রবিবার বিকেল থেকে বঙ্গ রাজনীতির চর্চায় ঝালমুড়ি। নেপথ্যে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কারণ, তিনি সভা শেষে ঝাড়গ্রামে রাস্তার দোকান থেকে ঝালমুড়ি কিনে খেয়েছেন। তা নিয়ে দানা বেঁধেছে বিতর্কও। এই আবহে সোমবার কামারহাটি এলাকায় প্রচারের অংশ হিসেবে ঝালমুড়ি বিক্রি করলেন তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্র। দাপুটে নেতার হাতে তৈরি ঝালমুড়ি খেয়ে আপ্লুত স্থানীয়রা।
এই বিষয়ে আরও খবর

ব্যাপারটা ঠিক কী? হাতে আর বেশিদিন বাকি নেই। তাই ঝোড়ো প্রচার চালাচ্ছেন সব দলের প্রার্থীরাই। সোমবার সকালেও নিজের এলাকায় প্রচারে বের হন কামারহাটির দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা মদন মিত্র (Madan Mitra)। এদিন সকালে নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে অন্য মেজাজে ধরা দেন তিনি। বেলঘরিয়া স্টেশনে প্রচারের মাঝে ঝালমুড়ি বিক্রি করেন তিনি। স্টেশনে থাকা নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে স্কুল পড়ুয়াদের হাতে তা তুলেও দেন তিনি।
মোদির ঝালমুড়ি খাওয়া প্রসঙ্গে মদন বলেন, “মোদিজি আমাদের কাছে আশীর্বাদ। উনি যত মুড়ির দোকানে গিয়ে নাটক করবেন, আমরাও পরেরদিন থেকে মুড়ি খাব। উনি যে মুড়ি খেতে খেতে এত প্রতিশ্রুতি দিলেন, এসব তো আগেও বলেছে। আজ অবধি একটাও হয়েছে? তৃণমূল মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেয় না। আমরা যা বলি তা করি। মানুষ এবার জানুক যে মোদি কাল যেটা খেয়েছে ওটা ওনার থাবার না। ওটা নাটকের খাবার। উনি একবার মুখে দিয়ে ফেলে দিয়েছেন। উনি বাঙালিকে ঘেন্না করেন তা বঙ্কিম দা মন্তব্যেই স্পষ্ট। পরেরদিন দেখবেন কাবুলিওয়ালা সেজে। ভোটপ্রচারের শেষদিন আসবেন সুইপার হিসেবে। বাঙালি ওদের নোংরামি ধরে ফেলেছে।” মদনের কথায়, এভাবে বাঙালির মন পাবে না বিজেপি।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
চাপের মুখে ভারতের সাহায্য নিতে রাজি নেপাল, আটকে পড়া ভারতীয়দের হাল-হকিকত জানাল দিল্লি
-
‘মমতার অধঃপতন হয়েছে’, দল ছেড়ে প্রথম কর্মসূচিতেই তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা কাকলির
-
‘ককরোচ’-সহ পড়ুয়াদের আন্দোলনই ‘টার্নিং পয়েন্ট’, সিপিএমের প্লেনামে নতুন পথের হদিশ
-
চালকের অশ্লীল স্পর্শ! চলন্ত অটো থেকে লাফিয়ে সম্ভ্রম বাঁচালেন তরুণী
-
‘কেন এরকম করল?’ বিশ্বকাপ জিতিয়েও বাদ, বোর্ডের সিদ্ধান্তে অবসরের কথাও ভাবেন হতাশ সূর্য



