Alexei Navalny

বুকে একটা ঘুষি মেরেই খুুন নাভালনিকে’, চাঞ্চল্যকর দাবি মানবাধিকার কর্মীর

রাশিয়ার বিরোধী নেতাকে হত্যা নিয়ে সরব হয়েছেন ওই মানবাধিকার কর্মী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪, ২০:১০

options
link
বুকে একটা ঘুষি মেরেই খুুন নাভালনিকে’, চাঞ্চল্যকর দাবি মানবাধিকার কর্মীর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নির্মম ভাবে একটিমাত্র বুকে ঘুষিতে হত্যা করা হয়েছে রাশিয়ার (Russia) বিরোধী নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনিকে (Alexei Navalny)। মধ্যযুগীয় পদ্ধতিতে হৃদযন্ত্র বিকল করে হত্যা করেছে গুপ্তচর কেজিবি (KGB), চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন এক রুশ মানবাধিকার কর্মী। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার রুশ জেল কর্তৃপক্ষ রাশিয়ার বিরোধী নেতা নাভালনির মৃত্যুর খবর জানায়। যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়। পুতিনের নির্দেশে জেলের ভিতরে বিরোধী নেতার হত্যার অভিযোগ ওঠে।

Advertisement

লন্ডন টাইমসের দাবি, নাভালনিকে বুকে ঘুষি মেরে হত্যার কথা জানিয়েছেন মানবাধিকার সংস্থা গালাগু.নেটের প্রতিষ্ঠাতা ভ্লাদিমির অসেচকিন। তিনি বলেন, “কেজিবির স্পেশাল ডিভিশনের এটা পুরনো পদ্ধতি। তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কীভাবে বুকে একটিমাত্র ঘুষি মেরে হৃদযন্ত্র বিকল করে কাউকে হত্যা করা যায়। এটা কেজিবির হলমার্ক হত্যার পদ্ধতি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 

Advertisement

[আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে সভা পিছিয়ে দিল তৃণমূল, স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে দুই মন্ত্রী]

কেজিবি ছিল সোভিয়েত যুগের ভয়ংকর গুপ্তচর সংস্থা। আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯১ সালের ৩ ডিসেম্বরে যা বিলুপ্ত হয়। রাশিয়া আমলে ফরেন ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসে (SVR) রূপ নেয় সেটি। যা কলা তাই ব্যানানা, রূপ বদল করে কেজিবি এখন ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস বা এফএসবি। তারাই কী নির্মম ভাবে নাভালানিকে হত্যা করেছে? এভাবেই?

 

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরের চাইতেও বেশি! লোকসভা ভোটে বাংলার জন্য কত বাহিনী চাইল কমিশন?]

প্রসঙ্গত, এদিনই হদিশ মিলেছে রাশিয়ার বিরোধী নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির দেহের! অভিযোগ উঠেছে, গোপনে দেহ সৎকারের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে নাভালনির মা লুডমিলা নাভালনায়া। এনিয়ে ভিডিওবার্তা দিয়ে রুশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন নাভালনির মা। লুডমিলার অভিযোগ,”ওরা পুরো বিষয়টি গোপনে সেরে ফেলতে চাইছে। কোনও শোকসভা করতে বারণ করেছে। একটি কবরস্থানে নিয়ে গিয়ে আমাকে বলা হয়, এখানেই ছেলেকে সমাধিস্থ করে দিন। কিন্তু আমি আপত্তি জানাই।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন