বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) কাটোয়ায় এবার সম্মুখ সমরে কাকা-ভাইপো। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা বিদায়ী বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবারেও লড়ছেন তৃণমূলের হয়ে। কাটোয়া কেন্দ্রে জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের ভাইপো। প্রার্থী হিসাবে তাঁর নাম ঘোষণার পর রণজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “কাকাকে কাকার দল প্রার্থী করেছে। আমাকে আমার দল প্রার্থী করেছেন। কাকা নিজের অবস্থান থেকে লড়বেন। আমি আমার অবস্থান থেকে লড়ব। এটা রাজনৈতিক লড়াই।”
এই বিষয়ে আরও খবর
কাটোয়া শহরের বারায়ারিতলার বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। রবীন্দ্রনাথবাবুরা চার ভাই। তার মধ্যে বড় এবং মেজো দু’জনে মারা গিয়েছেন। রবীন্দ্রনাথবাবুর মেজোদাদা অনন্ত চট্টোপাধ্যায়ের বড় ছেলে রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়। পৈতৃক বাড়িতেই আলাদা সংসারে থাকেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ও রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়। রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় আগে কংগ্রেসে ছিলেন। ২০১৫ সালে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। তারপর থেকেই তিনি কাটোয়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের হয়ে লড়ছেন। প্রথমে কংগ্রেস তারপর তৃণমূল কংগ্রেসে-কাটোয়া থেকে টানা ছ’বারের জন্য বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। বর্তমানে তিনি দলের জেলা সভাপতিও। তিনি বলেন, “এটা রাজনৈতিক লড়াই। এর সঙ্গে অন্য কোনও সম্পর্কের বিষয় কিছু নেই। আমি তৃণমূল প্রার্থী। তৃণমূলকে জেতানোর জন্যই লড়ব।”

অন্যদিকে কাকার হাত ধরেই রাজনীতিতে এসেছিলেন রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তবে রণজিৎবাবু কংগ্রেসেই থেকে যান। দলের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের পদে রয়েছেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে কাটোয়া থেকে প্রার্থী হিসাবে শুধুমাত্র তাঁরই নাম প্রদেশ নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হয়েছিল। ২০২২ সালে কাটোয়া পুরভোটে ৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচিত হয়েছিলেন রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি ছাড়া কংগ্রেসের আরও তিন কাউন্সিলর রয়েছেন। তবে রাজনৈতিক মহলের খবর কংগ্রেসের ওই তিন কাউন্সিলর এখন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেই ঘুরছেন।

রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, “আমাদের দলের কোনও কাউন্সিলর দল পরিবর্তন করেননি।” দলীয় সূত্রে খবর কাটোয়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়াই করার জন্য কংগ্রেসের উচ্চ নেতৃত্বের কাছে প্রথম থেকেই ইচ্ছাপ্রকাশ করে এসেছিলেন রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “কাটোয়া শহর জুড়ে পুরসভার উন্নয়নের নাম করে এবং বাড়ি তৈরি, জমি দখলের নাম করে যেভাবে তোলাবাজি চলছে তাতে মানুষ বীতশ্রদ্ধ। তাই মানুষ আমাদের ভোট দেবেন।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
কয়লা-বালি বন্ধ হতেই নতুন ‘ধান্দা’, এবার দেদারে জমির জল চুরি সালানপুরে!
-
একাধিক নারীসঙ্গ! বিয়ের আগে পাক্কা ‘প্লেবয়’, ফাঁস ‘রোমিও’ রামের কেচ্ছা
-
তথ্য প্রযুক্তি আইন লঙ্ঘন দিলজিতের! নিষিদ্ধ ‘সতলুজ’ পর্যালোচনায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন কেন্দ্রের
-
গৃহনির্মাণে এই ভুল করছেন না তো? বাস্তুর মারাত্মক গলদ ডেকে আনে মৃত্যুও!
-
বিপদের মেঘ কাটবে সংসারে, জুলাইয়ের কোন দু’দিন করবেন বিপত্তারিণী ব্রত?



