Galwan Clash

ভারতীয় জওয়ানের তাড়া খেয়ে গালওয়ানে জলে ডুবে মৃত্যু হয় ৩৮ চিনা সেনার, দাবি রিপোর্টে

২০২০ সালের ভারত-চিন সেই সংঘর্ষের পর থেকেই উত্তপ্ত পূর্ব লাদাখ সীমান্ত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২২, ১৪:৩২

options
link
ভারতীয় জওয়ানের তাড়া খেয়ে গালওয়ানে জলে ডুবে মৃত্যু হয় ৩৮ চিনা সেনার, দাবি রিপোর্টে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিডাল ডেস্ক: ১৫ জুন, ২০২০। পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় (Galwan Valley) সংঘর্ষে জড়িয়ে ছিল ভারত ও চিন (China)। গালওয়ান সীমান্তের ওই সংঘর্ষে শহিদ হন ২০ জন ভারতীয় সেনা। মৃত্যু হয় বহু চিনা সেনারও। যদিও বেজিং তাদের তরফে সামান্য সংখ্যক সেনার মৃত্যুর কথাই জানিয়ে এসেছে বরাবর। সেদিনের সংঘর্ষ নিয়ে এবার চাঞ্চল্যকর দাবি করল অস্ট্রেলিয়ার একটি সংবাদপত্র। ‘দ্য ক্ল্যাক্সন’ (The Klaxon) নামের ওই সংবাদপত্রের দাবি, সেদিন গভীর রাতের সংঘর্ষে ৩৮ জন চিনা সেনার মৃত্যু হয়েছিল গালওয়ান নদীর বরফ শীতল জলে ডুবে। সংঘর্ষে মোট ৪২ জন চিনা সেনার মৃত্যু হয়।

Advertisement

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে চিন জানিয়েছিল, তাদের তরফে চার জন সেনার মৃত্যু হয়েছে গালওয়ানে। ওই চারজনকে মরণোত্তর সামরিক সম্মানও দেয় বেজিং। যদিও মনে করা হয়, গালওয়ান সীমান্তের সংঘর্ষে অনেক বেশি চিন সেনার মৃত্যু হয়েছিল। যা কুটনৈতিক কারণে প্রকাশ্যে আনা হয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ইউক্রেনকে ব্যবহার করে রাশিয়াকে যুদ্ধে জড়াতে চাইছে আমেরিকা! তোপ পুতিনের]

অস্ট্রেলিয়ান ‘দ্য ক্ল্যাক্সন’ সংবাদপত্রের রিপোর্ট বলছে, সংঘর্ষের রাতে ভারতীয় সেনার তাড়া খেয়ে পালানোর সময় গালওয়ান নদীতে ডুবে মৃত্যু হয়েছিল ৩৮ জন চিনা সেনার। ২০২০ সালের ১৫ জুন সংঘর্ষ শুরু হয় একটি অস্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ ঘিরে। পালটা সীমান্তে ‘বাফার জোন’ নির্মাণের কাজ শুর করে চিন। ৬ জুন ৮০ জন পিএলএ (PLA) সৈন্য ভারতের নির্মিত সেতুটি ভেঙে ফেলতে আসে। যদিও সেই সময় আলোচনার মাধ্যমে একরকম সমাধান হয়। ঠিক হয় ‘বাফার জোন’ অতিক্রম করে চিনা সেনা ফিরে যাবে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি রাখেনি চিন।

Advertisement

উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ১৫ জুন বিতর্কিত এলাকা পরিদর্শন করতে যান কর্নেল সন্তোষবাবু ও তাঁর দল। যেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিল কর্নেল কি ফ্যাবাওয়ের নেতৃত্বে চিনা সেনা। ‘দ্য ক্ল্যাক্সন’-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, আচমকাই ফ্যাবাওয়ে ভারতীয় সেনাকে আক্রমণের নির্দেশ দেয় নিজের ফৌজকে। সঙ্গে সঙ্গে ফ্যাবাওয়েকে আটক করে ভারতীয় সেনা। কর্নেলকে বাঁচাতে পিএলএ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার চেন হংজুন এবং সৈনিক চেন জিয়াংরং ভারতীয় সেনার সঙ্গে সংঘাতে জড়ান। এই সময়েই স্টিলের পাইপ, কাঁটা লাগানো লাঠি দিয়ে ভারতীয় জওয়ানদের উপরে হামলা চালায় চিনা সেনা। যদিও এই সংঘর্ষে তিন জন চিনা সেনারও মৃত্যু হয় বলে দাবি করেছে ‘দ্য ক্ল্যাক্সন’ রিপোর্ট।

[আরও পড়ুন: ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ, ইউক্রেন সীমান্তে গোলা বারুদ মোতায়েন করছে রাশিয়া-আমেরিকা]

এই সময়েই ভারতীয় সেনার পালটা আক্রমণের মুখে পিছু হটে চিনা সেনা। এমনকি তারা পালাতে বাধ্য হয়। পালানোর সময় চিনা সেনা শীতবস্ত্রটুকু পরারও সময় পায়নি। যদিও নিজদের এলাকায় ফিরতে অন্ধকার রাতে বরফ শীতল জলের নদীতে ঝাপিয়ে পড়তে বাধ্য হয় তারা। সেই সময়েই গালওয়ান নদীতে ডুবে মৃত্যু হয় বহু চিনা সেনার। অনেকেরই মৃত্যু হয় তীব্র ঠান্ডায়। সব মিলিয়ে ৪২ জন চিনা সেনার মৃত্যু হয়। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন