও লোপেজ হাবাসকে দেখা গেল সহকারি রেফারির কাছে গিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করতে। এতদিনের ডার্বিতে (Kolkata Derby) অপরাজিত থাকার পথ চলা শেষ হল হাবাসের। ততক্ষণে মোহনবাগান গ্যালারিতে ‘ভাইকিং রো’ সেলিব্রেশন শুরু হয়ে গিয়েছে। উল্লাস-উচ্ছ্বাসে ভেসে যাচ্ছেন সবুজ-মেরুন সমর্থকরা। মরশুমের প্রথম ম্যাচই ডার্বি। সেই ম্যাচ জিতে মরশুম শুরু করা যেন বাড়তি পাওনা মোহনবাগান সমর্থকদের কাছে। বিগত দেড় মাস লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, আর্লিং হালান্ডদের নিয়ে উন্মাদনায় মেতে থাকা বাঙালি কলকাতা ফুটবলের এই হাসি-কান্নার পরিচিত দৃশ্যগুলো থেকে কিছুটা দূরে সরে ছিল। ডার্বি থেকে যেন সেই চেনা ছন্দে ফিরল কলকাতা ময়দান।

Advertisement

এই উচ্ছ্বাসের মধ্যেই প্রশ্ন উঠল এদিনের ম্যাচের সেরা কে? জয়সূচক গোলদাতা সাহাল (Sahal Abdul Samad) নাকি শেষ মুহূর্তে দূর্ভেদ্য হয়ে ওঠা বিশাল কাইথ? সাহালের গোলে জয় এলেও শেষ মুহূর্তে যেভাবে দানি রামিরেজ, রশিদের শট যেভাবে বাঁচালেন বিশাল, সেটা না হলে এই ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারত। ম্যাচের শেষে তাই প্যানাজিওটিস তো বটেই প্রতিপক্ষ কোচ হাবাসও বিশালকে বাহবা দিয়ে গেলেন।

Advertisement

আর সাহাল? ডার্বিতে প্রথমবার গোল করে গ্যালারিতে বসে থাকা স্ত্রীকে গোল উৎসর্গ করে বলেন, “ম্যাচের আগেই কোচ বলে দিয়েছিলেন এই মরশুমে সব ম্যাচই ডার্বি। কোচের নির্দেশ মতো সেই মানসিকতাই দলের মধ্যে গড়ে উঠছে। গোল পেয়ে দলকে সাহায্য করতে পেরে ভালো লাগছে। এই গোল স্ত্রীকে উৎসর্গ করছি।” ডার্বি জিতলেও দলের পারফরম্যান্সে খুশি নন প্যানাজিওটিস। বলেন, “ফুটবলারদের অভিনন্দন। ওদের প্রচেষ্টায় খুশি। কিন্তু পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নই। যদিও তিনটি সেশন অনুশীলনের পর এমন পারফরম্যান্স স্বাভাবিক। ফিনিশিং, ক্রস আর ধ্রু-তে যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। আমরা সবে কাজ শুরু করেছি। এই ম্যাচের জন্য প্রস্তুত ছিলাম না।” এরপর বিশালের প্রশংসা করে বলেন, “বিশাল দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। টিমকে নির্ভরতা দেওয়া ওর দায়িত্ব। ও ভারতের সেরা গোলরক্ষকদের মধ্যে অন্যতম। এদিন অসাধারণ সব সেভ করেছে। এর জন্যই মোহনবাগানের গোলকিপার। দলকে দুর্দান্ত নির্ভরতা দিয়েছে এই ডার্বিতে।”

Advertisement

তবে শনিবাসরীয় ডার্বির রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে মোহনবাগান সমর্থকদের মনেও। সমর্থক-ফুটবল বিশেষজ্ঞরা একযোগে দাবি তুললেন যে, একটা নিশ্চিত পেনাল্টি থেকে এ দিন বঞ্চিত হয়েছে মোহনবাগান। যা পেলে, যা থেকে শেষ পর্যন্ত গোল হলে, দু’দলের মধ্যে ব্যবধানটা আরও বাড়ত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.