কালীঘাটপন্থীরা নাকি অধুনা এনসিপিআই সাংসদরা, লোকসভায় কারা আসল তৃণমূল? কাদের হাতে থাকবে দলের প্রতীক? নির্ধারণ করার দিনক্ষণ চূড়ান্ত করে ফেলেছেন স্পিকার ওম বিড়লা। সূত্রের খবর, সংসদের বাদল অধিবেশনের আগেই তৃণমূলের দুই শিবির এবং একই সঙ্গে শিব সেনার উদ্ধব শিবিরের সাংসদদের ভাঙন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন স্পিকার।
স্পিকারের সচিবালয় সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তৃণমূলের দুই পক্ষের বয়ান তিনি শুনেছেন। একদিকে যেমন কাকলিরা নিজেদের বক্তব্য জানিয়ে এসেছেন স্পিকারকে, অন্যদিকে তেমনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রাও নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন স্পিকারের সামনে। শিব সেনার বিদ্রোহী ৬ সাংসদ ও এবং উদ্ধব ঠাকরে, ওই দুই পক্ষের বক্তব্যও শুনেছেন।
আরও পড়ুন:
স্পিকারের সচিবালয় সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তৃণমূলের দুই পক্ষের বয়ান তিনি শুনেছেন। একদিকে যেমন কাকলিরা নিজেদের বক্তব্য জানিয়ে এসেছেন স্পিকারকে, অন্যদিকে তেমনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রাও নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন স্পিকারের সামনে। শিব সেনার বিদ্রোহী ৬ সাংসদ ও এবং উদ্ধব ঠাকরে, ওই দুই পক্ষের বক্তব্যও শুনেছেন। সূত্র বলছে, দুই ক্ষেত্রেই শুনানি সম্পন্ন। বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই দুটি বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নেওয়া হবে। এবং বাদল অধিবেশনের প্রথম দিন থেকেই লোকসভার নতুন আসন বিন্যাস জানিয়ে দেবেন ওম বিড়লা। ২০ জুলাই শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। তার আগেই তৃণমূলের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যাবে।
আসলে তৃণমূলের বিদ্রোহী ২০ জন সাংসদ নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়ার পর মনে করা হচ্ছিল, তৃণমূলের প্রতীক-নাম এবং সম্পত্তির আশা ত্যাগ করেছেন বিদ্রোহীরা। কিন্তু ওই যোগদানের পরও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এই দলের পরবর্তী কার্যক্রম কী হবে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকচিহ্ন, সম্পদ-সেগুলো নিয়ে কী পদক্ষেপ হবে, সেগুলো বিচার্য বিষয়। তবে আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বলছে, এগুলো সবই আদালতে নিষ্পত্তি হবে।” অর্থাৎ প্রতীক এবং দলের সম্পত্তির জন্য যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁরা আদালতে টেনে নিয়ে যাবেন, সেই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন সুদীপ। অন্যদিকে অভিষেকদের সাফ দাবি, ওই ২০ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা সাংসদ থাকার অধিকার হারিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন, সেদিকে নজর রয়েছে গোটা দেশের রাজনৈতিক মহলের।
একুশে জুলাই। তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য ঐতিহাসিকভাবে যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই সাংগঠনিকভাবেও। ক্ষমতায় থাকাকালীন ওই দিনটিকে প্রতি বছর নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ হিসাবে ব্যবহার করত জোড়াফুল শিবির। কিন্তু এ বছর! ক্ষমতা হারাতেই দলের ছন্নছাড়া দশা। কারা নতুন তৃণমূল, কারা আসল তৃণমূল, কারা ঋতব্রত পন্থী, কারা সংসদে বিদ্রোহী এবং সবশেষে কারা এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন, সব নিয়ে ধোঁয়াশা। এই পরিস্থিতিতে সংসদে স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন, সেটার উপর একুশে জুলাই কী হবে তাও অনেকাংশে নির্ভর করছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পরচুলা পরতেন বলেই খুন কেতন? ‘মোটিভ’ নিয়ে নয়া তত্ত্ব, মুখ খুললেন প্রয়াত তরুণের বাবা
-
বাংলার নতুন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘ম্যাট্রিক্স ওয়ান’, ক্লাসিক ছবি-সহ থাকছে একগুচ্ছ চমক
-
টাকা নিয়ে তারাতলার ত্রুটিযুক্ত প্ল্যান পাশ! মাথায় ‘ক্যামাক স্ট্রিটে’র হাত? পুলিশ হেফাজতে কালী
-
গ্রুপের শেষ ম্যাচে শুরু থেকে খেলবেন না মেসি! বিকল্প ভাবছেন কোচ স্কালোনি
-
‘অগ্নির সঙ্গে একদিন সিনেমা নিয়ে বসব’, পুরমন্ত্রীকে নিয়ে কোন পরিকল্পনার কথা জানালেন ঋতুপর্ণা?