Ritwick Chakraborty

‘এই গরমে গায়ে শাল, সানগ্লাস পরে ফটোগ্রাফি’, গঙ্গাবক্ষে ‘গজেন্দ্র’র নৌকাবিহারে বিদ্রুপ ঋত্বিকের!

'প্র্যাক্টিক্যালি ড্রামা', বঙ্গে ভোটপ্রচারে এসে মোদির গঙ্গাফেরি। রসিক খোঁচায় কী বললেন ঋত্বিক চক্রবর্তী?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১৭:১১

options
link
‘এই গরমে গায়ে শাল, সানগ্লাস পরে ফটোগ্রাফি’, গঙ্গাবক্ষে ‘গজেন্দ্র’র নৌকাবিহারে বিদ্রুপ ঋত্বিকের!
বঙ্গে ভোটপ্রচারে এসে মোদির গঙ্গাফেরি। কী বললেন ঋত্বিক চক্রবর্তী? ছবি- ফেসবুক

গঙ্গাবক্ষে নৌকাভ্রমণ কলকাতাবাসীর কাছে বরাবরের নস্টালজিয়া। বঙ্গসফরে এসে শুক্রবার সকালে গঙ্গাবিহার করে বাঙালির সেই নস্টালজিয়াতেই শান দেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ভোরের তিলোত্তমার রূপে মুগ্ধ হয়ে সোশাল মিডিয়াতেও সেসব ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত ভাগ করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পরনে সাদা পাঞ্জাবি-পায়জামা। চোখে সানগ্লাস। গায়ে শাল! হাতে ডিএসএলআর ক্যামেরা। গত চব্বিশ ঘণ্টায় বাংলার ভোট (Bengal Election 2026) কড়চার শিরোনামে মোদির নৌকাবিহার প্রসঙ্গ। ট্রোল-মিমেরও অন্ত নেই। এবার মোদির গঙ্গাভ্রমণ নিয়ে ফিল্মি স্টাইলে খোঁচা দিলেন ঋত্বিক চক্রবর্তী (Ritwick Chakraborty)!

Advertisement

আমজনতার নজর কাড়ে এই কাঠফাটা গরমে মোদির গায়ের শাল। যদিও এই ‘অঙ্গরাগ’ নিয়ে নানা মুনির নানা শাল-ত্বত্ত্ব রয়েছে, তবে হাঁসফাঁস গরমে কীভাবে গায়ে এহেন মোটা শাল রাখলেন তিনি? সেটা ভেবেই সন্দিহান রাজ্যবাসীর একাংশ। এবার সেই কৌতূহলে ভর করেই মোদির নৌকবিহার নিয়ে বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য অভিনেতার!

শুক্রবারের সকালে গঙ্গায় নৌকাবিহারের পর প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব এক্স হ্যান্ডেলে সেসব প্রভাতী ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত ভাগ করে নিয়েছিলেন। গঙ্গার সঙ্গে ভারতীয় সভ্যতা বিকাশের অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের কথা মনে করিয়ে তিনি লেখেন, ‘প্রত্যেক বাঙালির কাছে গঙ্গা নদী বরাবর বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে। বলা যায়, বাংলার আত্মার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এই নদী। তার পবিত্র জলধারায় সভ্যতার অন্তহীন কাহিনি লুকিয়ে রয়েছে। আজ সকালে কলকাতায় থাকাকালীন আমি কিছুটা সময় কাটালাম হুগলি নদীতে। মা গঙ্গাকে প্রণাম জানানোর সুযোগ পেলাম। একইসঙ্গে মাঝি এবং প্রাতভ্রমণকারীদের সঙ্গেও দেখা হল, শুভেচ্ছা বিনিময় হল। বিশেষ করে মাঝিদের কঠোর পরিশ্রম দেখে আমি মুগ্ধ। এই হুগলি নদী আমাকে বাংলা এবং বাংলার মানুষের জন্য কাজ করতে আরও অনুপ্রাণিত করেছে।’ কিন্তু আমজনতার নজর কাড়ে এই কাঠফাটা গরমে মোদির গায়ের শাল। যদিও এই ‘অঙ্গরাগ’ নিয়ে নানা মুনির নানা শাল-ত্বত্ত্ব রয়েছে, তবে হাঁসফাঁস গরমে কীভাবে গায়ে এহেন মোটা শাল রাখলেন তিনি? সেটা ভেবেই সন্দিহান রাজ্যবাসীর একাংশ। এবার সেই কৌতূহলে ভর করেই মোদির নৌকবিহার নিয়ে বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য ঋত্বিক চক্রবর্তীর!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Ritwick Chakraborty reacts to Modi Ganga boat ride in Kolkata during West Bengal election
সকাল সকাল কলকাতায় গঙ্গাবিহার প্রধানমন্ত্রী মোদির। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর এক্স হ্যান্ডল

মোদিকে ‘অভিনেতা’ আখ্যা দিয়ে ঋত্বিকের সংযোজন, তাই তো গুণীজনেরা বলেন, “শুধু অভিনেতা একা একটা সিনকে উতরে দিতে পারে না, সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন।…”

সিনেমার দৃশ্যের সঙ্গে তুলনা টেনে অভিনেতার রসিক বর্ণনা, “সিনটা হচ্ছে- ঠাঠাপোড়া গরমে নদীতে নৌকায় বসে ক্যামেরা হাতে ছবি তুলছে গজেন্দ্র! কিন্তু কস্টিউম যিনি করেছেন, তিনি এই তীব্র গরমে ওঁর গায়ে একটা শাল আর ফটোগ্রাফি করার সময় চোখে সানগ্লাস দিয়ে বুঝিয়েছেন প্র‍্যাক্টিকালি ড্রামা চলছে।” শুধু তাই নয়, মোদিকে ‘অভিনেতা’ আখ্যা দিয়ে ঋত্বিকের সংযোজন, তাই তো গুণীজনেরা বলেন, “শুধু অভিনেতা একা একটা সিনকে উতরে দিতে পারে না, সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এমনকী দর্শকেরও।” অভিনেতার এহেন পোস্টে শোরগোল নেটভুবনে। একদিকে যখন ঋত্বিকের এহেন মন্তব্যে নেটভুবনের পেটে খিল ধরেছে, তখন আরেকাংশ আবার দেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তীর্যক মন্তব্য করায় পালটা কটাক্ষ করছেন অভিনেতাকে।

Advertisement

আসলে সিনেদুনিয়া কিংবা রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে অভিনেতাকে একাধিকবার কৌতুকছলে কটাক্ষ করতে দেখা গিয়েছে। কোনও জ্বলন্ত ইস্যুতে কৌতুকের মোড়কে বিঁধতে ঋত্বিকের জুড়ি মেলা যে ভার, সে সম্পর্কে অনুরাগীরা ভালোই অবগত। এবার বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে নরেন্দ্র মোদির নৌকাবিহার নিয়ে ঋত্বিকের ব্যাঙ্গাত্মক পোস্টে সোশাল পাড়ায় শোরগোল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.