টাফেল

‘৬ নয়, ওভার থ্রো-তে পাঁচ রান পাওয়া উচিত ছিল ইংল্যান্ডের’, মত সাইমন টাফেলের

আম্পায়ারের ভুলেই কি চ্যাম্পিয়ন হল ইংল্যান্ড?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৯, ১৫:১৯

options
link
‘৬ নয়, ওভার থ্রো-তে পাঁচ রান পাওয়া উচিত ছিল ইংল্যান্ডের’, মত সাইমন টাফেলের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বচ্যাম্পিয়নের খেতাব পকেটে পুরেছে ইংল্যান্ড। কিন্তু, ইংরেজদের এই জয় নিয়েও থেকে গিয়েছে একাধিক বিতর্ক। অনেকেই বলছেন, আইসিসির যে বাউন্ডারি কাউন্টের নিয়ম অনুযায়ী ইংরেজরা চ্যাম্পিয়ন হলেন, তা হাস্যকর। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো আন্দোলন শুরু হয়ে গিয়েছে। এরই মধ্যে আবার নয়া বিতর্ক উসকে দিলেন প্রাক্তন বিশ্বসেরা আম্পায়ার সাইমন টাফেল। তাঁর মতে, যে ওভার থ্রো-র দরুন ম্যাচে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড, সেই ওভার থ্রো-তে ৬ রান নয়, বরং পাঁচ রান পাওয়ার কথা ইংল্যান্ডের। আর তা যদি হয়, তাহলে সুপার ওভারে যাওয়ার আগেই ম্যাচ হেরে যাওয়ার কথা ইংরেজদের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে বাদ! ধোনিকে অবসরের পথ দেখাচ্ছে বিসিসিআই]

ফাইনালে ইংল্যান্ডের ইনিংসের শেষ ওভারে ওই নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ৩ বলে তখনও প্রয়োজন ছিল ৯ রানের। ওভারের চতুর্থ বলটি বেন স্টোকস মারেন লং অনের দিকে। সেখান থেকে বলটি ধরে করে উইকেট কিপারের উদ্দেশে ছুঁড়ে দেন নিউজিল্যান্ডের ফিল্ডার গাপ্তিল। সেসময় দ্বিতীয় রানের জন্য প্রাণপন ছুটছেন স্টোকস। গাপ্তিলের ছোঁড়া বলটি উইকেটরক্ষকের কাছে পৌঁছানোর আগেই দ্বিতীয় রান নিতে আসা স্টোকসের ব্যাটে লেগে বাউন্ডারির বাইরে চলে যায়। অন ফিল্ড আম্পায়াররা ইংল্যান্ডকে ৬ রান উপহার দেন। সেই রানের জোরেই নিউজিল্যান্ডের সমান স্কোর করে ম্যাচ সুপার ওভার পর্যন্ত নিয়ে যেতে সক্ষম হয় ইংল্যান্ড।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু, একসময়ের বিশ্বসেরা আম্পায়ার সাইমন টাফেলের দাবি, ইংল্যান্ডকে ওই ওভার থ্রো-তে ৬ রান দিয়ে মারাত্মক ভুল করেছেন আম্পায়াররা। আসলে ইংরেজদের পাওয়ার কথা ছিল ৫ রান। আম্পায়ারদের দেখার ভুলের জন্যই এই কাণ্ডটি ঘটেছে। টাফেলের যুক্তি, ওভার থ্রোয়ের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় রানটি তখনই গণ্য হয় যখন বল থ্রোয়ের আগে দুই ব্যাটসম্যান একে অপরকে টপকে যান। কিন্তু রিপ্লেতে দেখা যাচ্ছে, গাপ্তিল যখন থ্রো করেছেন তখনও আদিল রশিদ ও স্টোকস পরস্পরকে পেরতে পারেননি। তাই দ্বিতীয় রানটি ইংল্যান্ডের পাওয়ার কথা নয়। শুধু তাই নয়, যেহেতু দ্বিতীয় রান সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই বাউন্ডারি হয়ে গিয়েছে, সেক্ষেত্রে পরের বলটিতে স্ট্রাইকও স্টোকসের নেওয়ার কথা নয়। স্ট্রাইক পাওয়ার কথা নন-স্ট্রাইকে থাকা ব্যাটসম্যানের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: হাস্যকর নিয়ম, নিউজিল্যান্ডের হারের পর আইসিসিকে একহাত নিলেন গম্ভীর]

আইসিসির নিয়মও অবশ্য সেকথাই বলছে। নিয়ম অনুযায়ী ওভার থ্রো-এর ক্ষেত্রে যদি বাউন্ডারি হয় সেক্ষেত্রে বাউন্ডারির আগে যে রানটি সম্পূর্ণ হয়েছে, শুধু মাত্র সেই রানটিই গণনা করা হয়। যদিও টাফেল বলছেন, আম্পায়ারদের এই সিদ্ধান্তের জন্য দোষ দেওয়া যায় না। কারণ, উত্তেজনার মুহূর্তে তখন বোঝা যায়নি আদৌ স্টোকস দ্বিতীয় রান সম্পূর্ণ নেওয়ার আগে ব্যাটে বলটি লেগেছে, না পরে লেগেছে। যদিও, পরে টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় রানটি সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই স্টোকসের ব্যাটে বলটি লেগেছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.