West Bengal Assembly Election

কারা কারা ২১ এর ভোট হিংসায় অভিযুক্ত! ‘দাগী’ পুলিশ কর্তাদের তালিকা চাইল কমিশন

গত রবিবার বাংলায় আসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চ। সোমবার থেকে দফায় দফায় বৈঠক করেন আধিকারিকরা।

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ১৮:১৬

options
link
কারা কারা ২১ এর ভোট হিংসায় অভিযুক্ত! ‘দাগী’ পুলিশ কর্তাদের তালিকা চাইল কমিশন
আজই সংসদে জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে অনাস্থা বিরোধীদের। ফাইল ছবি।

এসআইআর পরবর্তী বাংলায় ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন হিংসামুক্ত করাই লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে সেকথা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এই প্রেক্ষাপটে ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসার জায়গায় কোন কোন ওসি এবং তাঁর ঊর্ধ্বতন অফিসাররা ছিলেন সেই তালিকা চাইল নির্বাচন কমিশন। আজ মঙ্গলবার মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চ। সেই বৈঠকে এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে কমিশন চেয়েছে বলে সূত্রের খবর। শুধু তাই নয়, ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসায় অভিযুক্ত অফিসারদের বিরুদ্ধে কী কোনও বিভাগীয় তদন্ত করা হয়েছে কিনা, তাও এদিন ডিজির কাছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানতে চেয়েছেন বলে খবর। 

Advertisement

গত রবিবার বাংলায় আসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চ। সোমবার থেকে দফায় দফায় বৈঠক করেন আধিকারিকরা। প্রথম দফায় রাজ্যের ২৩ জেলার জেলাশাসক, জেলা ও পুলিশ জেলার সুপার এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়। শাসক-বিরোধী-সহ রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। এমনকী আজ মঙ্গলবারও রাজ্য প্রশাসনের একাধিক কর্তার সঙ্গে কমিশনের বৈঠক হয়। বৈঠক হয় বিএলওদের সঙ্গেও। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। কমিশনের মতে, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলনামূলক সন্তোষজনক। এই পরিস্থিতিতে জ্ঞানেশের বার্তা, “পশ্চিমবঙ্গে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। কোনও উসকানি বরদাস্ত নয়।”

Advertisement

বলে রাখা ভালো, বাংলার ভোটে অশান্তি ঘটে না তা একেবারে বলা যাবে না। বোমাবাজি থেকে খুন – এমন নানা বড় ঘটনার সাক্ষী থাকে বহু জায়গা। বিশেষ করে একুশের নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। বিশেষত, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদহে একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটে। যদিও চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ছিল। ভোট কিংবা ভোট পরবর্তী হিংসায় একজনেরও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। ছাব্বিশের নির্বাচনে চব্বিশের সেই ধারা বজায় রাখতে তৎপর নির্বাচন কমিশন।

Advertisement

আর সে কারণেই ভোটের কাজে যুক্ত প্রত্যেক আধিকারিকদের একমাত্র কমিশনের নির্দেশমতো কাজ করার কথা বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। কোনও রাজনৈতিক দল কিংবা নেতার নির্দেশে কাজ করলে ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এছাড়া প্রত্যেক পুলিশ সুপারদের কোনও হিংসা দেখলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.