West Bengal Assembly Election

জেলাসদর ও মহকুমা স্তরে ভাগ গণনাকেন্দ্র, ইভিএম সুরক্ষায় দ্বিস্তরীয় ‘নিয়ন্ত্রণ’ কমিশনের

রাজ্যের বড় জেলাগুলির ক্ষেত্রে একাধিক কেন্দ্র রাখা হয়েছে। সব থেকে বেশি গণনাকেন্দ্র দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।

Advertisement
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ২১:০৪

link
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ২১:০৪

options
link
জেলাসদর ও মহকুমা স্তরে ভাগ গণনাকেন্দ্র, ইভিএম সুরক্ষায় দ্বিস্তরীয় ‘নিয়ন্ত্রণ’ কমিশনের zoom
প্রতীকী ছবি।

ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি প্রায় সারা! এবার ইভিএম সুরক্ষায় একাধিক পদক্ষেপ কমিশনের। রাজ্যজুড়ে ২৯৪টি আসনের জন্য ৮৭টি স্ট্রং রুম তৈরি করা হচ্ছে। গণনাকেন্দ্রগুলিকে জেলাসদর ও মহকুমা সদর এই দু’টি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। কলকাতার বিধানসভাগুলিকে উত্তর ও দক্ষিণ—এই দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি স্ট্রং রুমের নিরাপত্তায় থাকবে কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী। থাকবে ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি নজরদারি।

Advertisement

কমিশন সূত্রে খবর, ৪৪টি জেলাসদর ও ৪৩টি মহকুমা সদর—এই দুই স্তরে ভাগ করা হয়েছে গণনাকেন্দ্রগুলি। কলকাতার দক্ষিণের গণনাকেন্দ্র করা হয়েছে বাবাসাহেব আম্বেদকর শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়, বালিগঞ্জ সরকারি হাইস্কুল, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম ও সেন্ট থমাস বয়েজ স্কুল। উত্তর কলকাতার আসনগুলির গণনা হবে নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে। এছাড়াও আলিপুরের হেস্টিংস হাউস কমপ্লেক্সেও একাধিক কেন্দ্র রাখা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রাজ্যের বড় জেলাগুলির ক্ষেত্রে একাধিক কেন্দ্র রাখা হয়েছে। সব থেকে বেশি গণনাকেন্দ্র দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। যাদবপুরের এপিসি রায় পলিটেকনিক, ডায়মন্ডহারবার উইমেন্স বিশ্ববিদ্যালয়। কাকদ্বীপের সুন্দরবন মহাবিদ্যালয় ও জোকার ব্রতচারী বিদ্যাশ্রম-সহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গণনা কেন্দ্র হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

মুর্শিদাবাদের জন্য পাঁচটি গণনাকেন্দ্র করা হয়েছে। বহরমপুর গার্লস কলেজ, জঙ্গিপুর গভর্নমেন্ট পলিটেকনিক ও কান্দি রাজ কলেজে এই জেলার বিধানসভাগুলির গণনা হবে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরেও একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হবে ভোটগণনা। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের জন্য পৃথক গণনাকেন্দ্র করা হয়েছে।

গণনাকেন্দ্র কমিয়ে আনার পাশাপাশি নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে। স্ট্রং রুমে দ্বিস্তরীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রাখতে চলেছে কমিশন। স্ট্রং রুমে তালা দেওয়ার পর, একটি চাবি থাকবে জেলাশাসকের কাছে। অন্যটি থাকবে প্রার্থী বা তাঁদের জনপ্রতিনিধিদের কাছে। গণনা শুরুর আগে পর্যন্ত বাইরে নজরদারি রাখতে পারবেন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। বাইরে নিরাপত্তায় থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজদারি। থাকবে ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি নজরদারিও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement