Qatar

১২ ভারতীয়-সহ ১৩ জনের মৃত্যু, কাতার গ্যাস প্লান্ট বিস্ফোরণে আহত আরও ৬৬, শোকবার্তা দূতাবাসের

এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৬৬ জন। তাঁদের বেশিরভাগই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ০৮:৫৪

options
link
১২ ভারতীয়-সহ ১৩ জনের মৃত্যু, কাতার গ্যাস প্লান্ট বিস্ফোরণে আহত আরও ৬৬, শোকবার্তা দূতাবাসের
ভয়ংকর বিস্ফোরণের পর জ্বলছে কাতারের গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র।

কাতারের জ্বালানি গ্যাসের প্লান্টে বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের, তার মধ্যে ১২ জনই ভারতীয়। মঙ্গলবার এই তথ্য প্রকাশ্যে আনত কাতারের দোহায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস। শুধু তাই নয়, এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৬৬ জন। তাঁদের বেশিরভাগই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানা গিয়েছে।

Advertisement

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ চলাকালীন গত মার্চ মাসে রাস লাফানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান। কাতার তো বটেই বিশ্বের অন্যতম বড় এই গ্যাস প্লান্টে হামলার ঘটনায় ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয় বিশ্বের গ্যাস সরবরাহ। হরমুজ খোলার পর নতুন করে এই প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন ও রপ্তানি কেন্দ্র সারাইয়ের কাজ চলছিল। রবিবার সেই কাজ চলাকালীন হঠাৎ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কাতারের শক্তি মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বিস্ফোরণটি ঘটেছে শিল্প নগরী রাস লাফানের বারজান গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে, যা দেশের প্রধান এলএনজি উৎপাদন ও রপ্তানি কেন্দ্র। প্রশাসনের দাবি, যান্ত্রিক ত্রুটির জেরেই মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা। কেন এই ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

কাতারের শক্তি মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বিস্ফোরণটি ঘটেছে শিল্প নগরী রাস লাফানের বারজান গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে, যা দেশের প্রধান এলএনজি উৎপাদন ও রপ্তানি কেন্দ্র।

দুর্ঘটনার পর মঙ্গলবার শোকপ্রকাশ করেছে দোহায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে দূতাবাস লিখেছে, কাতার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করা হচ্ছে। এক্স হ্যান্ডেলে দূতাবাস লিখেছে, ‘গত রাতে রাস লাফান শিল্পনগরীতে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’ পাশাপাশি আর একটি পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয় নাগরিক ও তাঁদের পরিবারকে সম্ভাব্য সব রকম সাহায্যের জন্য কাতার প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। নিহতদের পরিবারের দেহ যাতে দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তার জন্য যথাসম্ভব পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

Advertisement

এদিকে কাতার প্রশাসনের তরফে জানা যাচ্ছে, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে রাস লাফান থেকে ৭০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে মধ্য দোহা কেঁপে উঠেছিল। বিস্ফোরণের জেরে জানালা কেঁপে ওঠে। স্বাভাবিকভাবেই বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ঘটনার জেরে কোনও পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি হয়নি। এটি নিছকই দুর্ঘটনা ছিল। জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে প্ল্যান্টের উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছিল, মাত্র দুই দিন আগে তা আবার চালু করা হয়। এরপরই এই ঘটনা ঘটে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.