West Bengal Assembly Election

বার্নল-বোরোলিন বিতর্কে সিইওকে চিঠি, কলকাতা দক্ষিণের ডিইওকে অপসারণের দাবি তৃণমূলের

পাশাপাশি অফিসার বিরুদ্ধে আর্দশ আচরণ বিধি লঙ্ঘন ও ফৌজিদারি আইন অনুযায়ী, ভীতি প্রদর্শন ও অযাচিত প্রভাব খাটানোর অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের শাসকদল।

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ২৩:৫৭

options
link
বার্নল-বোরোলিন বিতর্কে সিইওকে চিঠি, কলকাতা দক্ষিণের ডিইওকে অপসারণের দাবি তৃণমূলের

‘নিজেদের সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে বার্নল ও বোরোলিন মজুত রাখুন।’ পোস্ট করা হয় দক্ষিণ কলকাতা ডিইও অফিসের ফেসবুক প্রোফাইলে। যা নিয়ে উত্তাল ভোটের বাংলা। এই আবহে কলকাতা দক্ষিণ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি তুলে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালকে চিঠি লিখল তৃণমূল। পাশাপাশি অফিসার বিরুদ্ধে আর্দশ আচরণ বিধি লঙ্ঘন ও ফৌজিদারি আইন অনুযায়ী, ভীতি প্রদর্শন ও অযাচিত প্রভাব খাটানোর অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের শাসকদল। সঙ্গে সকল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষভাবে কাজ করার নির্দেশ জারি করার কথাও বলেছে তৃণমূল।

Advertisement

সিইওকে লেখা চিঠিতে তৃণমূল ওই বিতর্কিত পোস্টের ছবি (স্ক্রিনশট) তুলে ধরে অভিযোগ করেছে, ডিইও কলকাতা (দক্ষিণ)-এর ফেসবুক হ্যান্ডেল থেকে আপত্তিকর একটি পোস্ট করা হয়। অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটদানে উৎসাহিত করার দাবি করে পোস্টটি করা হয়েছে। কিন্তু ওই পোস্টে এমন ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে যা হুমকিমূলক। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা একটি সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের এই পোস্ট অসংবিধানিক। আরও দাবি, এটি প্রচ্ছন্ন হুমকির শামিল। পোস্টটিতে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে।

Advertisement

তৃণমূলের আরও অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ধারা ১২৩(২)-এর আওতায় বলা হয়েছে, যে কোনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ হস্তক্ষেপ বা হস্তক্ষেপের চেষ্টা দুর্নীতিমূলক কাজ হিসেবে মানা হবে। সেই পোস্টটিও সেই নিয়ম লঙ্ঘন করছে। এই অভিযোগ তুলে অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সোশাল মিডিয়া থেকে বিতর্কিত পোস্টটি অবিলম্বে অপসারণের দাবি তুলেছে রাজ্যের শাসকদল।

Advertisement

উল্লেখ্য, ১২ এপ্রিল দক্ষিণ কলকাতার ডিইও অফিসের ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে লেখা  হয়, ‘সকল মা, বোন ও ভাইদের নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান করা হচ্ছে। যদিও কিছু লোক এতে জ্বলতে পারে। গুণ্ডা, অপরাধীরা সাবধান। নিজেদের সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে বার্নল ও বোরোলিন মজুত রাখুন। না হলে উত্তাপ এতটাই বাড়বে যে আপনারা পুড়ে যাবেন।’ এই ইস্যুতেই মঙ্গলবার একেবারে রণংদেহি মেজাজে ধরা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, পালটা আইসক্রিম দেওয়ার বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে। কমিশন এবং বিজেপিকে বিঁধে তাঁর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, “ভয় কাদের দেখাচ্ছেন? যারা বলছে, বার্নল দিয়ে পুড়িয়ে দেব, তাদের বলুন তোমাদের জন্য আমাদের বার্নল নয়, আইসক্রিম দেব।” তারপরই বার্নল ও বোরোলিন বিতর্কে ডিইও-র অপসারণ দাবি করে কমিশনকে চিঠি দিল তৃণমূল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.