West Bengal Assembly Election

ভোটের রাতে গড়িয়ায় তাণ্ডব! বিজেপির পোলিং এজেন্টের অফিস-গাড়ি ভাঙচুর, থানায় ছুটলেন শর্বরী

পঞ্চসায়রে বিজেপি পোলিং এজেন্টের অফিসে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভেঙে চুরমার করা হয়েছে গাড়ির সামনের কাচ। খোলা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী শর্বরী মুখোপাধ্যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৯:০৫

options
link
ভোটের রাতে গড়িয়ায় তাণ্ডব! বিজেপির পোলিং এজেন্টের অফিস-গাড়ি ভাঙচুর, থানায় ছুটলেন শর্বরী
প্রতীকী ছবি।

ভোট (West Bengal Assembly Election) মিটতেই দফায় দফায় উত্তপ্ত কলকাতা। বেহালার পর এবার গড়িয়া। যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের পঞ্চসায়রে বিজেপি পোলিং এজেন্টের অফিসে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভেঙে চুরমার করা হয়েছে গাড়ির সামনের কাচ। খোলা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী শর্বরী মুখোপাধ্যায়।

Advertisement

বুধবার রাতের ঘটনা। কয়েক ঘণ্টা আগে সবে ভোট মিটেছে। কলকাতায় তখন অঝোরে বৃষ্টি। অভিযোগ, সেই সময়ই নাকি গড়িয়ার পঞ্চসায়রে ব্যাপক তাণ্ডব চালায় একদল দুষ্কৃতী। ১৫৩ নম্বর বুথের বিজেপি পোলিং এজেন্ট শান্তনু সরকারের অফিস ভাঙচুর করা হয়। তাঁর নির্মাণকারী সংস্থার অফিস থেকে সিসি ক্যামেরা খুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হয় শান্তনু সরকারের অফিসের সামনে রাখা গাড়ির কাচ।

Advertisement

খবর পেতেই ঘটনাস্থেল পৌঁছে যান যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী শর্বরী মুখোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, “তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই তাণ্ডব চালিয়েছে। আমাদের কাছে সিসি ফুটেজ আছে। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে না পারলে আমরা কড়া পদক্ষেপ নেব।” পালটা তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “সংবাদমাধ্যমে হাওয়া গরম করে লাভ নেই। ৪ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করুক বিজেপি।”

Advertisement

অন্যদিকে, বুধবার রাতে ভোট (West Bengal Assembly Election) পর্ব মিটে যাওয়ার পর বেহালা পশ্চিমের রবীন্দ্রনগরের রামকৃষ্ণ পল্লিতে দলের কার্যালয়ে বলেছিলেন তৃণমূল কর্মীরা। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী এসে ইট ও বাঁশ দিয়ে তাঁদের উপর হামলা চালায়। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে। পরিস্থিতির খবর পেয়ে এলাকায় আসেন ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা রাজ্য তৃণমূলের সাংগঠনিক সম্পাদক অঞ্জন দাস। তিনি এলাকায় আসতে আরও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অঞ্জনকেও ব্যাপক মারধর করা হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.