সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ যেন ঠিক কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ খুঁজে পাওয়ার ঘটনা। এর আগে অনেকবার বিভিন্ন জায়গায় শোনা গিয়েছে বাড়ির মাটি খুঁড়তে গিয়ে পাওয়া গেছে একটি আস্ত জ্যান্ত সাপ। কিন্ত তাই বলে বাড়ির বেসমেন্টে পাওয়া যাবে একটা জ্যান্ত কুমির – ঘটনাটা অলৌকিক বলে মনে হলেও এটাই সত্যি।
রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে এরকমই একটা ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ান পুলিশ। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাঁরা এক জনৈক ব্যক্তির বাড়িতে হঠাৎ হানা দেন। কারণ তাঁরা জানতে পেরেছিল ওই ব্যক্তির কাছে বাড়িতে লুকানো বেআইনি প্রচুর অস্ত্র রয়েছে।
[দমকলকর্মীর হেলমেটের মধ্যে লুকিয়ে বিষধর সাপ, ভাইরাল ভিডিও]
এরপরই ঘটে সেই ঘটনা, ওই ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে তাঁরা অস্ত্র খোঁজাখুজি শুরু করেন এবং একসময় খুঁজতে খুঁজতে সেই বাড়ির বেসমেন্টে পৌঁছন এবং সেখানেই তাদের জন্য অপেক্ষা করেছিল আসল চমক। ওখানে তাঁরা দেখতে পান, বাড়ির মধ্যেই রয়েছে একটি কাদাজলে ভরা ডোবা, আর সেই ডোবার মধ্যে রয়েছে একটি আস্ত জ্যান্ত কুমির। যে জায়গায় ওই ডোবাটি রয়েছে সেই অংশটা যাতে কারওর চোখে না পড়ে সেই জন্য নাকি সেখানে আলোর ব্যবস্থাও করা হয়নি।

আশেপাশের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, কুমিরটি নাকি ২০০৫ সাল থেকেই ওই বাড়ির বেসমেন্টে রয়েছে। কুমিরটিকে যখন আনা হয়েছিল তখন নাকি সেটা আকারেও অনেক ছোট ছিল। কিন্ত যত সময় গিয়েছে ততই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে কুমিরটির আকার। এখন কুমিরটি ২ মিটার লম্বা একটি পূর্ণবয়স্ক জীব। আঞ্চলিক বনদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রজাতির কুমির একমাত্র নীল নদের জলেই দেখতে পাওয়া যায়।
[গুপ্তধন-সহ সন্ধান মিলল বিশ্বের দীর্ঘতম গুহার, জানেন কোথায়?]
তাই আপাতত রাশিয়ান পুলিশ অস্ত্র খোঁজা বন্ধ রেখে কুমিরটির রক্ষনাবেক্ষণ এবং থাকার ব্যবস্থা করতেই ব্যস্ত। যে ব্যক্তির বাড়ি থেকে ওই কুমিরটি পাওয়া গিয়েছে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
এবার অক্ষয় কুমারের নায়িকা রুক্মিণী, ‘দেশু’ উন্মাদনার মাঝেই বলিউডে বড় ধামাকা ‘বিনোদিনী’র
-
ইমামের চোট নাটকের পর বাবরের জ্বর, প্রাক্তন পাক তারকার খোঁচা, ‘এবার ইনজামামদের পাঠাব?’
-
এক লিও অবসরে, অন্য লিও কি সেই পথে? চিন্তায় আর্জেন্টিনার ফুটবল মহল
-
ওভেন নেই তো কী হয়েছে? কুকারেই তৈরি হবে মনের মতন কুকিজ, জেনে নিন পদ্ধতি
-
জোটেনি মাথার উপর ছাদটুকু! একবছর ধরে অন্যের বাড়িতে ধনকড়, কেন এই দুর্দশা প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির?