Iran War

হরমুজে অভিযান, খার্গ দ্বীপ দখল করেই ‘অন্তিম আঘাত’! ইরানের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতবে মার্কিন স্থলসেনা!

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ পেলেই লাগাতার বোমবর্ষণ শুরু হবে তেহরান-সহ গোট ইরানে। একই সময়ে গেরিলা অভিযান শুরু করবে স্থলসেনা। যুদ্ধে ইরানের টিকে থাকার প্রধান কৌশল হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ। তা কেড়ে নিতে সংলগ্ন লারাক দ্বীপে হামলা চালাবে মার্কিন সেনা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২৬, ১৭:৪৪

options
link
হরমুজে অভিযান, খার্গ দ্বীপ দখল করেই ‘অন্তিম আঘাত’! ইরানের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতবে মার্কিন স্থলসেনা!
ইরানের শাসক গোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করেই ক্ষান্ত দেবে না ট্রাম্পের সৈন্য।

পেন্টাগনের ভাষায় ‘দ্য ফাইনাল ব্লো’! অর্থাৎ ইরান যুদ্ধে এবার অন্তিম আঘাতের পরিকল্পনা মার্কিন সেনার। ট্রাম্পের নির্দেশে ইতিমধ্যে পশ্চিম এশিয়ার মার্কিনঘাঁটিগুলিতে পৌঁছে গিয়েছে মুখোমুখি যুদ্ধে পারঙ্গম হাজার হাজার স্থলসেনা। শেষ মুহূর্তের দাবার চাল সাজাচ্ছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর। কোন কোন পদক্ষেপে ইরানের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতবে পেন্টাগন?

Advertisement

সূত্রের খবর, ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ পেলেই লাগাতার বোমবর্ষণ শুরু হবে তেহরান-সহ গোট ইরানে। একই সময়ে গেরিলা অভিযান শুরু করবে স্থলসেনা। যুদ্ধে ইরানের টিকে থাকার প্রধান কৌশল হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ। তা কেড়ে নিতে সংলগ্ন লারাক দ্বীপে হামলা চালাবে মার্কিন সেনা। আরব আমিরশাহীর নিকটবর্তী দ্বীপপুঞ্জ-সহ আবু মুসারও দখলে নেওয়া হবে। জল-স্থল-আকাশ তিন দিক থেকে হামলা চালিয়ে খার্গ দ্বীপ দখলেরও পরিকল্পনা রয়েছে পেন্টাগনের। বলা বহুল্য, প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুলবে দেওয়ালে পিঠ ঠেখে যাওয়া খামেনেইর দেশ। সেই মতো তৈরি থাকতে বলা হয়েছে বিশ্বের সর্বোত্তম সেনাকে।

Advertisement

কেবল ইরানের বর্তমান শাসক গোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করেই ক্ষান্ত দেবে না ট্রাম্পের সৈন্য। পাশাপাশ ইরানের যাবতীয় ‘বিপজ্জনক’ অস্ত্র ভাণ্ডার ধ্বংস করা হবে। পরমাণুকেন্দ্রগুলিকে অকেজো কে দেওয়া হবে। রবিবার হোয়াইট হাউসের মিডিয়া উপদেষ্টা ক্যারোলিন লেভিট বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভুয়ো কথা বলেন না, তিনি কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।”

Advertisement

অন্যদিকে, ইরানের উপর জোরাল আঘাত হানতে ‘জলদানব’ ইউএসএস ত্রিপোলিকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠিয়েছে আমেরিকা। জানা যাচ্ছে, সেটিতে রয়েছে প্রায় ২৫০০ মেরিন সেনা (নৌসেনা)। স্যাটেলাইট ইমেজ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এক সপ্তাহ আগে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস ত্রিপোলিকে দক্ষিণ চিন সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা হতে দেখা গিয়েছে। এর পাশাপাশি দেখা গিয়েছে আরও দুই যুদ্ধ জাহাজকে। তবে সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই নাকি ত্রিপোলি পৌঁছে গিয়েছে নিজের গন্তব্যে। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রয়েছে বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন। ইউএসএস জেরার্ল্ড আর ফোর্ড এতদিন ওই অঞ্চলে থাকলেও এই জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের জেরে সেটিকে বর্তমানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ফলে আব্রাহাম লিঙ্কনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধে দাপট দেখাবে ত্রিপোলি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.