রাজ্যে শেষবেলার প্রচারে এসে ফের বঙ্গভঙ্গে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) বিরুদ্ধে। আগামী বৃহস্পতিবার প্রথম দফা ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে আজই প্রচার শেষ। সকাল থেকে তাই একাধিক কেন্দ্রে কর্মসূচি শুরু করে দিয়েছেন শাহ। মঙ্গলবার কার্শিয়াং বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত সুকনা থেকে প্রচারের সূচনা করেন তিনি। সেখানকার দলীয় প্রার্থী সোনম লামার সমর্থনে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ গোর্খাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেন।
আরও পড়ুন:
শুধু তাই নয়, নির্দিষ্ট দিনক্ষণও ঘোষণা করলেন। তাঁর কথায়, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হওয়ার পর, ৬ মে আমরা এমন সমাধান বের করব যে প্রত্যেক গোর্খার মুখে সন্তুষ্টির হাসি থাকবে।” এই আশ্বাসও দিয়েছেন, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে গোর্খাদের বিরুদ্ধে যেসব মামলা আছে, তার নিষ্পত্তি করে দেওয়া হবে। পৃথক গোর্খাল্যান্ড গোর্খাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে কি গোর্খাদের হাসি, সন্তুষ্টির কথা বলে ফের সেই অস্ত্রেই শান দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী? প্রশ্ন উঠছে।
দার্জিলিংয়ের গোর্খা মহলের একাংশ বরাবর পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবি করে এসেছে। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বারবার এনিয়ে আশ্বাস দিয়েছে কিন্তু সেই দাবি বাস্তবায়নের পথে যে বাধা রয়েছে, তার জেরেই গোর্খাদের স্বপ্ন পূরণ হয়নি। প্রতিবার নির্বাচনে এই ইস্যু উসকে ওঠে পাহাড়ে। এনিয়ে পাহাড়ি রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যেও বিভাজন রয়েছে। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা একসময়ে বিজেপিকে সমর্থন করলেও পরে এই গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতেই স্বপ্নভঙ্গ হওয়ায় সেই অবস্থান থেকে সরে আসে।
এবার ছাব্বিশের বঙ্গজয় করতে ফের সেই দাবিতে উসকানি দিলেন শাহ। শেষবেলায় কার্শিয়াঙের প্রচারে এসে তিনি বলেন, “আমাদের গোর্খা ভাইদের উপর বহু মিথ্যা মামলা হয়েছে। আপনারা আমার উপর ভরসা রাখুন, ৪ মে ফলঘোষণা হবে, ৫ মে সরকার গঠন হবে। ৬ মে থেকেই আপনাদের সব সমস্যার সমাধানে কাজ শুরু করবে নতুন সরকার। আর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সকল গোর্খা ভাইয়ের উপর থেকে সব মামলার নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। আপনাদের যাতে আন্দোলন না করতে হয়, এমন সমাধানও বের করব আমরা।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
হুগলি নদীতে ইলিশের মড়ক! অশনি সংকেত?
-
কলকাতাকে ছুঁয়ে ফেলল নিম্নচাপ! অতি বৃষ্টির লাল সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে, কতদিন চলবে বৃষ্টি?
-
‘একটি দল গোটা দেশের সিস্টেম বদলাতে পারে না’, খামতি স্বীকার করেই বার্তা রামদেবের
-
‘বাথরুমের জানলা ভেঙেছিলাম, তারপর…’ জতুগৃহ তারাপীঠের হোটেলে আটকে হাড়হিম অভিজ্ঞতা পর্যটকের
-
‘জন গণ মন’র পরিবর্তে জাতীয় সঙ্গীত হোক ‘বন্দে মাতরম’, ‘শক্তিমান’ মুকেশের দাবিতে বিতর্কের ঝড়