বৃহস্পতিতে ব্যাক টু ব্যাক তিনটি জনসভা। হলদিয়া হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কপ্টার যখন আসানসোলের মাটি ছুঁল, তখন শিল্পশহরের আকাশে ‘মোদি, মোদি’ স্লোগান। আসানসোল-দুর্গাপুরের বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে এদিন প্রচারে কল্যাণেশ্বরীকে, ঘাঘড়বুড়ি চণ্ডীমাতাকে প্রণাম করে মোদির (Narendra Modi) বক্তব্য শুরু হলেও শেষ হল তৃণমূলের বিরুদ্ধে চড়া হুঙ্কারে। এদিন আসানসোলে দাঁড়িয়ে মাফিয়ারাজের বিরুদ্ধে চড়া সুর চড়ান মোদি। তিনি বলেন, “তৃণমূলের পাপের ঘড়া পূর্ণ করা হয়েছে। মাফিয়ারাজের মেলা ও কাটমানির খেলা আর চলবে না।”
এই বিষয়ে আরও খবর
বাংলায় পরিবর্তনের ‘তাজা হাওয়া’র বাহক নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) দাবি করেন, “বাংলার উন্নয়নের স্বার্থে তৃণমূলের বিদায় দরকার। আসানসোলবাসী খুব ভালো করে জানেন, বিকাশে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল। কয়লা কারবারে সিন্ডিকেট রাজ চালাচ্ছে বাংলার শাসকদল। কয়লা মাফিয়া, বালি মাফিয়ারা এই এলাকার বোঝা।” তৃণমূলকে সরাসরি তোপ দেগে মোদি বলেন, “গোটা দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তৃণমূল তখন বাংলাকে পেছনের দিকে ঠেলছে।” তাঁর অভিযোগ, “বাংলার আয় ১০০ শতাংশের ১২ শতাংশ থেকে আজ ৫ শতাংশে নেমে এসেছে কংগ্রেস, বাম ও তৃণমূলের কুশাসনে। বাংলার সাধারণ মানুষের হক লুট করে শাসকদলের মন্ত্রীদের বড় বড় বাংলো তৈরি হচ্ছে। আসানসোলের কয়লা অঞ্চল আজ সিন্ডিকেটের কবজায়। এই লুটেরাদের হিসাব এবার জনতা নেবে।”
মোদির বক্তব্যে এদিন উঠে আসে মালদহের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “ভয়ের বাতাবরণ প্রথমে তৈরি করেছিল সিপিএম। এবার তৃণমূলও সেটাই করছে। মালদহে যা হল, তৃণমূল বিরাট ভুল করেছে। সিআরপিএফকে গালিগালাজ করছে। মানুষই এর জবাব হবে। বাংলায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা আর কেউ আটকাতে পারবে না। বাংলায় মোদি বললেন, “মাফিয়াদের মেলা আর কাটমানির খেলা চলবে না।” আসানসোলে দাঁড়িয়ে মোদির হুঙ্কার, “সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা হিসাব। ৪ মে’র পর সব গুন্ডামির বেছে বেছে হিসাব নেওয়া হবে।” আসানসোলের জনসভা থেকে হুঙ্কার মোদির।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
বান্ধবীর বাবার ‘যৌন লালসা’র শিকার তরুণী, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত
-
গুলির অবস্থান জানতে ডিজিটাল এক্স রে, ৩ সদস্যের নজরদারিতে বারুইপুরের প্রভাসের ময়নাতদন্ত
-
ভারতীয়দের বিপদ বাড়ছে? এইচ ১বি দুর্নীতিতে ট্রাম্পের ‘সন্দেহভাজন’ তালিকায় কগনিজ্যান্ট!
-
কোথায় হতে পারে ২১ জুলাই পালন? বিকল্প জায়গা জানাতে রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে ঋতব্রত শিবির
-
হরমুজে জাহাজ চলতে দেওয়া হোক, ট্রাম্পের ‘ভয়ংকর হামলা’র পরই সংযত থাকার বার্তা ভারতের



