Indonesia

ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, জারি সুনামি সতর্কতা

মঙ্গলবার সাতসকালের ভূমিকম্পে আতঙ্কের ছায়া এলাকায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৪, ২০২১, ১০:৩১

options
link
ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, জারি সুনামি সতর্কতা
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জোরাল ভূমিকম্প (Earthquake) ইন্দোনেশিয়ায় (Indonesia)। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৩। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সংস্থা USGS পর্যবেক্ষকরা ভূমিকম্পের পরে বিপজ্জনক সুনামির আশঙ্কা করছেন। ফলে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, স্থানীয় সময় ১০টা ২০ মিনিটে আচমকাই কেঁপে ওঠে মাটি। ভূমিকম্পের প্রাবল্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মওমেরে শহর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তরে মাটির ১৮.৫ কিলোমিটার গভীরে। এই পরিস্থিতিতে প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানিয়েছে, ওই উৎসস্থলের ১ হাজার কিলোমিটার উপকূল জুড়ে সুনামির বিপজ্জনক ঢেউয়ের দেখা মিলতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: Omicron: বিশ্বে প্রথম ‘ওমিক্রন’ আক্রান্তের মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ]

কতটা ক্ষতিকর ছিল ভূমিকম্প? সেবিষয়ে অবশ্য ইউএসজিএস জানিয়েছে, এই কম্পনে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কমই। এই এলাকায় সম্প্রতি যা ভূমিকম্প হয়েছে, তাতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ক্ষয়ক্ষতিতে আসল ভূমিকা ছিল ভূমিকম্প-পরবর্তী সুনামি ও ভূমিধসের। আর এবার যেহেতু সুনামির আশঙ্কা রয়েছে তাই আশঙ্কা বাড়ছে।

Advertisement

আসলে ইন্দোনেশিয়ার অবস্থান প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা অঞ্চলে, যেখানে এমনিতেই জিওটেকটনিক শক্তির প্রাবল্য রয়েছে। শুধু তাই নয়। ইন্দোনেশিয়ার বিস্তার দুটি মহাদেশীয় পাত (ইউরেশিয়ান এবং অস্ট্রেলিয়ান প্লেট) এবং দুটি মহাসাগরীয়(ফিলিপিন্স সি ও প্যাসিফিক প্লেট) এর মধ্যবর্তী অংশে। কিন্তু ইউরেশিয়ান পাতের নিচে ভারত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সরণ ও নিমজ্জিত হওয়ার ফলে বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় পরিণত হয়েছে ইন্দোনেশিয়া।

[আরও পড়ুন: খরচ সামলাতে ট্যাক্সিও চালিয়েছেন পুতিন! তথ্যচিত্রে জানালেন রুশ প্রেসিডেন্ট]

গোটা প্রশান্ত মহাসাগরীয় মেখলা অঞ্চলে সবথেকে বেশি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি আছে এ দেশেই। সরল অর্থে বুঝিয়ে বললে, এ দেশ কার্যতই বসে রয়েছে এক তপ্ত আগ্নেয় উনুনের উপর। যার ফলে কম্পন হোক বা অগ্ন্যুৎপাত, প্লাবন, ভূমিধস হোক বা সুনামি- সামান্যতম শক্তির হেরফের ঘটলেই হতে পারে কোনও না কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয়। বছরের পর বছর যার পুনরাবৃত্তি হয়েই চলেছে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশে। এই পরিস্থিতিতে সুনামি সতর্কতা ঘিরে ফের ঘনাচ্ছে আতঙ্ক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন