Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Strait of Hormuz

২০ পাক জাহাজকে হরমুজ পেরনোর অনুমতি ইরানের! ইসলামাবাদকে মধ্যস্থতার ‘পুরস্কার’?

চার সপ্তাহেরও বেশি রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে ইরানকে ১৫ দফা শর্ত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সূত্রের খবর, ট্রাম্প প্রশাসনের ওই প্রস্তাব পাকিস্তানই পৌঁছে দিয়েছিল ইরানের কাছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে হঠাৎই গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হয়ে উঠেছে শাহবাজ শরিফ সরকার। মূলত ইসলামাবাদের মাধ্যমেই উভয়পক্ষ বার্তা আদান-প্রদান করছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২৬, ১৮:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২৬, ১৮:৫৭

options
link
২০ পাক জাহাজকে হরমুজ পেরনোর অনুমতি ইরানের! ইসলামাবাদকে মধ্যস্থতার ‘পুরস্কার’? zoom
২০টি পাক জাহাজকে নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পেরনোর অনুমতি দিল ইরান।

‘বন্ধু’ পাকিস্তানকে ছাড়। ২০টি পাক জাহাজকে নিরাপদে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) পেরনোর অনুমতি দিল ইরান। শনিবার পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার খবরটি নিশ্চিত করেন। ইরানের এই পদক্ষেপকে তিনি ‘শান্তির অগ্রদূত’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। আমেরিকা-ইরানের যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। সেই কারণেই কি ইসলামাবাদকে পুরস্কৃত করল তেহরান? উঠছে প্রশ্ন।

পাক বিদেশমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘ইরান সরকার পাকিস্তানের পতাকাবাহী আরও ২০টি জাহাজকে হরমুজ পেরনোর অনুমতি দিয়েছে। এই খবরে আমরা আনন্দিত। প্রতিদিন দু’টি করে পাক জাহাজ হরমুজ অতিক্রম করবে।’ তিনি বলেন, “ইরানের এই পদক্ষেপ স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করবে এবং চলমান উত্তেজনা প্রশমনে সাহায্য করবে।” পাক জাহাজকে অনুমতি দেওয়ার জন্য ইরানের কাছে কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন তিনি। ইরানের এই পদক্ষেপকে তিনি ‘গঠনমূলক’ হিসাবেও বর্ণনা করেছেন। ইশাকের সংযোজন, “সংঘাত মেটাতে কূটনীতিই আলোচনাই একমাত্র পথ।” সম্প্রতি ইশাক এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে ফোনালাপ হয়। তারপরই এই পদক্ষেপ করল তেহরান।

Advertisement

প্রসঙ্গত, চার সপ্তাহেরও বেশি রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে ইরানকে ১৫ দফা শর্ত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সূত্রের খবর, ট্রাম্প প্রশাসনের ওই প্রস্তাব পাকিস্তানই পৌঁছে দিয়েছিল ইরানের কাছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে হঠাৎই গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হয়ে উঠেছে শাহবাজ শরিফ সরকার। মূলত ইসলামাবাদের মাধ্যমেই উভয়পক্ষ বার্তা আদান-প্রদান করছে। এমনকী আগামী দিনে পাকিস্তানের মাটিতে আলোচনার টেবিলে বসতে পারে বিবাদমান দুই দেশ – একথা জনিয়েছেন খোদ পাক প্রধানমন্ত্রী। শাহবাজের এই প্রস্তাবে নাকি সায়ও দিয়েছেন ট্রাম্প। শুধু তা-ই নয়, শীঘ্রই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাক সফরে যাচ্ছেন বলেও খবর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.