Nisith Pramanik

ক্রীড়াক্ষেত্রকে রাজনীতিমুক্ত করার ডাক নিশীথের, ডার্বি শেষে মেসিকাণ্ডে টাকা ফেরত নিয়ে কী বার্তা?

৬২ হাজারের ভরা যুবভারতীতে রোমহর্ষক ডার্বি দেখে মুগ্ধ ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক।

প্রসূন বিশ্বাস
প্রসূন বিশ্বাস

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২৬, ২২:৩৮

options
link
ক্রীড়াক্ষেত্রকে রাজনীতিমুক্ত করার ডাক নিশীথের, ডার্বি শেষে মেসিকাণ্ডে টাকা ফেরত নিয়ে কী বার্তা?
কলকাতা ডার্বি দেখার পর সঞ্জীব গোয়েঙ্কা ও ক্রিকেটার কেন উইলিয়ামসনের সঙ্গে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক।

আইএসএলের ডার্বি অমীমাংসিত। ইস্টবেঙ্গল বনাম মোহনবাগানের ম্যাচ শেষ হল ১-১ গোলে। যুবভারতীতে ডার্বি দেখতে এসেছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। ৬২ হাজারের ভরা স্টেডিয়ামে রোমহর্ষক ডার্বি দেখে তিনি খুশি। সেই সঙ্গে যুবভারতীতে মেসি-কাণ্ড নিয়ে বড় ঘোষণা ক্রীড়ামন্ত্রীর। তিনি জানালেন, গতবছরের ডিসেম্বরে মেসিকে দেখতে এসে যে দর্শকরা বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাদের টাকা ফেরতের জন্য তিনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। সেই সঙ্গে বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্রকে রাজনীতিমুক্ত করার বার্তা দিয়ে রাখলেন।

Advertisement

দর্শকদের উন্মাদনায় মুগ্ধ ক্রীড়ামন্ত্রী আক্ষেপ জানান, মেসিকাণ্ড বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্রের জন্য লজ্জাজনক অধ্যায়। এর আগেই তিনি এই মামলার ফাইল খুলেছেন। আজ ফের জানিয়ে গেলেন, এর পিছনে যে ‘কুচক্রীরা’ জড়িত, তাঁদের ছেড়ে কথা বলা হবে না। যাঁদের অন্তর্ঘাতে বাংলার মাথা নীচু হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তে উঠে আসবে।

Advertisement

তার সঙ্গে ক্রীড়ামন্ত্রী জানান, “সাধারণ মানুষরা নিজেদের কষ্টার্জিত পয়সা জমা করে, টিকিট কেটে মেসিকে দেখতে পারেনি। বরং তাঁদের বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে। আমরা তাঁদের প্রত্যেককে সেই অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা বলেছি। যাঁরা সেদিন কেটে এসেছিলেন, তাঁদের অর্থ যদি ফেরত দেওয়া না হয়, তাহলে আগামীতে কঠোর পদক্ষেপ নেব।”

Advertisement

এর আগে মেসিকে কলকাতায় আনার উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত জানিয়েছেন, প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তিনি ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করবেন। আর মামলা জিতলে সেই টাকা দিয়ে দর্শকদের ফেরত দেবেন। অভিযোগ, অরূপ ও তাঁদের ঘনিষ্ঠদের ‘বাড়াবাড়ি’র জন্যই মেসিকে তড়িঘড়িকে যুবভারতীর বাইরে নিয়ে যেতে হয়। তাতেই দর্শকরা ক্ষুব্ধ হন। সেই প্রসঙ্গে নিশীথ জানান, “শতদ্রুবাবু আমাদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে কথা বলব।”

তাঁর সাফ বার্তা, “খেলার ময়দান রাজনীতিমুক্ত হবে। খেলোয়াড়রা রাজনীতিমুক্ত হবেন। খেলার সঙ্গে জড়িত যে সমস্ত সংস্থাগুলো আছে ফেডারেশনগুলো আছে, তাদেরকে নেপোটিজম মুক্ত হতে হবে। রাজনীতিমুক্ত হতে হবে এবং পরিবারবাদ মুক্ত হতে হবে। এটাই আমাদের মূল মন্ত্র। পশ্চিমবঙ্গে সরকারে পরিবর্তন হয়েছে। এবার খেলার ময়দান রাজনীতিমুক্ত হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.