বঙ্গে পালাবদল
PM Modi

বাংলা বললেই বাংলাদেশি? মাছ মাংসে ‘না’, দিল্লি থেকে বিজয়বার্তায় জবাব দিলেন মোদি

মোদি জানান, তৃণমূল ভাঙার রাজনীতি করছে। কখনও ভাষা নিয়ে বিবাদ, কখনও আবার খাদ্যাভাষ নিয়ে সমাজকে বিভাজনের চেষ্টা করা হয়েছে। আবার কখনও নিজের দেশের মানুষকেই 'বহিরাগত' বলে দাগিয়ে দিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০২৬, ২১:৫৫

options
link
বাংলা বললেই বাংলাদেশি? মাছ মাংসে ‘না’, দিল্লি থেকে বিজয়বার্তায় জবাব দিলেন মোদি
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বিভাজনের রাজনীতির কারণে বাংলায় ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূল সরকারের, দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে বিজয়বার্তা দেওয়ার সময় একথাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুধু বাংলা নয়, তামিলনাড়ু এবং কেরলেও সরকারের পতনের কারণ হিসেবে বিভাজনের রাজনীতিকেই দায়ী করেছেন তিনি। মোদি জানান, তৃণমূল ভাঙার রাজনীতি করছে। কখনও ভাষা নিয়ে বিবাদ, কখনও আবার খাদ্যাভাস নিয়ে সমাজকে বিভাজনের চেষ্টা করা হয়েছে। আবার কখনও নিজের দেশের মানুষকেই ‘বহিরাগত’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই বিভাজনের জন্যই বাংলা, কেরল ও তামিলনাড়ুতে সরকারের পতন হয়েছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement

মোদির কথায়, “এই বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে সাফ জবাব দিয়েছে জনতা। মানুষ জানিয়ে দিয়েছে, বিবাদ নয় বিকাশ চাই। বিভাজন নয়, বিশ্বাস চাই।” বিজয়বার্তায় মোদি আরও বলেন, আজকের ভারত প্রগতি চায়, স্থিরতা চায়। ভারত চায় এমন রাজনীতি যা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

Advertisement

ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে বাঙালি অস্মিতা, বহিরাগত ও খাদ্যাভাস নিয়ে বিজেপিকে কোণঠাসা করেছিল তৃণমূল। বিজেপি শাসিত রাজ্যে একাধিক বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিককে হেনস্তার ঘটনাকে সামনে রেখে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচারে নেমেছিল তারা। প্রথম থেকেই বিজেপি নেতাদের ‘বহিরাগত’ বলে আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পাশাপাশি বিজেপিকে আমিষ-বিরোধী বলেও প্রচারে নেমেছিল তারা। এই তিন ইস্যুতেই বিজয়বার্তায় জবাব দিলেন মোদি। এই বিভাজনের রাজনীতির কারণেই পশ্চিমবঙ্গ, কেরল ও তামিলনাড়ুতে সরকারের ভরাডুবি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।  

Advertisement

রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাছ, মাংস খাওয়া বন্ধ করিয়ে দেবে বলে প্রচারে সরব হয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু সেই দাবি কার্যত অস্বীকার করে প্রচারে একের পর এক বিজেপি প্রার্থীদের মাছ নিয়ে প্রচার করতে দেখা যায়। এমনকী আমিষ-বিরোধী তকমা ঘোচাতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকেও বাংলায় এসে মাছ খেতে দেখা যায়। প্রচারের শেষ পর্বে ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে পুজো দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই মন্দিরের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, এখানে আমিষ ভোগ নিবেদন করা হয়। ভোটের আগে এই প্রচার খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.