মিতার মৃত্যুর বিচার চেয়ে সোশাল মিডিয়ায় সরব বন্ধুরা

ফেসবুকে ভাইরাল #JusticeForMita।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০১৬, ১৯:০৮

options
link
মিতার মৃত্যুর বিচার চেয়ে সোশাল মিডিয়ায় সরব বন্ধুরা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাবা পেশায় রাজমিস্ত্রী ছিলেন। দুই দাদা ছোটখাটো ব্যবসা করেন। অভাব দমিয়ে রাখতে পারেনি তাঁর প্রতিভাকে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় ফার্স্টক্লাস ডিগ্রি নিয়ে বেরিয়েছিলেন। ভালবেসেই উলুবেড়িয়ার রাণা মণ্ডলকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু বিয়ের ছয় মাসেই মধ্যেই শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হল মিতা মণ্ডলের মৃতদেহ।

Advertisement

শ্বশুরবাড়ির দাবি ছিল, আত্মহত্যা করেছেন মিতা। কিন্তু ফেসবুকে তাঁর বন্ধুদের পোস্ট করা ছবি বলছে অন্য কথা। যাতে মৃতার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট। নাকে, কপালে, ঘাড়ে, গলার কাছে গভীর ক্ষত দেখা গিয়েছে উলুবেড়িয়ার গৃহবধূর।

Advertisement

মঙ্গলবার ভোরে মিতার বাপের বাড়িতে ফোন করে জানানো হয়, মিতা আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছেন। কিছুক্ষণ পর আবার ফোন করে তাঁর মৃত্যু সংবাদ দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে মিতার শরীরে আঘাত দেখে সন্দেহ হওয়াতেই পুলিশে অভিযোগ জানান তাঁর কাকা।  মিতার বন্ধুরা প্রশ্ন তুলেছেন, বি এড করতে চেয়েছিলেন মেধাবী ছাত্রী। তাহলে হঠাৎ কেন নিজেকে শেষ করে দেবেন তিনি? মিতার বেডরুমের খাট বেশ উঁচু, সেই তুলনায় ছাদ অনেকটাই নিচু। তাহলে কীভাবে তিনি ফাঁস লাগালেন? রাণার বাড়ি থেকে তাঁর কর্মস্থানের দূরত্ব কয়েক মিনিটের। তাহলে মিতাকে সেখানে নিয়ে যেতে দেড় ঘণ্টা লাগলো কেন? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তৎপর পুলিশও।

Advertisement

আপাতত পুলিশের হেফাজতেই রয়েছে অভিযুক্ত রাণা মণ্ডল এবং তার বাবা দ্বিজেন্দ্রনাথ মণ্ডল। মা কল্পনা মণ্ডল ও ভাই রাহুল এখনও নিখোঁজ। ইতিমধ্যেই সঠিক তদন্তের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরে একটি আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন মিতার বাপেরবাড়ির লোকজন। মিতার বাপের বাড়িতে যান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তাঁর প্রাক্তন সহপাঠীরাও। যাদবপুরের এই মেধাবী প্রাক্তনীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে চেয়ে ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে #JusticeForMita।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.