নিখোঁজ শিশুদের মানববোমা হিসাবে ব্যবহার করছে নাইজেরিয়ার জঙ্গিরা

শুনলে আঁতকে উঠবেন আপনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০১৯, ১২:০৩

options
link
নিখোঁজ শিশুদের মানববোমা হিসাবে ব্যবহার করছে নাইজেরিয়ার জঙ্গিরা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৮৩ জন শিশুকে মানববোমা বানিয়ে ব্যবহার করেছে বোকো হারাম। ইউনিসেফের দেওয়া তথ্যে উঠে এসেছে এমনই ভয়ঙ্কর চিত্র। নাইজেরিয়ার জঙ্গি সংগঠন বোকো হারামের হাতে শিশু-কিশোরদের অপহৃত হওয়ার ঘটনা, বাড়ছে ক্রমশ। অপহৃত শিশুদের প্ররোচিত করা হচ্ছে জঙ্গি হামলায়। ২০১৬ সালে অপহরণের শিকার হয়েছিল ১৯ জন শিশু-কিশোর।

Advertisement

[সিরিয়ায় ‘অগ্নিবৃষ্টি’ মার্কিন বোমারু বিমানের, মৃত ৪২]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ইউনিসেফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মানব বোমা হিসেবে যাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই মেয়ে। ৮৩ জনের এই দলে ৫৫ জন মেয়ে ও ১৩ জন ছেলে আছে। এদের প্রত্যেকের বয়স ১৫ বছরের নিচে। ১০ বছরের কম বয়সি শিশুও আছে এই দলে। অপহৃত শিশু-কিশোরদের গোপন ঘাঁটিতে নিয়ে গিয়ে জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ইউনিসেফের দেওয়া এই রিপোর্ট চিন্তা বাড়িয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের। কারণ দেখা যাচ্ছে, প্রতিবছর ১৫ বছরের নিচে শিশু বা কিশোর-কিশোরীকে অপহরণের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। আফ্রিকার নাইজেরিয়ায় প্রত্যেক বছরই বহু শিশু ও কিশোর বা কিশোরীকে অপহরণ করে বোকো হারাম জঙ্গি সংগঠন। আর তাদের অধিকাংশকে এইভাবেই ব্যবহার করা হয়।

Advertisement

[পাকিস্তানকে বেনজির তুলোধোনা ট্রাম্পের, কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি]

উত্তর নাইজেরিয়ার সেনাবাহিনীর সূত্রে খবর, বিভিন্ন ব্যস্ততম এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটাতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ওইসব শিশুদের। ইউনিসেফ-এর মতে, এইসব শিশুদের কোনওভাবেই অপরাধী বলা যাবে না। তারা পরিস্থিতির শিকার। ইউনিসেফ বলছে, সমস্ত রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে ২০১৭ সাল। ২০১৫ বা ২০১৬ সালের চেয়ে চারগুণ বেশি শিশু-কিশোরকে এই বছর ‘মানববোমা’য় ব্যবহার করা হয়েছে।

[ভারতে চিনা সেনার প্রবেশ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি বেজিংয়ের]

চলতি বছর মে মাসের প্রথম সপ্তাহে সরকারের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় ৮২ জন মহিলাকে মুক্তি দেয় বোকো হারাম। ২০১৪ সালের এপ্রিলে ২৭৬ জন মেয়েকে অপহরণ করে বোকো হারাম। সেখান থেকে ৫৭ জন পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। আর বাকি ২১৯ জনের মধ্যে ১০৬ জনকে পরে বিভিন্ন সময়ে মুক্তি দেওয়া হয় কিংবা উদ্ধার করা হয়। এখনও ১১৩ জন নিখোঁজ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন