বঙ্গে পালাবদল
TMC

ভোটের ফল বেরতেই পুলিশের নাক ফাটালেন তৃণমূল কাউন্সিলর! গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল কাউন্সিলর। হাসপাতালে জখম পুলিশকর্মীর চিকিৎসা চলছে।

Advertisement
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২৬, ১৬:১৫

options
link
ভোটের ফল বেরতেই পুলিশের নাক ফাটালেন তৃণমূল কাউন্সিলর! গ্রেপ্তার অভিযুক্ত
অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর। নিজস্ব ছবি।

ঘুষি মেরে পুলিশের নাক ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় কাউন্সিলর-সহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র দখলকে ঘিরে শ্রীরামপুর পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের টিন বাজার এলাকায় অশান্তি ছড়ায়। এর জেরে পুলিশের নাকে ঘুষি মারার অভিযোগ ওঠে কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। ধৃতকে শ্রীরামপুর আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। যদিও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল কাউন্সিলর। হাসপাতালে জখম পুলিশকর্মীর চিকিৎসা চলছে।

Advertisement

অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলরের নাম রাজেশ শাহ ওরফে কুকুয়া। পুলিশের অভিযোগ, টিন বাজার এলাকায় একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের তালা বন্ধ ছিল। সেই তালা খুলতে যায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাদের বাধা দেন তৃণমূল কাউন্সিলর রাজেশ। পুলিশের সঙ্গে এই নিয়ে বচসায় জড়ান তিনি। এরপরই একজন এএসআই নটরাজের নাকে ঘুষি মাসেন কাউন্সিলর। নাক ফেটে গিয়ে রক্ত পড়তে থাকে। এই ঘটনায় রাজেশ শাহ ও তাঁর দুই সঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যদিও পুলিশের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কাউন্সিলর। তিনি শ্রীরামপুর থানা থেকে আদালতে যাওয়ার পথে বলেন, পাড়ায় সমাধান প্রকল্পের আওতায় একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছিল। পালাবদলের পর সেটার দখল নিতে চেয়েছিল বিজেপি ও সিপিএম। এই নিয়ে একটা ঝামেলা হয়। কিন্তু পুলিশকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজেশ। তাঁর কথায়, “আমার আর আমার স্ত্রীর ওয়ার্ডে তৃণমূল লিড পেয়েছে, সেই রাগ থেকেই রাজনৈতিক প্রতিশোধ নেওয়া হল।”

Advertisement

শ্রীরামপুরের ভাবী বিজেপি বিধায়ক ভাস্কর ভট্টাচার্য বলেন,পুলিশ কোনও রং না দেখে ব্যবস্থা নেবে। এখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হোক এটাই আমরা চাই। পুলিশ কাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন, কাকে গ্রেপ্তার করবেন তা সম্পূর্ণ তাদের ব্যাপার। এখানে আমরা কোনওভাবে হস্তক্ষেপ করব না। মানুষ চায় এলাকায় যেন শান্তি প্রতিষ্ঠা থাকে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.