আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বাচন (West Bengal Assembly Election) বাংলায়। ভোট রয়েছে কলকাতা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসনে। ফলে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনকে নিয়ে বিশেষভাবে সতর্ক কমিশন। আরও জোরদার করা হচ্ছে নিরাপত্তাবলয়। এই মর্মে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে লালবাজারের তরফে। আর সেই নির্দেশিকা অনুসারে আগামী ২৯ এপ্রিল অর্থাৎ দ্বিতীয়দফায় মোতায়েন করা হচ্ছে মোট ৩৮,২৯৭ জন পুলিশকর্মীকে। শুধু রাজ্য পুলিশ নয়, থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। কমিশন সূত্রে খবর, প্রায় আড়াই হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে মোতায়েন থাকবে।
এই বিষয়ে আরও খবর
জেলার অন্যান্য জায়গাগুলিতে কীভাবে কোথায় বাহিনীকে মোতায়েন করা হবে, সেই রূপরেখাও দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, বারাসত, বারাকপুর, বারুইপুর, ডায়মন্ড হারবার, সুন্দরবন, হাওড়া রুরাল, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, হুগলি রুরাল, পূর্ব বর্ধমান-সহ একাধিক জেলায় বিপুল এই বাহিনীকে মোতায়েন করা হবে। এছাড়াও বিধাননগর, হাওড়া ও চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট এবং আসানসোল-দুর্গাপুর এলাকাগুলিকে কেন্দ্র করেও রাজ্য পুলিশের নিরাপত্তাবলয় থাকবে বলে জানানো হয়েছে। তবে সবথেকে বেশি বাহিনী থাকবে কলকাতায়। থাকবে ৭,২৪১ জন। মূলত এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি স্পর্শকাতর বুথগুলিতেও নজরদারি পরিকল্পনা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগামী ২৪ এপ্রিল থেকেই ধাপে ধাপে বাহিনী নির্দিষ্ট এলাকাগুলিতে পৌঁছে যাবে। তবে ভোটের আগে অর্থাৎ ২৬ এপ্রিলের মধ্যেই তা সম্পূর্ণ করে ফেলতে হবে স্পষ্ট বার্তা। শুধু তাই নয়, প্রতিটি জেলায় একজন করে নোডাল অফিসার নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যিনি গোটা ব্যবস্থাপনা তদারকি করবেন। লালবাজার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বাহিনী মোতায়েনের ক্ষেত্রে কোথাও কোনও ঘাটতি বরদাস্ত করা হবে না।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
চাপের মুখে ভারতের সাহায্য নিতে রাজি নেপাল, আটকে পড়া ভারতীয়দের হাল-হকিকত জানাল দিল্লি
-
‘মমতার অধঃপতন হয়েছে’, দল ছেড়ে প্রথম কর্মসূচিতেই তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা কাকলির
-
‘ককরোচ’-সহ পড়ুয়াদের আন্দোলনই ‘টার্নিং পয়েন্ট’, সিপিএমের প্লেনামে নতুন পথের হদিশ
-
চালকের অশ্লীল স্পর্শ! চলন্ত অটো থেকে লাফিয়ে সম্ভ্রম বাঁচালেন তরুণী
-
‘কেন এরকম করল?’ বিশ্বকাপ জিতিয়েও বাদ, বোর্ডের সিদ্ধান্তে অবসরের কথাও ভাবেন হতাশ সূর্য



