তিলোত্তমায় মোদি ব্রিগেড
PM Modi Brigade Rally

জনবিন্যাস বদলে হিন্দুদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে বঙ্গে! ব্রিগেডে মোদির অস্ত্র ‘বিভাজন’ই

মোদির অভিযোগ, "এখানকার তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে চায় না, ভোটার তালিকা সংশোধন করতে চায় না। তাই এসআইআরে বাধায় অসুরক্ষিত বাংলা।"

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৮:৩৬

options
link
জনবিন্যাস বদলে হিন্দুদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে বঙ্গে! ব্রিগেডে মোদির অস্ত্র ‘বিভাজন’ই
ব্রিগেডের সভায় মোদি। নিজস্ব চিত্র।

অনুপ্রবেশ এবং জনবিন্যাস বদল। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে এটাই যে বিজেপির সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হতে চলেছে, সেটা অনেক আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এবার খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঐতিহাসিক ব্রিগেডের জনসভায় (PM Modi Brigade Rally) দাঁড়িয়ে সেই ‘বিভাজন’ অস্ত্রে আরও জোরালোভাবে শান দিয়ে গেলেন। প্রধানমন্ত্রী দাবি করলেন, এ রাজ্যে বাঙালি হিন্দুদের ইচ্ছাকৃতভাবে সংখ্যালঘু বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হিন্দুরা কোনওদিন বিভাজন সমর্থন করেনি, তৃণমূল সেই হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিরোধিতা করে।

Advertisement

অনুপ্রবেশ ইস্যুকে হাতিয়ার করে ব্রিগেডে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করে গেলেন, “তৃণমূল বাংলার নিরীহ হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে রাখতে চায়। এরা কট্টরপন্থীদের উসকানি দেয়। গুন্ডাদের পোষে। আজ অনুপ্রবেশকারীদের অত্যাচারে বাঙালিরাই বাংলা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। বাংলার ‘রোটি-বেটি-মাটি’র উপর হামলা চালাচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা।” বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সিএএ বিরোধিতাকে তোপ দেগে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, “আমরা যখন সিএএ করলাম, এখানকার তৃণমূল সরকার বিরোধিতা করল। শরণার্থী হিন্দুদের নাগরিকত্ব দিতে বললে পুরো তৃণমূল একসঙ্গে বিরোধিতা করে। আসলে ওঁরা হিন্দুদের নাগরিকত্ব দিতে চায় না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মোদির দাবি, “বিগত কয়েক দশকে বাংলার বহু এলাকায় জনবিন্যাস বদলে দেওয়া হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে বাঙালি হিন্দুদের সংখ্যালঘু করে দিচ্ছে। তুষ্টিকরণের এমন নোংরা খেলা আর সইবে না বাংলা।” মোদির অভিযোগ, “এখানকার তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে চায় না, ভোটার তালিকা সংশোধন করতে চায় না।” প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলার হিন্দুদের ভোটব্যাঙ্ক হিসাবে ভাবেই না তৃণমূল। রাজ্যের শাসকদের ভোটব্যাঙ্ক শুধুই অনুপ্রবেশকারীরা। তাই তাঁদের বাঁচাতেই SIR বিরোধিতা। 

Advertisement

সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যকে হাতিয়ার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ওঁর হুমকি দেয়, একটা নির্দিষ্ট সম্প্রদায় নাকি বাকিদের খতম করে দেবে। কারা এরা, তৃণমূলের ইশারায় কোটি কোটি লোককে খতম করার কথা বলছে কারা? এদের হাতিয়ার বানাচ্ছে তৃণমূল। ভোটার, মিডিয়াকে হুমকি দিচ্ছে।” মহুয়া মৈত্রর ‘তৃণমূল না করলে বাঙালি নয়’ মন্তব্যেরও বিরোধিতা করেন মোদি।

প্রধানমন্ত্রীর সাফ কথা, বঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে সবকিছুর হিসাব হবে। একদিকে বিকাশ করব, অন্যদিকে হিসেব নেব। তৃণমূলের যারা আপনাদের ভয় দেখায়, তাদের ভয় দেখানোর দিন শুরু হচ্ছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সব কট্টরপন্থী, অনুপ্রবেশকারী, গুন্ডারা ভয়ে থাকবে। এখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.