WB Assembly Election 2026

ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজেদের বিধানসভা ছাড়তে পারবেন না প্রার্থীরা! গতিবিধিতে কড়া কমিশন

পাশাপাশি কোনও রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বা গন্ডগোলের মধ্যে জড়ানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

Advertisement
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১৭:৪০

options
link
ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজেদের বিধানসভা ছাড়তে পারবেন না প্রার্থীরা! গতিবিধিতে কড়া কমিশন
নির্বাচনে সকাল ৬টা থেকে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজের বিধানসভা এলাকা থেকে বেরোতে পারবেন না কোনও প্রার্থীই।

এবার প্রার্থীদের গতিবিধিতে রাশ টানল নির্বাচন কমিশন! নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজের বিধানসভা এলাকা ছাড়তে পারবেন না প্রার্থীরা। প্রথম দফার নির্বাচনের (WB Assembly Election 2026) আগে এমনটাই নির্দেশিকা দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি কোনও রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বা গন্ডগোলের মধ্যে জড়ানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

Advertisement

কমিশন জানিয়েছে, আগামিকাল প্রথম দফা নির্বাচনে সকাল ৬টা থেকে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজের বিধানসভা এলাকা থেকে বেরোতে পারবেন না কোনও প্রার্থীই। অর্থাৎ ভোট চলাকালীন নিজের বিধানসভা এলাকাতেই থাকতে হবে সব প্রার্থীকেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ছাব্বিশের নির্বাচনী (WB Assembly Election 2026) যুদ্ধে একাধিক বেনজির পদক্ষেপ করছে নির্বাচন কমিশন। প্রচুর সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হোক কিংবা প্রশাসনিক সর্বোচ্চ স্তরে রদবদল। অথবা রাজ্যজুড়ে মদের দোকান বন্ধ থেকে বাইক চালানোয় নিষেধাজ্ঞা। এছাড়াও প্রশাসনিক কড়াকড়ি তো আছেই। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল প্রার্থীদের গতিবিধি। নির্দেশ অনুযায়ী, ভোট শেষ না হলে নিজের এলাকা ছাড়তে পারবেন না কোনও দলের প্রার্থী। 

Advertisement

উল্লেখ্য, মদের দোকান বন্ধ থাকা নিয়ে  কমিশনের অন্দরেই প্রশ্ন রয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে কার্যত বিষ্ময় প্রকাশ করেন খোদ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তাঁর দাবি, যে এলাকায় ভোট সেখানে মদের দোকান বন্ধ হওয়ার কথা। কিন্তু গোটা বাংলায় কেন বন্ধ করা হয়েছে তা তিনি জানেন না। ঘটনার দায় এক্সাইজ কমিশনারের কাঁধেই ঠেলেন মনোজ।

ঠিক কী বলেছেন মনোজ আগরওয়াল? তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশনের নিয়ম হল, যেখানে ভোট রয়েছে সেখানে ৪৮ ঘণ্টা আগে মদের দোকান বন্ধ করতে হবে। প্রথম দফায় ভোট গ্রহণ হবে ১৫২টি আসনে। সেখানে আজ থেকে মদের দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা।” এতেই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যে কেন বন্ধ করা হয়েছে মদের দোকান? একরাশ বিষ্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমিও তো এটা শুনে অবাক হচ্ছি। আমি এক্সাইজ কমিশনারকে জিজ্ঞেস করব কেন তিনি এই নির্দেশ জারি করেছেন?” অর্থাৎ তাঁর দাবি, এই নির্দেশ তাঁর নয়। যদিও নিয়ম অনুযায়ী এক্সাইজ কমিশনারের ক্ষমতা রয়েছে চাইলে যে কোনও এলাকায় মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.