আগামী ২৯ তারিখ দ্বিতীয় দফায় ভোট দেবেন উত্তরপাড়ার বাসিন্দারা। শেষবেলার প্রচারে উত্তাপের পারদ চড়ছে। শনিবার এখানকার তৃণমূল প্রার্থী তথা শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে জোড়াপুকুর মাঠে জনসভা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর প্রচারসভা থেকে তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করেন। বলেন, ‘‘আমরা যারা উপরে বসে থাকি, তাদের চেয়ে বড় সম্পদ যারা নিচে বসে থাকে। আপনারা দেখেছেন, কল্যাণ কেমন ফাইট করে লোকসভায়। আমি যখন লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলাম তখন কল্যাণ ভালো কাজ করেছে। চিন্তা করবেন না। সকলের নাম উঠবে।’’
আরও পড়ুন:
মমতার বৈঠক শুরুর আগে জনসভায় প্রবেশ নিয়ে দর্শক মহলে উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশ এক এক করে সমর্থকদের প্রবেশ করানো নিয়ে দলনেত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তিনি বলেন, ‘‘এক-একজন করে ঢোকাচ্ছেন। আমার টাইমের দাম নেই বুঝি? আমার আরও মিটিং আছে। একটা দরজা খুলে দিন। সবাই চলে আসতে পারবেন।’’

এদিন মমতার বৈঠক শুরুর আগে জনসভায় প্রবেশ নিয়ে দর্শক মহলে উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশ এক এক করে সমর্থকদের প্রবেশ করানো নিয়ে দলনেত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তিনি বলেন, ‘‘এক-একজন করে ঢোকাচ্ছেন। আমার টাইমের দাম নেই বুঝি? আমার আরও মিটিং আছে। একটা দরজা খুলে দিন। সবাই চলে আসতে পারবেন।’’ এই সভা থেকে শীর্ষণ্য বাদে চন্দননগরের প্রার্থী তথা বিদায়ী মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকেও ভোটদানের আহ্বান জানান তৃণমূলনেত্রী। বলেন, ‘‘এই মাটিতে প্রবীরদার দৌলতে অনেক বার আসার সুযোগ হয়েছে। ও কোন্নগরের বিধায়কও ছিল। আমি এখান থেকে চন্দননগরের প্রার্থী গায়ক ইন্দ্রনীল সেনকে জেতানোর বার্তা দিচ্ছি। এখান থেকে রিষড়া, কোন্নগরের মানুষকে আমাদের প্রার্থীদের জেতানোর আহ্বান করছি। জয়রামবাটী থেকে মাহেশের রথ, উন্নয়নে কাজ করেছি। এখানে অনেক মন্দির-মসজিদ আছে।
এদিনের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমোদী-প্রমোদী বাবুদের বলছি, বছরে ২ কোটি চাকরি দিয়েছেন? আমরা চাকরি দিয়েছি। দেশে ৪০ শতাংশ বেকারি বেড়েছে। আর বাংলায় ৪০ শতাংশ বেকারি কমেছে। কোথাও যেতে হবে না, আপনি হাওড়া থেকে বর্ধমান একদিন ন্যাশনাল হাইওয়ে ধরে যান। দেখবেন চারদিকে শুধু ইন্ডাস্ট্রি, ইন্ডাস্ট্রি আর ইন্ডাস্ট্রি। হিন্দমোটর কারখানার ৪০ একর জমি নিয়ে আমরা মেট্রো কোচের ফ্যাক্টরি বানিয়েছি। আগামী দিনে অনেক লোকের ওখানে চাকরি হবে। আরও অনেক শিল্প হবে। ছ’টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর হচ্ছে। লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ আসছে।’’ বাঙালি আবেগ উসকে মমতা বলেন, ‘‘বাঙালি বাংলায় কথা বললে বাংলাদেশি। তোমাদের কী পরিচয় ভাই? কখনও ভাবি, ভাগ্যিস এখানে জন্মেছিলাম। না হলে আমাকেও বলে দিত অনুপ্রবেশকারী।’’
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
আসল তৃণমূল কারা? ২১ জুলাইয়ের আগেই ভাগ্য নির্ধারণের ডেডলাইন চূড়ান্ত করলেন স্পিকার
-
ট্রাম্পের রক্তচক্ষু ফেল, মার্কিন মুলুকে জয়ী ফুটবল! গ্রুপ পর্বেই বিশ্বকাপে সর্বকালীন রেকর্ড দর্শক
-
‘প্লিজ ইস্তফা দিন’, জন্মদিনে শিক্ষামন্ত্রীকে ‘উপহার’ ককরোচ পার্টির, ১৪ মৃত পড়ুয়ার তালিকা পাঠাল কংগ্রেস
-
গুগলের ৪ কোটির চাকরি ছেড়ে খোলেন রেস্তরাঁ, প্রাক্তন টেককর্মীর বর্তমান আয় জানলে চমকে যাবেন!
-
রুশ মাটিতে রবীন্দ্র-জয়যাত্রা, কবিগুরুর হাতে আঁকা ছবির প্রদর্শনী শুরু মস্কোয়