গত বিধানসভা ভোটে বহু আসনে সিপিএমের সঙ্গে জোট করে তৃতীয় হতে হয়েছিল কংগ্রেসকে। সেই অবস্থার মুখে আবার যাতে না পড়তে হয় তার জন্য এবার ছাব্বিশের নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) অন্তত কঠিন লড়াই দিতে পারবে বাংলার এমন কিছু আসনে তারকা প্রার্থীদের টিকিট দিতে চাইছে এআইসিসি। আজ, মঙ্গলবার আরও এক দফায় দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম নিয়ে স্ক্রিনিং কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা। অঙ্কের হিসাব মোটামুটি মিলে গেলে আর এক-দু’দিনের মধ্যে প্রথম দফায় বাংলার ১০০ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করে দিতে পারে কংগ্রেস নেতৃত্ব।
আরও পড়ুন:
জানা যাচ্ছে, প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী, বর্তমান প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার, প্রাক্তন বিধায়ক নেপাল মাহাতো, প্রাক্তন সাংসদ মৌসম বেনজির নূর, প্রাক্তন বিধায়ক আলি ইমরান রামজ (ভিক্টর)রা প্রার্থী হচ্ছেন। এআইসিসি শুভঙ্কর সরকারকে মালদহের কোনও আসনে প্রার্থী করতে চাইছে।
যতদূর জানা যাচ্ছে, তাতে প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী, বর্তমান প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার, প্রাক্তন বিধায়ক নেপাল মাহাতো, প্রাক্তন সাংসদ মৌসম বেনজির নূর, প্রাক্তন বিধায়ক আলি ইমরান রামজ (ভিক্টর)রা প্রার্থী হচ্ছেন। প্রার্থী নিয়ে আলোচনায় সোমবারই অধীরকে দিল্লি ডেকে পাঠিয়েছে এআইসিসি। সূত্রের খবর, বহরমপুর আসন থেকে তিনি প্রার্থী হতে পারেন। অন্যদিকে, এআইসিসি শুভঙ্করকে মালদহের কোনও আসনে প্রার্থী করতে চাইছে। তবে দলের অনেকে তাঁকে তাঁর পুরনো আসন শ্রীরামপুরে প্রার্থী চেয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। মৌসম এবং তাঁর দিদি মালদহেরই কোনও আসন থেকে প্রার্থী হতে পারেন। ভিক্টর গোয়ালপোখর ও চাকুলিয়া – দুটি আসনেই নিজের মতো করে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। যদিও তাঁকে চাকুলিয়ায় প্রার্থী করতে পারে দিল্লি বলে শোনা যাচ্ছে। নেপাল মাহাতো তাঁর পুরনো পুরুলিয়া আসনেই প্রার্থী হতে পারেন। ছাত্র-যুবদের মধ্যে থেকে সংগঠনের বহু পুরনো সক্রিয় কর্মীকে প্রার্থী করতে পারে দল। তাঁদের প্রার্থী হতে উৎসাহ দিয়ে প্রদেশ সভাপতি নিজেই কথা বলেছেন। সেক্ষেত্রে ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভানেত্রী প্রিয়াঙ্কা চৌধুরীর নাম হাওড়ার কোনও আসনের জন্য চূড়ান্ত হতে পারে।
ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বর্তমানে দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়কে রাসবিহারীতে প্রার্থী করা হতে পারে। বর্ধমান, দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদে ছাত্র-যুবদের মধ্যে এমন অনেককেই প্রার্থী করা হচ্ছে বলে খবর। যুব সংগঠনের এখন কোনও সভাপতি নেই। চারজনকে নিয়ে একটি লিডারশিপ কমিটি করা আছে। তাঁদের মধ্যে দল কাউকে প্রার্থী করে কি না, তা নিয়ে চর্চা রয়েছে। আলাদা করে সেই চর্চা চলছে দিল্লির যুব সংগঠনের কমিটিতেও। দলের একটা অংশ শুরুতে সিপিএমের সঙ্গে জোট হতে পারে ভেবে বিভিন্ন কেন্দ্রে বিএলএ-২ হিসাবে দায়িত্ব নিয়ে নেমেছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকে প্রার্থী হতে চেয়ে ভিতরে ভিতরে প্রচারও শুরু করেছিলেন। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তাঁরা আর ভোট নিয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
গুরুত্ব বাড়ছে নতুন প্রজন্মের! এবার নন্দনে জেন জি চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন, কী বললেন ‘ইন্ডাস্ট্রি’?
-
ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ, ফের পাক প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি গাভাসকর, কপিল-সহ ২১ প্রাক্তন অধিনায়কের
-
আনন্দপুরে পরিচারিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা, ছুরির কোপ! ফিল্মি কায়দায় চলন্ত ট্রেন থেকে রাঁধুনীকে ধরল পুলিশ
-
বরফ কারখানার অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক! অসুস্থ শিশু-সহ কমপক্ষে ২৫, উত্তপ্ত হাড়োয়া
-
রাখিতে গেজেটপ্রেমী ভাই-বোনকে কী দেবেন ভাবছেন? রইল দারুণ গিফটের আইডিয়া